গল্পেরঝুড়ির এ্যাপ ডাউনলোড করুন - get google app
গল্পেরঝুড়ি ফানবক্স ! এখন গল্পের সাথেও মজাও হবে! কুইজ খেলুন , অংক কষুন , বাড়িয়ে নিন আপনার দক্ষতা জিতে নিন রেওয়ার্ড !

সুপ্রিয় গল্পের ঝুরিয়ান ... গল্পেরঝুড়ি একটি অনলাইন ভিত্তিক গল্প পড়ার সাইট হলেও বাস্তবে বই কিনে পড়ার ব্যাপারে উৎসাহ প্রদান করে... স্বয়ং জিজের স্বপ্নদ্রষ্টার নিজের বড় একটি লাইব্রেরী আছে... তাই জিজেতে নতুন ক্যাটেগরি খোলা হয়েছে বুক রিভিউ নামে ... এখানে আপনারা নতুন বই এর রিভিও দিয়ে বই প্রেমিক দের বই কিনতে উৎসাহিত করুন... ধন্যবাদ...

সুপ্রিয় গল্পেরঝুরিয়ান... জিজেতে আজে বাজে কমেন্ট করা থেকে বিরত থাকুন ... অন্যথায় আপনার আইডি বা কমেন্ট ব্লক করা হবে... আর গল্প দেওয়ার ক্ষেত্রে গল্প দেওয়ার নিয়ম মেনে চলুন ... সার্বিকভাবে জিজের নীতিমালা মেনে চলার চেস্টা করুন ...

মেধা পাচার

"ক্রাইম" বিভাগে গল্পটি দিয়েছেন গল্পের ঝুরিয়ান MK MOSHREKUL ISLAM MONDOL (০ পয়েন্ট)



মেধা পাচার বলতে বোঝায় ভালো চাকরি এবং সুযোগ -সুবিধার আশায় কোনো দেশের শিক্ষিত ও দক্ষ লোকের বিদেশে চলে যাওয়া। বাংলাদেশের মতো একটি দেশের জন্য এটি অত্যন্ত ক্ষতিকর কারন এখানে দক্ষ ও মেধাবী লোকের অভাব রয়েছে। প্রতিবছর বহু চিকিৎসক, প্রকৌশলী, শিক্ষক এবং দক্ষ শ্রমিক বিদেশে পাড়ি জমাচ্ছে এবং উন্নত দেশগুলোতে তারা বসতি স্থাপন করছে কারন সে দেশগুলো তাদের জন্য উচ্চ বেতন,চমৎকার আবাসন ব্যাবস্থা ও অন্যান্ন সুযোগ সুবিধা প্রদান করে থাকে। কিন্তু বাংলাদেশের মতো উন্নয়নশীল যেসব দেশ থেকে দক্ষ লোকজন বিদেশে চলে যাচ্ছে এটি দেশের জন্য মারাত্মক ক্ষতিকর। আমি মনে করি মেধা পাচার একটি সবচেয়ে বড় অপরাধ। রাজাকার আলবদরও ও তাদের মধ্যে কোনো পার্থক্য আছে বলে আমি মনে করি না।এটা যুদ্ধপরাধের চেয়েও হাজার গুণ ঘৃনিত কাজ। যাহোক মেধাবী শিক্ষার্থীদের উচ্চ শিক্ষার জন্য বিদেশে যাওয়ার বিষয়টিকে মেধা পাচার বলছিনা।কিন্তু যারা তাদের সেবা থেকে বঞ্চিত করে বিদেশে স্থায়ীভাবে বসবাস করে তখনই এটিকে মেধা পাচার বলা যাবে।এরকম শিক্ষিত মূর্খরা দেশের অর্থনৈতিক উন্নতির অন্তরায়। একটি ছাএের পিছনে দেশ প্রচুর অর্থ ব্যয় করে। যদি সে বিদেশে চলে যায় তাহলে দেশ তার বিনিয়োগে কোনো প্রতিদান পায় না।আমার গ্রামের এক বড় ভাই।এমন গরিব ছিলো যার পড়ালেখা ব্যায় কোনো ভাবেই তার পরিবার বহন করতে পারতো না।বিদ্দালয় এবং গ্রামের বিভিন্ন মানুষের সহায়তায় ইন্জিনিয়ারিং পাশ করে।দেশের সরকার ও তার পিছনে লাখ লাখ টাকা ব্যায় করেছে। অথচ স্কলারশিপ পেয়ে বিদেশে গিয়ে সেই দেশে বিয়ে করে নাগরিক হয়ে গেছে।অথচ তার বাবা যে ফেরিওয়ালা এখনো তাই করতেছে। বাবা মার আশা দেশের ভালোবাসা সব ছিন্ন করে আমেরিকার নাগরীক।মাঝে মাঝে ফেসবুকে দু একটা করে কার নিয়ে পিকও দেখতে পাই।সে এমন মেধাবী ছিল যে আমাদের মাটির নিচের অনেক সম্পদ উত্তলনে কাজ করতে পারতো। এরকম আরো অসংখ্য মেধাবি লোক আছে যারা বিদেশে যাচ্ছে।তাদের কথা এদেশে যন্ত্র পাতি নাই কিন্তু এমনও মেধাবী ছিল বা আছে যারা নিজেরাই এসব যন্ত্রপাতি বানানোর ক্ষেত্রে অবদান রাখতে পারতেন। তার প্রমান আমরা চ্যালেন আই এসো রোবর্ট বানাই প্রতিযোগিতা টি যারা দেখেছি তারা জানি।কিন্তু এটা খুবই দুঃখজনক যে আমরা নিজেদের লোকদের ব্যাবহার করতে পারি না, অন্য দেশগুলো তাদের থেকে উপকৃত হচ্ছে। এই প্রবনতা বন্ধ করতে তাই দেশের প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেওয়া উচিত বলে আমি মনে করি।( আপনাদের মতামত কমেন্ট করে জানান অনুরোধ করলাম)


এডিট ডিলিট প্রিন্ট করুন  অভিযোগ করুন     

গল্পটি পড়েছেন ২৩৬ জন


এ জাতীয় গল্প

→ পাপাচারী জমজম
→ নারী ও শিশু পাচার
→ মেধা শূন্য পৃথিবী
→ মেধাপু

গল্পটির রেটিং দিনঃ-

গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করুন

গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করতে আপনার একাউন্টে প্রবেশ করুন ... ধন্যবাদ...