সুপ্রিয় পাঠকগন আপনাদের অনেকে বিভিন্ন কিছু জানতে চেয়ে ম্যাসেজ দিয়েছেন কিন্তু আমরা আপনাদের ম্যাসেজের রিপ্লাই দিতে পারিনাই তার কারন আপনারা নিবন্ধন না করে ম্যাসেজ দিয়েছেন ... তাই আপনাদের কাছে অনুরোধ কিছু বলার থাকলে প্রথমে নিবন্ধন করুন তারপর লগইন করে ম্যাসেজ দিন যাতে রিপ্লাই দেওয়া সম্ভব হয় ...

সুপ্রিয় গল্পের ঝুরিয়ান গন আপনারা শুধু মাত্র কৌতুক এবং হাদিস পোস্ট করবেন না.. যদি হাদিস /কৌতুক ঘটনা মুলক হয় এবং কৌতুক টি মজার গল্প শ্রেণি তে পরে তবে সমস্যা নেই অন্যথা পোস্ট টি পাবলিশ করা হবে না....আর ভিন্ন খবর শ্রেনিতে শুধুমাত্র সাধারন জ্ঞান গ্রহণযোগ্য নয়.. ভিন্ন ধরনের একটি বিশেষ খবর গ্রহণযোগ্যতা পাবে

দ্বীনের পথে বাধা দানে শাস্তি

"ইসলামিক" বিভাগে গল্পটি দিয়েছেন গল্পের ঝুরিয়ান সাঈদ বিন দুলাল (২৭৫২ পয়েন্ট)



দ্বীনের পথে বাধা দান জঘন্য অপরাধ। এর জন্য আল্লাহ পরকালে কঠিন শাস্তির ব্যবস্থা রেখেছেন। মহান আল্লাহ বলেন: ‘আর তাদের মধ্যে এমন কি বিষয় রয়েছে, যার ফলে আল্লাহ তাদের উপর আযাব দান করবেন না। অথচ তারা মসজিদে হারামে যেতে বাধা দান করে, অথচ তাদের সে অধিকার নেই। এর অধিকার তো তাদেরই রয়েছে যারা পরহেযগার। কিন্তু তাদের অধিকাংশই সে বিষয়ে অবহিত নয়’ [আনফাল ৮/৩৫]। আল্লাহপাক অন্যত্র বলেন: ‘হে ঈমানদারগণ! পন্ডিত ও সংসারবিরাগীদের অনেকে লোকদের মালামাল অন্যায়ভাবে ভোগ করে চলেছে এবং আল্লাহর পথ থেকে লোকদের নিবৃত রেখেছে। আর যারা স্বর্ণ ও রৌপ্য জমা করে রাখে এবং তা ব্যয় করে না আল্লাহর পথে, তাদের কঠোর আযাবের সুসংবাদ শুনিয়ে দিন’ [তওবা ৯/৩৪]। তিনি আরো বলেন: ‘যারা কাফের হয়েছে এবং আল্লাহর পথে বাধা সৃষ্টি করেছে, আমি তাদেরকে আযাবের পর আযাব বাড়িয়ে দেব। কারণ তারা অশান্তি সৃষ্টি করত’ [নাহল ১৬/৮৮]। অন্যত্র তিনি বলেন: ‘তোমরা স্বীয় কসম সমূহকে পারস্পরিক কলহদ্বন্দ্বের বাহানা করো না। তাহ’লে দৃঢ়ভাবে প্রতিষ্ঠিত হওয়ার পর পা ফসকে যাবে এবং তোমরা শাস্তির স্বাদ আস্বাদন করবে, এ কারণে যে, তোমরা আমার পথে বাধা দান করেছ এবং তোমাদের কঠোর শাস্তি হবে’ [নাহল ১৬/৯৪]। আল্লাহ আরো বলেন: ‘যারা কুফরী করে ও আল্লাহর পথে বাধা সৃষ্টি করে এবং সেই মসজিদে হারাম থেকে বাধা দেয়, যাকে আমি প্রস্ত্তত করেছি স্থানীয় ও বহিরাগত সকল মানুষের জন্যে সমভাবে এবং যে মসজিদে হারামে অন্যায়ভাবে কোন ধর্মদ্রোহী কাজ করার ইচ্ছা করে, আমি তাদেরকে যন্ত্রণাদায়ক শাস্তি আস্বাদন করাব’ [হজ্জ ২২/২৫]। দ্বীনের পথে বাধা দানকারী ব্যর্থ ও পরাজিত হবে: দ্বীনের পথে বাধা দানকারীরা যতই কৌশল অবলম্বন করুক, তারা যতই প্রভাবশালী হোক, এক সময় ব্যর্থতার গ্লানি তাদের বরণ করতে হবে। পরাজয়ের মালা তাদের গলায় পরতেই হবে। এটা মহান আল্লাহর ঘোষণা। আল্লাহ তা‘আলা বলেন: ‘যারা কুফরী করে এবং আল্লাহর পথে বাধা সৃষ্টি করে, আল্লাহ তাদের সকল কর্ম ব্যর্থ করে দেন’ [মুহাম্মাদ ৪৭/১]। অন্যত্র তিনি বলেন: ‘নিশ্চয়ই যারা কাফের এবং আল্লাহর পথ থেকে মানুষকে ফিরিয়ে রাখে এবং নিজেদের জন্য সৎ পথ ব্যক্ত হওয়ার পর রাসূলের বিরোধিতা করে, তারা আল্লাহর কোনই ক্ষতি করতে পারবে না এবং তিনি ব্যর্থ করে দিবেন তাদের কর্মসমূহকে’ [মুহাম্মাদ ৪৭/৩২]। দ্বীনের কাজে বাধা দানে সম্পদ ব্যয় আফসোসের কারণ হবে: পৃথিবীর পূর্ববর্তী উম্মতের ন্যায় বর্তমানেও এমন অনেক লোক আছে, যারা ব্যক্তিস্বার্থে দলীয় স্বার্থে কিংবা নিজেদের বশবর্তী হয়ে দ্বীনের কাজে বাধা দানের জন্য অকাতরে অর্থ ব্যয় করে থাকে। প্রকৃতপক্ষে দ্বীনের কাজে বাধা দানের জন্য তাদের সকল প্রচেষ্টা ব্যর্থ হবে। উপরন্তু এজন্য তাদের ব্যয়িত অর্থের জন্যও তারা আফসোস করবে। এ সম্পর্কে আল্লাহ আরো বলেন: ‘নিঃসন্দেহে যেসব লোক কাফের, তারা ব্যয় করে নিজেদের ধন-সম্পদ, যাতে করে বাধা দান করতে পারে আল্লাহর পথে। বস্ত্ততঃ এখন তারা আরো ব্যয় করবে। তারপর তাই তাদের জন্য আক্ষেপের কারণ হবে এবং শেষ পর্যন্ত তারা হেরে যাবে। আর যারা কাফের, তাদেরকে জাহান্নামের দিকে তাড়িয়ে নিয়ে যাওয়া হবে’ [আনফাল ৮/৩৬]। পরিশেষে আমরা বলতে পারি যে, পৃথিবীতে ব্যক্তি বা দলীয় স্বার্থে কিংবা রাজনৈতিক উদ্দেশ্য হাছিলের পথে বাধা মনে করে যারা আল্লাহর দ্বীনের পথে প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি করবে, তারা সাময়িকভাবে সফল হ’লেও মূলতঃ ব্যর্থতা তাদেরকে বরণ করতেই হবে। তারা ইহকালে যেমন ক্ষতিগ্রস্ত হয়, ক্ষমার অযোগ্য এ পাপাচারের কারণে পরকালেও তারা মুক্তি পাবে না; বরং জাহান্নামে নিক্ষিপ্ত হবে। এজন্য এখন থেকে সাবধান হওয়া আবশ্যক যে, আমাদের কোন কথা বা কাজে কিংবা কোন আচরণে দ্বীনের প্রচার-প্রসারে যেন বিঘ্ন না ঘটে। পাশাপাশি হক্বের প্রচার-প্রসারে আমাদেরকে সম্মিলিতভাবে এগিয়ে আসতে হবে। আল্লাহ আমাদের সবাইকে দ্বীনে হক্বের সেবায় আত্মনিয়োগ করার তাওফীক্ব দান করুন।


এডিট ডিলিট প্রিন্ট করুন  অভিযোগ করুন     

গল্পটি পড়েছেন ৫৬ জন


এ জাতীয় গল্প

→ সন্তানকে তাওহীদ শিক্ষা দানের গুরুত্ব
→ এখানে শয়তান কিভাবে মানুষকে বিপথে চালিত করে তা বর্ণিত হলো:
→ ধর্ষণের শাস্তি সম্পর্কে ইসলাম যা বলে
→ মিথ্যাবাদীর শাস্তি
→ চলো হাটি সত্যের পথে।
→ আল্লাহর আদেশ না মানার কারণে ভয়াবহ শাস্তি
→ অনন্ত পথের সাথী
→ পথের শেষে..
→ প্রতারকের শাস্তি

গল্পটির রেটিং দিনঃ-

গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করুন

গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করতে আপনার একাউন্টে প্রবেশ করুন ... ধন্যবাদ...