সুপ্রিয় গল্পের ঝুরিয়ান ... গল্পেরঝুড়ি একটি অনলাইন ভিত্তিক গল্প পড়ার সাইট হলেও বাস্তবে বই কিনে পড়ার ব্যাপারে উৎসাহ প্রদান করে... স্বয়ং জিজের স্বপ্নদ্রষ্টার নিজের বড় একটি লাইব্রেরী আছে... তাই জিজেতে নতুন ক্যাটেগরি খোলা হয়েছে বুক রিভিউ নামে ... এখানে আপনারা নতুন বই এর রিভিও দিয়ে বই প্রেমিক দের বই কিনতে উৎসাহিত করুন... ধন্যবাদ...

সুপ্রিয় গল্পের ঝুরিয়ান গন আপনারা শুধু মাত্র কৌতুক এবং হাদিস পোস্ট করবেন না.. যদি হাদিস /কৌতুক ঘটনা মুলক হয় এবং কৌতুক টি মজার গল্প শ্রেণি তে পরে তবে সমস্যা নেই অন্যথা পোস্ট টি পাবলিশ করা হবে না....আর ভিন্ন খবর শ্রেনিতে শুধুমাত্র সাধারন জ্ঞান গ্রহণযোগ্য নয়.. ভিন্ন ধরনের একটি বিশেষ খবর গ্রহণযোগ্যতা পাবে

জানি দেখা হবে-১৫

"রোম্যান্টিক" বিভাগে গল্পটি দিয়েছেন গল্পের ঝুরিয়ান ♥Imran khan♥ (৪৩৬ পয়েন্ট)



#জানি_দেখা_হবে Imran khan #Part_15 .. মা আকাশের দিকে কিছুটা রাগী চোখে তাকিয়ে বললো.. - এখন কি এই কথাটা বলার জন্য তোকে একটা বউ এনে দিতে হবে? - এই না না.. এটা কখন বললাম। - খাবি তুই? - খাচ্ছি। মুখে ভেংচি কেটে বললো আকাশ... .. সারাদিন অফিস করে রাত ১১ টায় বাসায় ফিরলো ধ্রুব। দরজার সামনে এসে কখন থেকে কলিংবেল বাজাচ্ছে তো বাজাচ্ছে। কিন্তু কারো কোনো সাড়া পেলোনা। ধ্রুবর মা শুয়ে ছিলো আর ধ্রুবর বাবা বিছানায় হেলান দিয়ে বসে কি যেনো পরছিলো। কলিংবেলের আওয়াজ পেয়ে ধ্রুবর বাবা ওর মাকে বললো.. - কিগো, ছেলেটা মনে হয় এসেছে, যাও দরজাটা খোলে দিয়ে আসো। - আমি যাবো কেন? ওর বউ আছে কি করতে? ধ্রুবর বাবা চোখ থেকে চশমাটা খুলে বেড সাইডের টেবিলের রাখতে রাখতে বললো.. - দেখো, যা হয়েছে সবটাই অন্যায় হয়েছে। খুবই খারাপ হয়েছে। তাই বলে রাগ করে এতো রাতে ছেলেটাকে বাইরে দাড় করিয়ে রাখবে? - এতোই যদি দরদ থাকে তাহলে তুমি গিয়ে খোলে দাও। ধ্রুবর বাবা আর কিছু না বলে নিজেই উঠে পা বাড়ালেন দরজাটা খোলে দিতে। পিছন থেকে ধ্রুবর মা বললেন.. - হয়েছে হয়েছে, আর দরদ দেখানোর দরকার নেই। আমিই যাচ্ছি। . দরজাটা খোলে দিয়ে চলে আসতে লাগলেন ধ্রুবর মা। ধ্রুব দরজাটা লাগিয়ে বললো.. - এতো রাতে তুমি কেন উঠে আসতে গেলে মা? - এখন তো আর তারা নেই, তাই আমাকেই আসতে হয়েছে। বেশ রাগী কন্ঠে বললেন ধ্রুবর মা। মায়ের কথার কোনো প্রতিউত্তর করেনি ধ্রুব। মা নিজের রুমে চলে গেলে ধ্রুব চলে গেলো রুমে। তুরিন শুয়ে শুয়ে ফোনে কি যেনো করছে। ধ্রুব বললো.. - তুমি সজাগ? - হ্যাঁ কেন? মোবাইলের দিকে তাকিয়ে বললো তুরিন। - কখন থেকে বেল বাজাচ্ছি শুনতে পাও নি? - পেয়েছি। - দরজাটা খোলে দিলেনা কেন? - আজব, আমি কেন খোলতে যাবো দরজা? আমি কি বাসার মেইড নাকি? তুরিনের কথায় রেগে গেলো ধ্রুব। বললো.. - আমার মা কি তাহলে মেইড? তুমি এখনো সজাগ তাও এতো রাতে মাকে কেন উঠে গিয়ে দরজাটা খোলতে হয়েছে? চেচিয়ে বললো ধ্রুব। - সেটা তোমার মাকে গিয়েই জিজ্ঞাসা করো। আমার সাথে চেচাতে আসবেনা। ধ্রুব রেগে গেলো, তাও নিজেকে সংযত রেখে ওয়াশরুমে গেলো ফ্রেশ হতে। ওয়াশরুম থেকে এসে ভাবলো..আর রাগারাগি করবে না। তাই এসে পিছন থেকে তুরিনকে জড়িয়ে ধরলো ও। তুরিন রাগি গলায় বললো.. - ছাড়ো আমাকে। - প্লিজ, রাগ করোনা। এমনিতেই সারাটা দিন অফিসে থাকতে হয়। কাজের এতো চাপ তাই এতো রাতেও কাজ করতে হয়। মাথা ঠিক থাকেনা। তাই মুখে যা আসে তাই বলি। তুরিন কিছু বললো না। ধ্রুব বললো.. - চলো খেয়ে নেই। তুরিন হেসে দিয়ে বললো.. - তুমি কি পাগল হয়ে গেছো নাকি? ধ্রুব কপাল কুঁচকে বললো.. - মানে? - কতো রাত হয়েছে দেখেছো? আমি কি এখনো খাওয়ার বাকি আছি? - খেয়ে নিয়েছো তুমি? - অনেক আগেই। - ওহ, তারা আমার আগে কখনোই খেতো না তো। রাতে ২/৩ টা বাজলেও আমার জন্য অপেক্ষায় থাকতো। আমি এসে খেলে তারপর খেতো, কখনো বা খেতোই না। তাই ভাবলাম তুমিও হয়তো আমার আসার অপেক্ষায় না খেয়ে ছিলে। আনমনা হয়ে বললো ধ্রুব। ধ্রুবর কথায় তুরিন ওর দিকে বাকা দৃষ্টিতে তাকালো। বললো.. - তারার নাম! তাও তোমার মুখে? তুরিনের কথায় হুশ ফিরলো ধ্রুবর। কিন্তু কিছু বললো না। ডাইনিং এ গিয়ে খাওয়া শুরু করলো ও। ধ্রুব খাচ্ছে। খেতে খেতে যখন সামনের চেয়ারের দিকে তাকালো.. তখন চমকে গেলো ও। তারা ওর সামনে বসে আছে আর একদৃষ্টিতে ধ্রুবর দিকে তাকিয়ে আছে। ধ্রুব বললো.. - তুমি? তুমি কখন এলে? তারা কিছু বললো না। ধ্রুব আবারও বললো - কোথায় গিয়েছিল তুমি? কথা বলছোনা কেন? কথাটা বলতে বলতেই তারা কোথায় যেনো মিলিয়ে গেলো। ধ্রুব খাওয়া রেখে চারপাশে চোখ বুলাতে লাগলো। হয়তো তারাকে খোজছে। যখন পেলোনা, তখন আশাহত নয়নে প্লেটের দিকে তাকালো। কেন জানি খুব একা লাগছে ধ্রুবর। তারা যখন ছিল তখন তো এমন মনে হতো না। কিভাবেই বা একা মনে হবে, তখন যে তারা সর্বক্ষণ ধ্রুবর পাশে পাশে থেকেছে। কখন কি করবে ,কি লাগবে সেটার খোজ নিয়েছে। কিন্তু তুরিন তো এমন করেনা। কেন করেনা? ওর তো আরও বেশি করার দরকার ছিলো। কারণ এরা ভালোবেসে বিয়ে করছে। কেন জানি আজ তারার কথা খুব মনে পরছে। খেতে ইচ্ছে করছে না। প্লেটে হাত ধুয়ে রুমে চলে গেলো ধ্রুব। . তুরিন এখনো ফেইসবুকিং করছে । মেয়েটা পারেও এইসব। কতো করে বলেছি, আমি থাকলে আর কিছুই যেনো নাহয়। কিন্তু কে শোনে কার কথা। ধ্রুব আস্তে আস্তে গিয়ে তুরিনের পাশে শুয়ে খপ করে ফোনটা নিয়ে নিলো। তুরিনের কলিজাটা যেনো নেড়ে উঠলো। এই বুঝি সব দেখে ফেলে ধ্রুব। কিন্তু নাহ, ফোনটা নিয়ে বেড সাইটের টেবিলে রেখে তুরিন কে জড়িয়ে ধরলো ধ্রুব। তুরিন একটা স্বস্তির নিশ্বাস ফেলে বললো.. - এতো তাড়াতাড়ি খাওয়া শেষ তোমার? - একা একা খেতে ইচ্ছা করছিলোনা, তাই চলে এসছি। - ওহ.. - তুরিন শুনো. - শুনছি। বলো কি বলবে? - সারাদিন তো তুমি বাসায় একা থেকে বোর হও, তাই বলছি কি.. - কি? বলো.. - আমরা কি দুজন থেকে তিনজন হতে পারিনা? তুরিন কপাল কুঁচকে বললো.. - মানে? কি বলবে সোজাসুজি বলো। - আমার একটা বাবু লাগবে। বুঝেছো এখন? - অসম্ভব। ধ্রুব অবাক হয়ে বললো.. - কি বলছো? তুমি মা হতে চাও না? তুরিন একটা হাসি দিয়ে বললো.. - পাগল নাকি তুমি? আমার এইসবের প্রতি কোনো ইন্টারেস্ট নেই। আর তাছাড়া, বেবী নিলে আমার বডির সৌন্দর্য নষ্ট হয়ে যাবে তো। আমার এতো সুন্দর বডির সুন্দর্য নষ্ট হোক সেটা আমি চাইনা। তুরিনের কথায় ধ্রুব কি বলবে বুঝতে পারছে না। কোনো মেয়ে কিভাবে এইসব কথা বলতে পারে? .. কয়েকদিন পার হয়ে গেলো। খুব চিন্তিত অবস্থায় তারা বসে আছে। আন্টি কিচেন থেকে এক গ্লাস দুধ নিয়ে এসে তারাকে দিলো। তারা বললো.. - আপনাদের অনেক ঝামেলায় ফেলে দিলাম। - কি যে বলিস তুই, ঝামেলা কেন হতে যাবে? আমাদের বরং ভালোই লাগছে। আশা বাসায় থাকে না। ওর অভাব টা তুই পুরন করছি। - মা একদম ঠিক বলেছে। পাশ থেকে সীমা বলতে বলতে এগিয়ে এলো ওদের দিকে। তারা হেসে বললো.. - আপনারা আমার জন্য অনেক করেছেন। আপনারা আমাকে সাহায্য না করলে কি যে হতো। - এতো ভাবিস না তো। - আরেকটা কাজ করে দিবেন আমাকে? - কি কাজ বল? - আপনাদের তো অনেক বড় কোম্পানি। আমাকে যদি ওখানে একটা কাজ দিতেন। - এই অবস্থায় তুই কাজ করবি কিভাবে? - আমি পারবো। আর ওকে নিয়ে তো সবসময় আপনাদের এখানে থাকতে পারবনা। আমার তো কিছু একটা করতে হবে। পেটের দিকে তাকিয়ে বললো তারা। আন্টি হেসে দিয়ে বললো।। - ঠিকআছে, আজ আকাশ আর আহাদ ফিরক.. তারপর কথা বলে দেখবো কি বলে। তারা একটা কৃতজ্ঞতার হাসি দিলো। .. রাতে আকাশ আর আহাদ আসলে খাওয়া দাওয়ার পর মা ওদের সাথে কথা বলতে বসে। - কি বলবে মা? (আহাদ) - তারা বলছিলো আমাদের অফিসে ওকে একটা জব দেওয়ার জন্য। - ওর জবের কি প্রয়োজন? আর ওর শরীর ও এখন ভালোনা। - আমিও সেটাই বলেছিলাম। কিন্তু ওতো ফিউচার নিয়ে টেনশনে আছে। - তুমি তারাকে ডাকোতো। সীমাকে উদ্দেশ্য করে বললো আহাদ। সীমা গিয়ে তারাকে নিয়ে আসলো। আকাশ একদৃষ্টিতে তাকিয়ে আছে তারার দিকে। মেয়েরা কন্সিভ করলে নাকি ওদের সৌন্দর্য বাড়ে। তারাকেও বেশ সুন্দর লাগছে আকাশের কাছে। তারা এসে আকাশের মায়ের পাশে বসলো। আহাদ বললো .. - বসো এখানে। - না ঠিকআছে, আপনি বলুন। - তুমি নাকি জব করতে চাইছো? - হ্যাঁ। নিচের দিকে তাকিয়ে বললো তারা। - কিন্তু কেন? এখানে কি তোমার কোনো অসুবিধা হচ্ছে? অসুবিধা হলে আমাকে বলো। - এখানে তো আমি অনেক সুখে আছি। অসুবিধা হবে কেন। - তাহলে জবের চিন্তা মাথা থেকে নামাও। তোমার শরীর এখন সুস্থ না। এখন জব করলে ক্ষতি হতে পারে। - কিন্তু .. - কোনো কিন্তু না। কখনো যদি মনে হয় তোমার জবের প্রয়োজন, তখন আমি নিজে তোমাকে জব দিবো। কিন্তু এই অবস্থায় কোনোভাবেই না। তারা কি বলবে বুঝতে পারছে না। আজও যে এতো ভালো মানুষ আছে জানা ছিলোনা ওর। .. ধ্রুবদের বাসায় তিনটা বাথরুম। একটা ধ্রুবর রুমে এটাচ, আরেকটা ধ্রুবর বাবা মায়ের রুমে এটাচ করা। আরেকটা আছে একদম কর্ণারে, ওটা এক্সট্রা। ধ্রুবর বাবা ওয়াশরুমে থাকায় ধ্রুবর মা ওই কর্ণারের ওয়াশরুম টায় গেলো। ওয়াশরুম থেকে ফিরে আসার জন্য পিছনে ঘুরে আসতে গিয়েই কি যেনো একটা দেখে দাড়ালো। আস্তে আস্তে ওয়াশরুমের কর্ণারে বক্সটার দিকে এগিয়ে গেলো। ভালোকরে পরখ করে কিছুক্ষন স্টিকটা দেখলো। আচমকাই চোখগুলো খুশিতে জ্বলজ্বল করতে লাগলো। স্টিকটা হাতে নিয়ে তারাতাড়ি করে বাইরে বেরিয়ে এলো ধ্রুবর মা। ধ্রুবকে জোরে জোরে ডাকতে লাগলেন উনি। মায়ের ডাকে রুম থেকে বেরিয়ে এলো ধ্রুব। - কি হয়েছে মা? - তোর বউকে ডাক। হাসিমুখে বললেন উনি। মায়ের মুখের হাসি আর তুরিনকে ডাকার কথা শুনে কিছুটা অবাক হলো ধ্রুব। কারণ তুরিন এই বাসায় আসার পর থেকে তুরিনকে ডাকা তো দুরে থাক, ওর নামটা পর্যন্ত শুনতে পারেনা মা। আর সেই মা কিনা ওকে ডাকতে বলছে তাও হাসিমুখে। ধ্রুব বেশ কৌতূহল নিয়ে বললো.. - কিছু হয়েছে মা? ও এসে কি করবে? - তোর বউ যে কনসিভ করেছে সেটা আমাকে আর তোর বাবাকে জানাস নি কেন? জানিস তোর বাবা এটা শুনলে কতো খুশি হবে? মায়ের কথায় ধ্রুব বেশ অবাক হয়ে গেলো। কিছুদিন আগেই বাচ্চার কথা শুনে বাজে রিয়েক্ট করেছিলো তুরিন। আর ও কনসিভ করেছে ভাবতেই পারছেনা ধ্রুব। - কিরে, কি ভাবছিস? মায়ের ডাকে হুশ ফিরলো ধ্রুবর। ধ্রুব বললো. - কে বলেছে তোমাকে মা ও কনসিভ করেছে? - এই দেখ, প্রেগন্যান্সি স্টিকটাকে স্পষ্ট দেখা যাচ্ছে ও প্রেগন্যান্ট। . ধ্রুবর খুশি দেখে কে। ও তারাতাড়ি রুমে চলে গেলো। তুরিন ড্রেসিং টেবিলের সামনে বসে মাথার চুল ঠিক করছিলো। ধ্রুব তুরিনকে পিছন থেকে গিয়ে জরিয়ে ধরলো। তুরিন খানিকটা বিরক্ত হয়ে বলল... - উফফফ ছাড়ো তো। সবসময় এইসব ভালো লাগেনা। - এতো বড় একটা সংবাদ আমার থেকে লুকালে কেন? লজ্জা পাচ্ছিলে বলতে? তুরিন অবাক হয়ে বললো.. - কিসের সংবাদ? - এই যে, আমি বাবা হতে যাচ্ছি আর তুমি মা.. - কি সব ফালতু বকছো বলোতো। সবসময় কানের কাছে এইসব নিয়ে ঘ্যানর ঘ্যানর করো কেন বলোতো? ধ্রুব অবাক হয়ে বললো.. - তুমি কনসিভ করোনি? - নাহ। তুরিনের কথায় ধ্রুব কিছুক্ষন থমকে দাড়িয়ে থেকে বাইরে চলে গেলো। মা এখনো আগের জায়গাতেই দাড়িয়ে আছে। - কিরে, বউমা এলোনা? - তুমি এটা কোথায় পেয়েছো মা। - ওই ওয়াশরুমে। এক্সট্রা ওয়াশরুমটা দেখিয়ে বললেন উনি। - কিন্তু ওখানে তো তুরিন যায়না। ধ্রুবর মা খানিকটা চুপ বললো - ও কনসিভ করেনি? - নাহ। দীর্ঘশ্বাস ছেড়ে বললো ধ্রুব। - তাহলে এটা ওখানে এলো কিভাবে? ধ্রুব কিছুক্ষন চুপ থেকে কি যেনো ভাবলো হটাৎ বললো.. - ওই ওয়াশরুমটা তো তারা use করতো মা। মা অবাক হয়ে বললো.. - ও ওখানে যাবে কেন? রুমেই তো তোর ওয়াশরুম আছে। - আমি ওকে মানা করেছিলাম যেনো আমার কোনো জিনিসে হাত না দেয় আর.. - আর কি? উৎকন্ঠা হয়ে বললেন মা। - আর আমি ওকে মানা করেছিলাম যেনো আমার ওয়াশরুমে না যায়। ধ্রুবর মায়ের মাথায় বাজ পরলো। একি বলছে তার ছেলে। কিছুক্ষন চুপ থেকে শান্ত গলায় তখনই ধ্রুব বললো.. - তারা প্রেগন্যান্ট ছিলো, আর আমি জানতেও পারলাম না?? মা ধ্রুবর দিকে তাকালো। ধ্রুবর চোখদুটো ছলছল করছে পানিতে। দেরিতে হলেও এই প্রথম ধ্রুবর চোখে তারার জন্য কিছু দেখতে পাচ্ছে মা। . To be Continued ......


এডিট ডিলিট প্রিন্ট করুন  অভিযোগ করুন     

গল্পটি পড়েছেন ৩৬৪ জন


এ জাতীয় গল্প

→ হাদিসের আলোকে লোক দেখানো আমলের ভয়াবহ পরিণতি
→ স্বপ্নে দেখা দিলেন রাসূল সা.
→ জানি দেখা হবে-২১
→ জানি দেখা হবে-১৯
→ জানি দেখা হবে-১৮
→ জানি দেখা হবে-১৭
→ জানি দেখা হবে-১৬
→ জানি দেখা হবেে-১৪
→ জানি দেখা হবে-২০

গল্পটির রেটিং দিনঃ-

গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করুন

গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করতে আপনার একাউন্টে প্রবেশ করুন ... ধন্যবাদ...