যাদের গল্পের ঝুরিতে লগিন করতে সমস্যা হচ্ছে তারা মেগাবাইট দিয়ে তারপর লগিন করুন.. ফ্রিবেসিক থেকে এই সমস্যা করছে.. ফ্রিবেসিক এ্যাপ দিয়ে এবং মেগাবাইট দিয়ে একবার লগিন করলে পরবর্তিতে মেগাবাইট ছাড়াও ব্যাবহার করতে পারবেন.. তাই প্রথমে মেগাবাইট দিয়ে আগে লগিন করে নিন..

সুপ্রিয় গল্পের ঝুরিয়ান গন আপনারা শুধু মাত্র কৌতুক এবং হাদিস পোস্ট করবেন না.. যদি হাদিস /কৌতুক ঘটনা মুলক হয় এবং কৌতুক টি মজার গল্প শ্রেণি তে পরে তবে সমস্যা নেই অন্যথা পোস্ট টি পাবলিশ করা হবে না....আর ভিন্ন খবর শ্রেনিতে শুধুমাত্র সাধারন জ্ঞান গ্রহণযোগ্য নয়.. ভিন্ন ধরনের একটি বিশেষ খবর গ্রহণযোগ্যতা পাবে

ভুতের উৎপাত

"ভৌতিক গল্প " বিভাগে গল্পটি দিয়েছেন গল্পের ঝুরিয়ান Md. Akash (৪১ পয়েন্ট)



আমার মা বাবার বিয়ের পর বাবার কিনে রাখা এক খন্ড জমিতে ঘর বানিয়ে থাকতে শুরু করল। আর আমাদের বাড়ি টা ছিল একেবারে জনমানবশুন্য এক এলাকায় যার চারপাশে ছিল খুব গাছগাছালি। মূলত বাশবন বেশি ছিল। তো আব্বু ব্যবসার কাজে বেশিরভাগ সময় বাড়িতে থাকতেন না। আমার মা একাই ওরকম জঙ্গলে ঘেরা বাড়িতে থাকতো। একদিন মা জমির এক পাশে একটা কবর দেখতে পেল। অনেক দিন আগের কবর। তো মা অনেক ভয় পেয়ে গেল।আব্বুকে মা এই ব্যাপারে জিজ্ঞেস করাতে আব্বু বলল ভয় পাওয়ার দরকার নাই। কবরের এই লোকটা অনেক ভাল মানুষ ছিলেন। পরহেযগার মানুষ। তো একদিন মা ওই কবরের পাশে গেলেন গিয়ে কবরের চারপাশে খুব সুন্দর করে পরিষ্কার করে ফুলের গাছ লাগিয়ে দিলেন যেন অসাবধানতা বশত কবরটা যেন অবমাননা না হয়। সেদিন রাতে মা স্বপ্নে দেখলেন সাদা লম্বা দাড়ি ওয়ালা জুব্বা পরা একজন লোক মাকে বলছে "মা তোমার ভয় নেই, সাহস রাখো আল্লাহ্‌র রহমতে কোনো বিপদ তোমাকে স্পর্শ করতে পারবে না" । এরপর থেকে মার কেমন যেন সাহস বেড়ে গেল। মা মাঝে মাঝেই বাড়ির পাশে পুকুরের পানির উপর ওই লোককে নামাজ পরতে দেখতে পেত। অনেক দিন পর, যখন আমার বড় ভাই জন্মায়। তো একদিন মা কাজ করছিল হঠাৎ এক জন লোক আসে যিনি নতুন লুঙ্গি, নতুন জামা, নতুন গামছা গায়ে দিয়ে এসে আমার ভাইয়ের পাশে বসে। মা কিছুটা অবাক হয়। উনাকে চিনতে পারে না।কিন্ত মা নানির কাছে শুনেছিল এরা একপ্রকার জিন যারা মানুষের বাচ্চাদের মেরে ফেলতে আসে। তো মা কোনো কিছু না ভেবেই ওই লোকটাকে ঝাডু দিয়ে মারতে শুরু করে দেই। তিনবার মারতেই লোকটার চোখ হঠাৎ রক্তের মত লাল হয়ে যায়। মা সাহস হারায় না। মা মেরেই যায় একপর্যায়ে লোকটা নাকে কথা বলতে শুরু করে বলে যে তোকে আর তোর ছেলেকে কেউ বাচাতে পারবে না। আমি আবার আসবো বলেই লোকটা বিড়াল হয়ে চলে যায়। বলে রাখা এই ঘটনা ঘটেছে দিনের বেলা যদিও বাড়িতে এত গাছ যে ভরদূপূর কে মনে হচ্ছে সন্ধ্যা। তো এর কিছুদিন পর মা স্বপ্নে দেখে ওই বিড়ালটা মাকে আক্রমণ করছে কিন্তু মার সাথে কিছুতেই পারছে না। তারপর দিন স্বপ্নে দেখলো একটা বাঘ হয়ে এসেছে শয়তানটা। তো অনেক ধস্তাধস্তির পর বাঘটাও মার কাছে হার মানে। পরদিন সকালে মা তার শরীরে খুব ব্যাথা অনুভব করে। বলে রাখি আব্বু তখন 1 সপ্তাহ বাইরে ছিল কাজে। আর কাছে ফোন ও ছিল না। তারপর সন্ধ্যা বেলায় মা ঘরে বসে হঠাৎ ওই শয়তানটা তার আসল রূপে এসে জানালা দিয়ে হাত বড় করে মার গালে একটা চর মারে আর বলে এবারকার মত বেচে গেলি। মা ওর শুধু হাতটাই দেখতে পেয়েছে। লোমশ কালো হাত। তারপর মার বেশকিছুদিন জ্বর ছিল।। এরপর থেকে মার সাথে আর কোনো ঘটনা ঘটে নি।কিন্ত মাঝে মাঝে মা পাশের গাছথেকে মাটি পরার শব্দ আরও অনেক কিছুর আভাস পেত।। তখন মা দোয়া দোরূদের সাথে শুধু একটা কথা বলতো "তোর কাজ তুই কর, আমার কাজ আমি করি।" এটা বলার পর সবকিছু ঠিকঠাক হয়ে যেত। জিন আমাদের সাথে পাশে থাকে ওদের ক্ষতি বা ডিস্টার্ব না করলে ওরাও আমাদের কোনো ক্ষতি করবে না এমনটাই মা বিশ্বাস করে


এডিট ডিলিট প্রিন্ট করুন  অভিযোগ করুন     

গল্পটি পড়েছেন ২০৫৯ জন


এ জাতীয় গল্প

→ ভুতের খুন
→ ভুতের ভয়
→ ভুতের বিয়ে
→ ভুতের কবলে এক রাত
→ ভুতের রাত
→ ভুতের সাথে সংসার Last part
→ ভুতের সাথে সংসার part 5
→ ভুতের সাথে সংসার part 4
→ ভুতের সাথে সংসার part 3

গল্পটির রেটিং দিনঃ-

গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করুন

গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করতে আপনার একাউন্টে প্রবেশ করুন ... ধন্যবাদ...