Deprecated: mysql_connect(): The mysql extension is deprecated and will be removed in the future: use mysqli or PDO instead in /var/sites/g/golperjhuri.com/public_html/gj-con.php on line 6
অজানায় বসতি

সুপ্রিয় গল্পের ঝুরিয়ান ... গল্পেরঝুড়ি একটি অনলাইন ভিত্তিক গল্প পড়ার সাইট হলেও বাস্তবে বই কিনে পড়ার ব্যাপারে উৎসাহ প্রদান করে... স্বয়ং জিজের স্বপ্নদ্রষ্টার নিজের বড় একটি লাইব্রেরী আছে... তাই জিজেতে নতুন ক্যাটেগরি খোলা হয়েছে বুক রিভিউ নামে ... এখানে আপনারা নতুন বই এর রিভিও দিয়ে বই প্রেমিক দের বই কিনতে উৎসাহিত করুন... ধন্যবাদ...

সুপ্রিয় গল্পের ঝুরিয়ান গন আপনারা শুধু মাত্র কৌতুক এবং হাদিস পোস্ট করবেন না.. যদি হাদিস /কৌতুক ঘটনা মুলক হয় এবং কৌতুক টি মজার গল্প শ্রেণি তে পরে তবে সমস্যা নেই অন্যথা পোস্ট টি পাবলিশ করা হবে না....আর ভিন্ন খবর শ্রেনিতে শুধুমাত্র সাধারন জ্ঞান গ্রহণযোগ্য নয়.. ভিন্ন ধরনের একটি বিশেষ খবর গ্রহণযোগ্যতা পাবে

অজানায় বসতি

"রহস্য" বিভাগে গল্পটি দিয়েছেন গল্পের ঝুরিয়ান উড়ন্ত পায়রা (৫ পয়েন্ট)



সকাল সকাল তীব্র চিৎকারে আধো ঘুম আধো জাগরণের এক স্বপ্নীল কল্পনার রাজ্য থেকে বেরিয়ে বাস্তবে ফিরে এসে স্তব্ধ হয়ে গেল সীমান্ত। যেন রাজ্যের আঁধারে হঠাৎ ঢাকা পরে গেছে সোনার সূর্যের কিরণ। স্তব্ধতার রেশ দীর্ঘ হলো না চিত্রার কথায়। সীমান্ত ডুকরে কেঁদে উঠে পরক্ষণেই আবার নিশ্চুপ হয়ে উঠে চলে গেল বাইরের দিকে। চিত্রা পিছু ডাকলেও এই পরিস্থিতিতে কখনও সীমান্তের এখানে থাকা সম্ভব নয়। দিনের প্রথম প্রহর কাটলো এক টালমাটাল পরিস্থিতির সাথে লড়াই করে। বেলা ক্রমশ বাড়ছে তবে সীমান্তের দেখা নেই এখনও। ইতিমধ্যে লোক পাঠানো হয়েছে সীমান্তের খোঁজে। কয়েক ঘণ্টা পর::: সীমান্তকে অচেতন অবস্থায় বাড়ি নিয়ে আসা হয়। অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনা ঘটে গেলে তাতে মানিয়ে নিতে সীমান্ত আজো পারবে না। সীমান্তের চেতনা ফিরল এশার আযানের পর। ততক্ষণে আয়ত্রীর দাফনের কাজ সমাপ্ত। চোখ মেলে সীমান্ত এখন খুঁজছে আয়ত্রীকে । সকালের চাপা কষ্টগুলো এখন অন্য রুপে প্রকাশ পাচ্ছে। আয়ত্রীকে না পেয়ে উন্মাদের মতো আচরণ শুরু করলেও মাত্র কিছুক্ষণ পরেই স্বাভাবিক হয়ে গেল সীমান্ত ‌। বাস্তব মানতে যে হবেই। নিয়তি বড় অদ্ভুত। স যে আয়ত্রী কাল রাতেই খাঁচাছাড়া পাখির ন্যায় আনন্দে মেতে ছিল বাঁশবনের জোনাকি মায়ায়,,,সেই আজ সকাল থেকে নেই ! সবাই বলাবলি করছে যে আয়ত্রী আত্নহত্যা করেছে সকালে। কিন্তু সীমান্ত তা মানতে নারাজ। আয়ত্রী কিছুতেই তা পারেনা । তবুও সকাল বেলা ঝুলন্ত লাশ দেখে এইটাই মনে করতে হচ্ছে সবাইকে। আয়ত্রীর দাফন হয়ে যাওয়ায় শেষ দেখাটা আর হলোনা সীমান্তের। শোক , কষ্ট সব একপাশে রেখে সীমান্ত পা বাড়ালো তাদের ঘরের দিকে যেখানে এক নিষ্পাপ শিশু ঘুমিয়ে আছে। এই অবুঝের জন্য‌ই তো সীমান্তের স্বাভাবিক হয়ে ওঠা দ্রুত। শিশুর ঘুমন্ত মুখখানি একদম মায়ের প্রতিচ্ছবি। আরেক দফা রুদ্ধ কষ্ট এসে ভিড় করলো সীমান্তের মনে শিশুর মুখ দেখে। তবুও সীমান্ত হাসছে । অতি কষ্টে নাকি পাথর হয়ে যায় মন। এভাবে পরম আদরে শিশুটিকে বুকে নিয়ে কেটে যায় এক দুই করে তিন মাস। আয়ত্রীকে ভুলতে চেষ্টা করাটা অস্বাভাবিক। তবুও সকল কাজ কর্ম করে সেই চেষ্টা করতে হবে সীমান্তকে কারণ সেই শিশু যার মুখখানি তার মায়ের প্রতিচ্ছবি। এমনি সময়ে একদিন এক পড়ন্ত বিকেলে একরাশ অভিমান নিয়ে আয়ত্রীর বিশেষ ড্রয়ার খুলে লুকায়িত সম্পদ দেখছিল সীমান্ত ‌ । একটি ডাইরি হাতে নিয়ে সে পড়তে থাকলো যা লেখা হয়েছিল আয়ত্রীর মৃত্যুর তিনদিন আগে। লেখা ছিল , """"ভালোবাসি তোমায় সীমান্ত। অনেক বেশি ভালোবাসি। আমি যখন থাকব না ,, তখন কষ্ট পেয় না। তোমার কাছে রেখে যাব আমার পুরো স্মৃতি আর আমার ছেলে । আমি ছিলাম তোমার ,,আছি তোমার,।আমি জানি আমি আর তিনদিন পর তোমাকে ভীষণ একা করে দিয়ে চলে যাব। কিন্তু কিছু করার নেই। আমি তবুও থাকব তোমার হাসিতে ,,তোমার চোখের তারায়। আমি আর থাকব না শীঘ্রই"""" সীমান্ত বাকরুদ্ধ। তার মানে আয়ত্রীর মৃত্যু অস্বাভাবিক। জীবনের সকল অলিগলির সন্ধান করেও কোনো ষড়যন্ত্র চোখে পরল না । তবে এই লেখার মানে কি ! হঠাৎ শিশুর কান্নায় ডাইরি ভুলে শিশুকে নিয়ে ব্যস্ত হয়ে পরল সীমান্ত। ডাইরির লেখার অর্থ বের করা হয়নি আজো। শিশুটি আজ বড় হয়ে গেছে। সীমান্তের সাথে আরো একজন যুক্ত হয়েছে । অনেক সুখ দিনের আলো হয়ে বিরাজ করছে । কিন্তু,,আজো আয়ত্রীর শূন্যতা পিছু ছাড়েনি। কি হয়েছিল সেদিন ! হয়তো কোনো অজানা কথা সব শেষ করে দিতে পারতো তাই সেটা অজানাই রয়ে গেছে। আয়ত্রী আজো রয়ে গেছে সীমান্তের হাসিতে আর তাদের ছেলের মুখচ্ছবির মাঝে ্


এডিট ডিলিট প্রিন্ট করুন  অভিযোগ করুন     

গল্পটি পড়েছেন ৩০৭ জন


এ জাতীয় গল্প

→ পোকামাকড়ের ঘরবসতি

গল্পটির রেটিং দিনঃ-

গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করুন

গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করতে আপনার একাউন্টে প্রবেশ করুন ... ধন্যবাদ...