যারা একটি গল্পে অযাচিত কমেন্ট করছেন তারা অবস্যাই আমাদের দৃষ্টিতে আছেন ... পয়েন্ট বাড়াতে শুধু শুধু কমেন্ট করবেন না ... অনেকে হয়ত ভুলে গিয়েছেন পয়েন্ট এর পাশাপাশি ডিমেরিট পয়েন্ট নামক একটা বিষয় ও রয়েছে ... একটি ডিমেরিট পয়েন্ট হলে তার পয়েন্টের ২৫% নষ্ট হয়ে যাবে এবং তারপর ৫০% ৭৫% কেটে নেওয়া হবে... তাই শুধু শুধু একই কমেন্ট বারবার করবেন না... ধন্যবাদ...

সুপ্রিয় গল্পের ঝুরিয়ান গন আপনারা শুধু মাত্র কৌতুক এবং হাদিস পোস্ট করবেন না.. যদি হাদিস /কৌতুক ঘটনা মুলক হয় এবং কৌতুক টি মজার গল্প শ্রেণি তে পরে তবে সমস্যা নেই অন্যথা পোস্ট টি পাবলিশ করা হবে না....আর ভিন্ন খবর শ্রেনিতে শুধুমাত্র সাধারন জ্ঞান গ্রহণযোগ্য নয়.. ভিন্ন ধরনের একটি বিশেষ খবর গ্রহণযোগ্যতা পাবে

হৃদয়ের মাঝখানে-১

"রোম্যান্টিক" বিভাগে গল্পটি দিয়েছেন গল্পের ঝুরিয়ান Imran khan (৩৫১৪ পয়েন্ট)



হৃদয়ের মাঝখানে . পার্ট-০১ . উপমা :ওই তোর কি হইছে রে,, কি হইছে শুনি,,, সকালের ঘুমটা নষ্ট করলি কেন? (রাগি কণ্ঠে) নিঝুম :তোর ঘুম নষ্ট হইলো …… আর আমার জিবনটা নষ্ট হবার পথে,, (কান্না কণ্ঠ নিয়ে) উপমা :তোর জিবন নষ্ট হবার পথে মানে? নিলা :হে ও কখন থেকে এটাই বলে যাইতেছে, কিন্তু জিবন কোন দিক দিয়া নষ্ট হইছে সেটাই তো বলে না, আর তাই তোরে Campus এ ডাকা। উপমা :ওই নিঝুম বলনা কি হইছে তোর,, তুই কান্না করছ কেন? নিঝুম :……….(নিশ্চুপ) উপমা :তুই না বললে আমরা বুঝবো কিভাবে তোর কি হইছে,,, নিঝুম কান্না থামা আর বলনা কি হইছে, (একটু চিল্লায়ে) নিলা :বলনা নিঝুম কি হইছে,, তোর কান্না দেখলে আমাদের কি ভালো লাগে বল,, এখন কিন্তু আমরাও কান্না করে দিবো! নিঝুম :………..(নিশ্চুপ কান্না করেই যাচ্ছে) উপমা :ও…হ তুই এভাবে কথা বলবি না না,,, দাড়া তোকে আজকে,, এই নিলা গানটা শুরু করতো,, নিলা :হুম, শুরু কর…….. উপমা :ও মাইয়া রে……….. বলার আগেই নিঝুম চুপ করাই দিছে,, নিঝুম :ওই চুপ,, তোরা কি মাইয়া না পোলা,, উপমা :আমরা পোলা না মাইয়া তুই দেখছ না, এই নিলা আমগো নিঝুম যে অন্ধ হইছে তুই আমারে একটা বারও জানাইচছ,, কেমন বন্ধ রে তুই? নিলা :আমি কেমনে জানমো …….. আমি তো এখন তোর থেকে শুনছি! নিঝুম :এই একদম ফাইজলামি করবি না বলে দিলাম,, তোরা মেয়ে হয়ে মেয়েরে কীভাবে অপরাধী বলতে পারছ! উপমা :No Darling, আমরা মেয়েদের অপরাধী বলিনা,, তোমাকে Just চেতানোর জন্য এটা বলি,,, আমি বাসা থেকে কিছু খেয়ে আসি নাই চল কেন্টিনে যাই,, আর তোর কি হইছে সেটাও শুনি,, নিঝুম :তোর তো খাওয়া আর ঘুম ছাড়া কোনো কাজ নাই,,, আঙ্কেল তোরে সম্পূন স্বাধীনতা দিয়ে দিছে যা খুশি তাই করতে পারছ। আর আমার Anger বাবা ওনার জন্য তো কিছুই করা যায় না। আর কথা না বাড়িয়ে চল কেন্টিনে,, তিন জনে চলে গেল কেন্টিনে …….. উপমা :এই তোরা কিছু খাবি? নিলা :আমার জন্য একটা ভার্গার আর জুস অডার দে,, নিঝুম :আমি কিছু খাবো না,,,, উপমা :হে আপনি কিছু খাবেন না, আর যখন আমরা খাই তখন আপনি আমাদের দিকে তাকিয়ে থাকেন, আর আমাদের পেটে ডুকে যান ……… আর আমাদের অসুখ হোক তাই না! নিলা :হুম ঠিক বলচছ,, আমরা যেন অসুস্থ হই ওনি তো তাই চায়! নিঝুম :তোদের খিদা লাগছে তোরা খা না আমারে কেন জালাছ………(রেগে গিয়ে) উপমা :ok, এই মামা দুইটা ভার্গার আর দুইটা জুস আনেন,,, হুম এবার বলতো তোর কি হইছে (দু হাত পিছনে চেয়ারের উপর দিয়ে মাথা রেখে) নিঝুম :বাবা আবার আরেকটা বিয়ে ঠিক করছে! উপমা :ও ভালোই তো একটা বিয়ের দাওয়াত পাইলাম,, কি আঙ্কেল তোর আরেকটা বিয়ে ঠিক করছে পাগল নাকি (হুশে পিরে এসে) নিলা :What, আঙ্কেল এর মাথায় এই বিয়ের ভূত কই থাইকা চাপছে! নিঝুম :জানিনা, প্লিজ দোস্ত তোরা কিছু কর …… আমি বাবাকে বলছি আমার 3rd year Semester টা শেষ হোক তারপর ভাববো বিয়ের কথা কিন্তু তা না বাবা বিয়ের জন্য পাগল করে পেলছে …….. বলনা আমি কি করবো? উপমা :Don’t Worry Darling, No চিন্তা আমি থাকতে এতো Tension করো কেনো? আগের বারে একটারে টাইট দিলাম না মনে আছে ……… এইবার এটাকে ও একটু অন্য রকম ভাবে দিবো ……… তোমরা তো জানো আমার খেলে মাথায় বুদ্ধি আসে,, সেহেতু আমি খাই আর দেখি কি বুদ্ধি মাথায় আসে ……… .. .. এইতো মামা খাবার নিয়ে আসছে …… উপমা খেতে খেতে তার মাথায় একটা বুদ্ধি আসলো,, উপমা :এই আমার মাথায় একটা Idiea আসছে? (নিঝুমের দিকে তাকিয়ে) . নিঝুম :কি আইডিয়া তারাতারি বল……..? উপমা :আগে বল ছেলে তোর সাথে কোনদিন দেখা করবে? (খাবার খেতে খেতে) নিঝুম :কালকে,,, উপমা :তাহলে কালকেই না হয় প্লেনটা বলি,, আর কালকে আমি তোকে যা যা বলবো তাই করবি ঠিক আছে,, এখন চল ক্লাসে যাই,, নিলা :হুম, চল! তিনজনেই কেন্টিন থেকে ক্লাসে যাওয়ার উদ্দেশে রওনা হলো,,, উপমা :ওই নিধির বাচ্চা,, তোর মুখটা শুকাই এমন পেঁচার মতো করে রাখচছ কেন? নিধি :আমার যায়গায় তুমি থাকলে বুঝতে আপু,,, আমি কেন এমন করে আছে,,, উপমা :ও আচ্ছা তাই নাকি তো বল দেখি তোর কি হইছে,, নিধি :আপনাদের ক্লাসের সামনে চলেন আপু, এখানে অনেক রিস্ক আছে,,, উপমা :আচ্ছা, চল দেখি? হুম এবার বল তুই কেন এভাবে রইচছ,,(ক্লাসের সামনে এসে) নিধি :আপু ওই যে আমাদের ভার্সিটির সামনে একটা ছেলে আছে না,, বাইক নিয়া বসে থাকে,,, মিন্টু ওই ছেলেটা অনেক খারাপ অনেক বাজে,,, নিঝুম :ও কি কিছু করছে তোরে? নিধি :আপু ও আমারে রোজ Distrube করে,, বাসায় যাওয়ার সময় অনেক খারাপ কথা বলে,, আজকে ও আমার ওরনা ধরে টান দিছে কিছু ছেলের সামনে রাস্তায়,, আপু রোজ রোজ আমার সাথে এইসব করে,, মা -বাবাকে ও কিছু বলতে পারিনা! যদি বাবা প্রতিবাদ করতে গিয়ে ওই গুন্ডা ছেলেরা বাবার কিছু করে বসে। উপমা :হুম, ঠিক বলছচ,, তুই ভাবিস না এই আপু থাকতে তোর কিছ্ছু হতে দিবে না,,, তুই মন দিয়ে পড়াশুনা কর, আর ওই ছেলে গুলারে দেখে ভয় পাসনা, যতদিন তোদের এই আপু এই ভার্সিটিতে আছে, ততদিন এই ভার্সিটির একটা ছেলে মেয়েকেও কিছু হতে দিবে না,, নিলা :আজ্ঞে মহারাজ,, Sorry Mistake মহারানী,, আপনি তো আমাদের সবকিছু এই পযন্ত একটা কিছুও হতে দেন নাইই ভার্সিটিতে,, নিজের বাচ্চাদের মতো আগলাই রাখছেন,,, উপমা :ওই চুপ,, প্রতিদিন তোর এই এক ভাষন শুনতে শুনতে আমার কানটা পচা হই গেছে! নিধি :আপু পচা হয় কিভাবে? উপমা :হু …….. হয় আরকি একভাবে তুই যা ক্লাসে,, নিধি :হুহু,,, নিধি চলে গেল …… উপমা :মন্টু তোর জন্য আমি ভালো দেখে একটা যন্ত্র খুজে আনতেছি,, মেয়েদের ডিস্টার্ব করা তোকে জন্মের মতো ভুলাই দিবো দেখিস তুই,, হি……….হি…………হি.(শয়তানি হাসি দিয়ে) নিলা :তুই কিন্তু ওর সামনে আমারে এই ভাবে বলে ঠিক করছ নাই,, আমার মান সম্মান সব টাকে উঠাস তুই সব সময়,, আল্লাহ তোর বিচার করবো,, তোর কপালে একটা Angry Husband দিবো এটা মনে রাখিস (নেকা কান্না করে) উপমা :রাক্ষসির আবার মান সম্মান আছে নাকি,, নেকা কান্না বন্ধ কর আর ক্লাসে ডুক! উপমা, নিলা, নিঝুম ওরা ক্লাস শেষে বাসায় যাওয়ার উদেশ্যে রওনা দিলো……….. উপমা :ওই বান্দরীরা ওই দিকে কই যাস……. নিঝুম :রিকশা খুজতে,, তুই যাবিনা বাসায়? উপমা :গাড়ি যে পার্কিং করে রাখছি তোরা দেখছ না! নিলা :Wow, তুই গাড়ি আনচছ,, আগে বললেই তো পারতি,, এতক্ষণ রিকশার জন্য Wait না করতাম,, উপমা :এ….ই আমি কি তোর বেতন দেওয়া পিওন যে খবর টা কানে দিয়ে আসবো,, চোখ কই নিয়া হাটছ…….. নিলা :তুই কেন আমার সাথে এমন ভাবে কথা বলিস একটু সাভাবিক ভাবে বলতে পারছ না! উপমা :গাড়িতে উঠ পরে কথা বলিস,, নিলা :এই ঠিক এই ভাবে বলতে পারিস না, আহা …….কি মধুর কণ্ঠ শুনলে পরান জুরাইয়া যায় (বলেই গাড়িতে উঠে বসলো) অতঃপর গাড়ি চালাচ্চে উপমা,, নিঝুম :আজকে কি মনে করে গাড়ি আনলি উপমা? উপমা :আরে তুই জানস না বাবার কথা,, রোজ রোজ একই কথা মামুনি গাড়ি নিয়ে যাও, রোদৈ কালো হয়ে যাবি,, রাস্তার লোকে কি বলবে খান সাহেবের একমাত্র মেয়ে রিকশায় করে চলবে,, জানিস এই সব না আমার জিবনটারে পেরাময় করে দিছে,, যা প্রেম করলে ও হয় না আরকি,, কত করে বললাম যে আমি এইসব গাড়িতে উঠা পছন্দ করিনা তারপরও,, নিলা :তোর যায়গায় আমি হলে তো বিন্দাস লাইফ কাটাতাম,, নিঝুম :এই জন্যই তো হচনাই …….. আরে আজব মেয়েটা হুট করে গাড়ি থামিয়ে কই গেলো,, নিঝুম আর নিলা তারাতারি গাড়ি থেকে নেমে দেখলো,,, নিঝুম :কি অদ্ভুত মেয়েটা দেখলি,, মানুষের জন্য কতো মায়া,, আর সেই মানুষটাই নিজের খুব কাছের একজনকে হারিয়েছে,,(উপমার দিকে তাকিয়ে) নিলা :হুম, আল্লাহ ওর কেনো জানি এমন করছে কতো ভালোবাসতো সেই মানুষটাকে নিজের জিবনের থেকেও বেশী,, আমি মনে করি উপমাকে যে বিয়ে করবে সে খুব লাক্কি রে,, নিঝুম :উপ…………..মা (জোরে চিল্লিয়ে) দৌড়ে উপমার কাছে দুজনে গেলো,,(রাস্তার ওপর পাশে) . চলবে …………………..????


এডিট ডিলিট প্রিন্ট করুন  অভিযোগ করুন     

গল্পটি পড়েছেন ৪২৪ জন


এ জাতীয় গল্প

→ হৃদয়ের মাঝখানে-১০
→ হৃদয়ের মাঝখানে-৯
→ হৃদয়ের মাঝখানে-৮
→ হৃদয়ের মাঝখানে-৭
→ হৃদয়ের মাঝখানে-৬
→ হৃদয়ের মাঝখানে-৫
→ হৃদয়ের মাঝখানে-৪
→ হৃদয়ের মাঝখানে-৩
→ হৃদয়ের মাঝখানে-১১
→ হৃদয়ের মাঝখানে-১২

গল্পটির রেটিং দিনঃ-

গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করুন

গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করতে আপনার একাউন্টে প্রবেশ করুন ... ধন্যবাদ...

X