সুপ্রিয় পাঠকগন আপনাদের অনেকে বিভিন্ন কিছু জানতে চেয়ে ম্যাসেজ দিয়েছেন কিন্তু আমরা আপনাদের ম্যাসেজের রিপ্লাই দিতে পারিনাই তার কারন আপনারা নিবন্ধন না করে ম্যাসেজ দিয়েছেন ... তাই আপনাদের কাছে অনুরোধ কিছু বলার থাকলে প্রথমে নিবন্ধন করুন তারপর লগইন করে ম্যাসেজ দিন যাতে রিপ্লাই দেওয়া সম্ভব হয় ...

সুপ্রিয় গল্পের ঝুরিয়ান গন আপনারা শুধু মাত্র কৌতুক এবং হাদিস পোস্ট করবেন না.. যদি হাদিস /কৌতুক ঘটনা মুলক হয় এবং কৌতুক টি মজার গল্প শ্রেণি তে পরে তবে সমস্যা নেই অন্যথা পোস্ট টি পাবলিশ করা হবে না....আর ভিন্ন খবর শ্রেনিতে শুধুমাত্র সাধারন জ্ঞান গ্রহণযোগ্য নয়.. ভিন্ন ধরনের একটি বিশেষ খবর গ্রহণযোগ্যতা পাবে

আযান

"ইসলামিক" বিভাগে গল্পটি দিয়েছেন গল্পের ঝুরিয়ান Nir (১৮৯ পয়েন্ট)



ঐ তো আযান হচ্ছে । ফজরের আযান। মুয়াজ্জিন সাহেব খুব সুন্দর করে আযান দিচ্ছেন । আযানের ধ্বনিগুলো কতইনা মিষ্টি । যাই, নামাজটা পড়েই আসি । কিন্তু বাইরে তো খুব ঠান্ডা । শুয়ে থেকেই তো ভালো আছি । এত আরামদায়ক অবস্থা থেকে উঠে কিভাবে নামাজ পড়তে যাই । কিন্তু শুনেছি পাঁচ ওয়াক্ত নামাজ নাকি ইমানদারগণের কাছে খুব মধুর লাগে। আবার নামাজ পড়তে গেলে নামাজ এর মাধ্যমে আল্লাহর সাথে মোলাকাত হয়ে যেত। তবু ও একটি কথা বলতেই হচ্ছে এত আরামদায়ক ঘুম ঘুম অবস্থা থেকে উঠে নামাজ পড়তে যাওয়া আমার পক্ষে অসম্ভব । আরে, ঐত মুয়াজ্জিন সাহেব বললেন,"আসসালাতু খায়রুম মিনান্নাউম"। অর্থাৎ "ঘুম হতে নামাজ উত্তম"। দুইবার বললেন তিনি। ঠিকই তো বলেছেন। যাই হোক এবার নামাজ পড়তে উঠেই গেলাম। ঠান্ডা উপেক্ষা করে মসজিদের দিকে হেঁটে চলেছি। জানিনা কেন মনের মধ্যে অজানা আনন্দের হাওয়া বইছে। অনেকক্ষণ হাঁটলাম। পৌঁছে গেছি মসজিদে । হঠাৎ মনে হলো এর আগে নামাজ পড়তে কখনো মসজিদে যাইনি । আর তাছাড়া এই মসজিদ আমার বাড়ি থেকে অনেক দূরে। তাহলে আযান কিভাবে শুনতে পেলাম ? এর আগে ত কখনো আযান কানে পৌঁছায়নি। নামাজ ত আমি পড়িনা । আজকে হঠাৎ আযানের ধ্বনি শুনে মুগ্ধ হয়ে অজান্তেই নামাজ পড়তে চলে এলাম। তাহলে কি আল্লাহ দ্বারা হেদায়াতপ্রাপ্ত হলাম ????????????????????????????


এডিট ডিলিট প্রিন্ট করুন  অভিযোগ করুন     

গল্পটি পড়েছেন ১৫৪ জন


এ জাতীয় গল্প

গল্পটির রেটিং দিনঃ-

গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করুন

গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করতে আপনার একাউন্টে প্রবেশ করুন ... ধন্যবাদ...