Deprecated: mysql_connect(): The mysql extension is deprecated and will be removed in the future: use mysqli or PDO instead in /var/sites/g/golperjhuri.com/public_html/gj-con.php on line 6
হিমুর স্নরণে

গল্পেরঝুড়িতে লেখকদের জন্য ওয়েলকাম !! যারা সত্যকারের লেখক তারা আপনাদের নিজেদের নিজস্ব গল্প সাবমিট করুন... জিজেতে যারা নিজেদের লেখা গল্প সাবমিট করবেন তাদের গল্পেরঝুড়ির রাইটার পদবী দেওয়া হবে... এজন্য সম্পুর্ন নিজের লেখা অন্তত পাচটি গল্প সাবমিট করতে হবে... এবং গল্পে পর্যাপ্ত কন্টেন্ট থাকতে হবে ...

সুপ্রিয় গল্পের ঝুরিয়ান গন আপনারা শুধু মাত্র কৌতুক এবং হাদিস পোস্ট করবেন না.. যদি হাদিস /কৌতুক ঘটনা মুলক হয় এবং কৌতুক টি মজার গল্প শ্রেণি তে পরে তবে সমস্যা নেই অন্যথা পোস্ট টি পাবলিশ করা হবে না....আর ভিন্ন খবর শ্রেনিতে শুধুমাত্র সাধারন জ্ঞান গ্রহণযোগ্য নয়.. ভিন্ন ধরনের একটি বিশেষ খবর গ্রহণযোগ্যতা পাবে

হিমুর স্নরণে

"রহস্য" বিভাগে গল্পটি দিয়েছেন গল্পের ঝুরিয়ান M.H.H.RONI (৮১৮ পয়েন্ট)



আজ সকাল থেকে আকাশে বিদ্যেুৎ চমকাচ্ছে।এমন দিনে কার আর ঘর থেকে বেরুতে মন চায়?ভেবেছিলান আজ আমার হিমুগিরি বাদ দিয়ে রবীন্দ্রনাথের মতো বাসার এক কোনে বসে এই সেই ভাববো।কিন্তুুু তা আর হলো না।সকালেই ফুপা খবর পাঠিয়েছে আমাকে নাকি তার দরকার। কী আর করার আমি বৃষ্টিকে উপেক্ষা করে ছুটে চলছি।রাস্তায় মানুষ তো দূরে তাদের অস্তিত্বই নেই।তবে কোথাও যেন পড়েছিলাম রাস্তায় কেউ না থাকলেও কুকুর ঠিকই সঙ্গী হয় আমার ক্ষেএেও এর ব্যতিক্রম হলো না।যাহোক আমি ফুপার অফিসের কাছে আসতেই দারোআন গেইট খুলে দিল।কী ব্যপার অবাক কান্ড।কিন্তুু তা প্রকাশ করলাম না।আমিও একটা ভাব নিলাম যেন আমি এ অফিসের মালিক।সরাসরি ডুকলাম ফুপার অফিসে।ভাবলাম আগের মতোই ফুপা ভাব নিবেন আমাকে চিনবে না।তাই গিয়ে বললাম হ্যালো মিস্টার!আমার নামটা যেন কী?ফুপা বলল কী ব্যপার হিমু তুমি আমার সাথে রসিকতা করছ?আমি তুমার কিন্তুু ফুপা হই।আমি রহস্যর একটি হাসি দিয়ে বললাম ওহ দুঃখিত ফুপা আমার আসলে ইদানিং ব্রেইনটা মনে হয় কাজ করছে না।ফুপা বলল আচ্ছা বাদ দাও তুমাকে যেজন্য ডেকেছি?আমি:হ্যা।ফুপা:আচ্ছা তুমি কী আমার সাথে একটু আমার গ্রামের বাড়িতে যাবে?আমি:হ্যা।ফুপা:ঠাস করে উওর দিবে না ভেবেচিন্তে বলো।আমি:নাহ আসলে আপনি যে বললেন একটু আমার সাথে যাবে?এখন আমি বুঝতেছি না আমি একটু আপনার সাথে কীভাবে যাবো?আই মিন আমি কী রুবট নাকি যে বাকি অংশ রেখে দিব খুলে শরীর থেকে।ফুপা:ওহ পাগল করে দিবেত দেখছি।আচ্ছা তুমি পুরোটাই আমার সাথে চল।এই বলে ফুপা আমাকে একরকম টেনে হিচরে নিয়ে গিয়ে সুজা তুলল তার গাড়িতে।আমার পাশে ড্রাইবার ফুপা পিছনে।সবাই চুপচাপ আমি ভাবছি সৃষ্টিকর্তা আমাদের মুখ দিয়েছে কীসের জন্য।যদি কথা বলা আমরা বন্ধই করে দিই হয়ত আমরা বুবা হয়ে যাব।আমি:আচ্ছা ড্রাইবার ভাই আমরা কোথায় যাচ্ছি?ড্রাইবার :জানি না?আমি:জানেন না মানে কী?আপনি জানবেন না কেন?ড্রাইবার:যানি না আপনার কোন সমস্যা?আমি মনে মনে ভাবলাম ব্যাটাকে আচ্ছা মতো ধুলাই করা দরকার।আমি:আচ্ছা গাড়ি চালাতে চালাতে আপনি মনে হয় ক্লান্ত সরেন এবার আমি ড্রাইব করি।ড্রাইবার:চালাতে পারেন?আমি:পারি মানে অলম্পিকে ড্রাইবে ১৯৭১সালের ৭মার্চ গোল্ট মেডেল পেয়েছি।ড্রাইবার বলল সত্যি?আমি:একদম না সত্যি।এখন আমি ড্রাইব করছি।গাড়ির স্পিট ক্রনান্বয়ে বাড়তে বাড়তে এখন হাওয়ার বেগে চলছে।যেন আমরা চন্দ্র অভিযানে যাচ্ছি।পিছনে ফুপা আর তার ড্রাইবার ঘুমিয়ে পরেছে।হঠাৎ একটি গর্ত পরায় গাড়ি দিল এক লাফ।ফুপা কে কে বলে লাফ দিয়ে ঘুম থেকে উঠে পরল।এই তুই এখানে কেন ড্রাইবারকে ফুপার প্রশ্ন।ড্রাইবার স্যার হিমু ভাই বলে গোল্ড মেডেল পেয়েছে?ফুপা তাকে ঠাস করে দিল এক চড়।ফুপা:এই হিমু গাড়ি দার কর।আমি:মুচকি হেসে ফুপা দুঃখিত গাড়ির ব্রেকটা কাজ করছে না।একটু পরেই আমরা মারা যাব।আল্লাহর কাছে মাফ চান যেন পরকালে শান্তি পেতে পারেন।ফুপা:এই কী বলছিস শালা।আমি:এই যে শুনেছিলাম মরার আগে মানুষ আবুল তাবুল বকে আজ দেখলাম।আমি আপনার শালা নই।এমন সময় আমি বললাম ফুপা ঐ যে সামনে গাছ।পড়ুন কালেমা পড়ুন।তখন বললাম পারেনত।ফুপা বলল না?আমি এবার গাড়ি দার করালাম বললাম সামান্য কালেমাটা জানেন না।এই যে সত্যেই যদি ব্রেক ফেইল হত তবে?আপনার এই গাড়ি বাড়ি দিয়ে কী হত?মনে রাখবেন মরতে একদিন হবে।ফুপাকে কখনও কাদতে দেখিনি আজ দেখলাম বলল সত্যি হিমু এবার আমি ভাল হয়ে যাব?এখন আমরা পন্মা নদী দিয়ে জাহাজে করে যাচ্ছি।এখন নিজেকে আমি পন্মা নদীর মাঝি গল্পে খুজে বেরাচ্ছি।এমন সময় মাঝির চিৎকার ভাই ভাই মনে হয় জাহাজ ডুবে যাবে।এখন উপায় কী?ফুপা কী বলছেন?কেন?মাঝি:জাহাজ ফুটো হয়ে গিয়েছে?ফুপা:আল্লাহ রক্ষা কর?আমি:বাদ দেন ত অনেকত বাচলেন আর কত এবার যাওয়া যাক।ফুপা:থাম বেয়াদব।মাঝি:আচ্ছা সাতার জানেন আপনারা?ফুপা:নাহ আমি:আমি যানি না।আর আপনি?মাঝি:আমিয়ত জানি না?আমি :মানে কী আপনিত মাঝি।মাঝি;ভাই আমি এখানে নতুন।আমি:ভালোই সবাই একসাথে মরা যাবে।সবাই একসাথে মরার আনন্দটাই আলাদা কী বলেন?মাঝি:ভাই ওভাবে বলবেন না আমি এখনও বিয়ে করি নি?আমি:মুচকি হেসে বললাম ভাই জন্ম,মৃত্যে বিয়ে নাকি আল্লাহর হাতে বাদ দেন ত ওসব ভাবনা।এখন আমি কখন জাহাজ ডুববে তার অপেক্ষায় আছি।মানুষের জীবনটাই আসলে বড় বৈচিএময়।...............???


এডিট ডিলিট প্রিন্ট করুন  অভিযোগ করুন     

গল্পটি পড়েছেন ২১২ জন


এ জাতীয় গল্প

→ হিমুর স্নরণে
→ হিমুর স্নরণে।।
→ হিমুর স্নরণে
→ হিমুর স্নরণে
→ হিমুর স্নরণে
→ হিমুর স্নরণে
→ হিমুর স্নরণে
→ হিমুর স্নরণে
→ হিমুর স্নরণে

গল্পটির রেটিং দিনঃ-

গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করুন

গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করতে আপনার একাউন্টে প্রবেশ করুন ... ধন্যবাদ...