গল্পেরঝুড়ির এ্যাপ ডাউনলোড করুন - get google app
গল্পেরঝুড়ি ফানবক্স ! এখন গল্পের সাথেও মজাও হবে! কুইজ খেলুন , অংক কষুন , বাড়িয়ে নিন আপনার দক্ষতা জিতে নিন রেওয়ার্ড !

যারা একটি গল্পে অযাচিত কমেন্ট করছেন তারা অবস্যাই আমাদের দৃষ্টিতে আছেন ... পয়েন্ট বাড়াতে শুধু শুধু কমেন্ট করবেন না ... অনেকে হয়ত ভুলে গিয়েছেন পয়েন্ট এর পাশাপাশি ডিমেরিট পয়েন্ট নামক একটা বিষয় ও রয়েছে ... একটি ডিমেরিট পয়েন্ট হলে তার পয়েন্টের ২৫% নষ্ট হয়ে যাবে এবং তারপর ৫০% ৭৫% কেটে নেওয়া হবে... তাই শুধু শুধু একই কমেন্ট বারবার করবেন না... ধন্যবাদ...

সুপ্রিয় গল্পেরঝুরিয়ান... জিজেতে আজে বাজে কমেন্ট করা থেকে বিরত থাকুন ... অন্যথায় আপনার আইডি বা কমেন্ট ব্লক করা হবে... আর গল্প দেওয়ার ক্ষেত্রে গল্প দেওয়ার নিয়ম মেনে চলুন ... সার্বিকভাবে জিজের নীতিমালা মেনে চলার চেস্টা করুন ...

গ্রে লেডি অব বাগরাম

"বুক রিভিউ " বিভাগে গল্পটি দিয়েছেন গল্পের ঝুরিয়ান M.H.H.RONI (৯৩৮ পয়েন্ট)



আপনারা জানেন বর্তমানে এই পৃথিবীতে সবচেয়ে নির্যাতন,আর অন্যায়ের শিকার হচ্ছে মুসলীমরাই।ঠিক তেমনি এক মুসলীম নারীর নাম আফিয়া সিদ্দিকী।যিনি জন্মসূএে পাকিস্তানের নাগরিক।অপরদিকে আমেরিকারও।মুসলীম এই নারী ১৯৭২সালের ২মার্চ করাচিতে জন্মগ্রহন করেন।অতঃপর ১৯৯০ সালে তিনি তার বড় ভাইয়ের নিকট আমেরিকায় গমন করেন।সেখানেই তিনি ম্যাসাচুসেটস ইনস্টিটিউট অব টেকনোলজি(mit)থেকে ফুল স্কলারশিপ পেয়ে সেখানে ভর্তি হন।১৯৯২সালে আফিয়া সিদ্দিকী islamization in pakistan&its effect on women বিষয়ে গভেষনা করে carrol l.wilson award অর্জন করেন এবং পাচ হাজার ডলার পুরুস্কার লাভ করেন।এসব বললে তার ডিগ্রি আর পুরুস্কার নিয়েই আমার লেখার সমাপ্তি গটাতে হবে।শুধু জেনে রাখুন তিনি আরও অনেক ডিগ্রি ও পুরুস্কারে ভূষিত হন আমেরিকায় ও পাকিস্তানে।পাকিস্তান তাকে জাতির কন্যা হিসাবে সৃকৃতি দিয়েছে।যাই হোক তিনি ছিলেন অত্যন্ত ধর্মপরায়ন এক নারী।তিনি পবিএ কোরআনের হাফেসও ছিলেন।তাই যেই তার কাছে আসত তিনি কোরআনের ভিবিন্ন আয়াত থেকে অর্থ করে বুঝিয়ে দিতেন।আমেরিকায় থাকাকালে তিনি ইসলাম প্রচারে এগিয়ে আসেন।তিনি গরীব মুসলীমদের নিয়মিত পবিএ কোরআন বিনামূল্য দান করতেন।ইসলাম প্রচারে তিনি আরও অনেক ভূমিকা রাখেন।তিনি বলতেন আমেরিকা আমাকে জাগতিক শিক্ষা দিবে আর আমি আমেরিকার জনগনকে ইসলামি শিক্ষা দিব। সময়টা ২০০৩ সালের ৩১মার্চ।ড.আফিয়া ও তার তিন সন্তানসহ আইএসআই কর্তৃক অপহৃত হন।আপনাদের বলে রাখি আইএসআই হলো পাকিস্তানেরই একটি গোয়েন্দা সংস্হা।৩১মার্চ ২০০৩ সালে গণমাধ্যমে প্রচারিত হয় যে আফিয়াকে গ্রেফতার করে আমেরিকার প্রতিনিদিদের হাতে তুলে দেওয়া হয়েছে।nbc nightly newsসহ অন্যান্য গনমাধ্যম এর সত্যতা নিশ্চিত করে।অপহরনের পর ড.আফিয়ার পরিবারের সাথে সন্ধেহভাজন এক এজেন্সি দেখা করে বলে যে আফিয়াকে ফিরত পেতে চাইলে তারা যেন মুখ বন্ধ রাখে।এভাবে অনেকদিন চলে যায়।হঠাৎ করে আফিয়ার খবর আসে তিনি আফগানিস্তানের কারাগার বাগরামে বন্ধি আছেন।আপনাদের বলে রাখি বাগরাম এমন এক কারাগার যা আমেরিকার অধীনে।সেখানে এমন কোন নির্যাতন নেই তা করা হয় না।বলতে পারেন পৃথীবীর সবচয়ে নিকৃষ্ট আর ভয়ংকর এক জায়গা।সেখানে আরেক বন্ধি আফিয়াকে দেখা এবং বলে সেখানে আমি এক মহিলাকে দেখেছিল যার বর্ণ ধূসর।সেখান থেকেই তার নাম দেয়া হয় গ্রে লিডি অব বাগরাম অর্থাৎ বাগরামের ধূসর বর্ণের মহিলা।যখন গনমাধ্যমে তার খবর ছড়িয়ে পরে তখন আমেরিকার সরকার আরেক নাটকের আশ্রয় নেয়।বলা হয় আফিয়া আমেরিকার এক সৈন্যকে আহত করে সেখান থেকে পালিয়ে যাবার চেষ্টা করেছিল।অথচ সেদিন আফিয়ার শরীলেই গুলি লাগে আর কোন সৈন্যর কিছু হয় নি।তাছাড়া গুলি চালানো তার জন্য অসম্ভব ছিল।কেননা ঐসব বন্ধুকে লক দেওয়া থাকে আর যার বন্ধুক তাকে ছাড়া অন্যকেউ ব্যবহার করতে পারে না।যাহোক গনমাধ্যমে সাড়া পরার সাথে সাথেই তাকে আমেরিকায় নেওয়া হয়।তার জবানবন্দীমতে তাকে একাদিকবার সেখানে ধর্ষন করা হয়।(আল্লাহ ক্ষমা কর) যাতে সে মানসিকভাবে ভেঙে পড়ে।সেখানে তাকে প্রয়োজনীয় চিকিৎসাও দেওয়া হয় না আর কারও সাথে দেখাও করতে দেওয়া হয় না।হাজার হোক বন্ধীরওত কিছু মানবিক অধিকার আছে কিন্তুু তার ক্ষেএে সবই সপ্ন।কথিত আছে তিনি সেখানে নবী সা.কে সপ্ন দেখেন।নবী সা.তাকে ধৈয্যধারন করার কথা বলেছেন।(কতই না সৌভাগ্যবান) অনেকদিন পর তাকে আমেরিকার আদালতে তুলা হয়।সেখানেও আফিয়ার পছন্দমতো উকিল নিয়োগ দেওয়া হয় নি।আদালতে আসার আগে আফিয়ার সামনে কোরআন ফেলে দেওয়া হয় এবং বলা হয় সে যেন এর উপর দিয়ে পারিয়ে যায়।(নাউযুবিল্লাহ)কিন্তুু তারা জানে না একজন প্রকৃত মুসলীমের ইমানিশক্তি কতটুকু।বলতে কষ্ট হয় তবুও বলতে হয় সেখানে তাকে উলঙ্গ করা হয় এবং বলা হয় সে যদি কোরআনের উপর দিয়ে হেটে না যায় তবে তাকে উলঙ্গ করে আদালতে হাজির করা হবে।তিনি না বললে তাকে অনেক নির্যাতন করা হয় তবুও তিনি ইমানি চেতনায় অটল ছিলেন।অতঃপর তাকে সাজানো এক আদালতে উপস্হিত করা হয়।সেখানে তার উপর অভিযোগ হলো আমেরিকার সৈন্যকে হত্যার চেষ্টা ও আইএসর সাথে সম্পৃকততা।কিন্তুু দুটিই ছিল ভিওিহীন।অতঃপর সেখানে পক্ষে বিপক্ষে লড়ার পর আদালত বলে আফিয়ার বিরুদ্ধে যেসব অভিযুগ তুলা হয়েছে তার পক্ষে যতেষ্ট প্রমান পাওয়া যায় নি।আফিয়াকে ৮৬ বছরের কারাদন্ড দেওয়া হলে।।।।কী বুঝলেন?এই তাদের তথাকথিত ন্যায়বিচার।সেদিন আফিয়াকে দেখার জন্য হাজার হাজার মানুষ আদালত প্রাঙ্গনে উপস্হিত হয়েছিল।তখন আফিয়া জনসম্মুখে দাড়িয়ে জীর্ন শীর্ন কন্ঠে কোরআনের একটি আয়াত তেলাওয়াত করেন এবং বলেন আমি এদের ক্ষমা করে দিয়েছি আপনারাও এদের ক্ষমা করে দিন।।।হে আল্লাহ তাকে আপনি পরকালে উওম প্রতিদান দান করুন।।আফিয়ার সর্বশেষ পরিস্হিতি জানা গেছে তিনি মানসিক ভারসাম্য হারিয়েছেন।বর্তমানে তিনি আমেরিকায় বন্ধি আছেন।বর্তমানে পাকিস্তান সরকারও বিষয়টি দেখছে। পরিশেষে আমি বলতে চাই মহান এই মহীয়সি নারীর জন্য আপনারা দোয়া করবেন।আর যারা তার বিষয়ে বিস্তারিত জানতে চান তারা গ্রে লেডি অব বাগরাম নামের বইটি পড়ে নিবেন।মহান আল্লাহ আমাদের সকলকে তার মতো ইমানি চেতনা দান করুক। আমিন।।।।।।


এডিট ডিলিট প্রিন্ট করুন  অভিযোগ করুন     

গল্পটি পড়েছেন ৬৭১ জন


এ জাতীয় গল্প

→ অবনীল(পর্ব-৮)
→ অবনীল(পর্ব-৭)
→ অবন্তির প্রেম
→ অবনীল(পর্ব-৬)
→ অবনীল(পর্ব-৫)
→ Alexander: আলেকজান্ডার দি গ্রেট
→ অবনীল(পর্ব-৪)
→ অবনীল(পর্ব-৩)
→ অবনীল(পর্ব-২)
→ হ্যারি পটার আন্ড দ্য অর্ডার অব দ্য ফিনিক্স

গল্পটির রেটিং দিনঃ-

গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করুন

গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করতে আপনার একাউন্টে প্রবেশ করুন ... ধন্যবাদ...