গল্পেরঝুড়ির এ্যাপ ডাউনলোড করুন - get google app

সুপ্রিয় গল্পের ঝুরিয়ান গন আপনারা শুধু মাত্র কৌতুক এবং হাদিস পোস্ট করবেন না.. যদি হাদিস /কৌতুক ঘটনা মুলক হয় এবং কৌতুক টি মজার গল্প শ্রেণি তে পরে তবে সমস্যা নেই অন্যথা পোস্ট টি পাবলিশ করা হবে না....আর ভিন্ন খবর শ্রেনিতে শুধুমাত্র সাধারন জ্ঞান গ্রহণযোগ্য নয়.. ভিন্ন ধরনের একটি বিশেষ খবর গ্রহণযোগ্যতা পাবে

সুপ্রিয় গল্পেরঝুরিয়ান... জিজেতে আজে বাজে কমেন্ট করা থেকে বিরত থাকুন ... অন্যথায় আপনার আইডি বা কমেন্ট ব্লক করা হবে... আর গল্প দেওয়ার ক্ষেত্রে গল্প দেওয়ার নিয়ম মেনে চলুন ... সার্বিকভাবে জিজের নীতিমালা মেনে চলার চেস্টা করুন ...

অরুপ হাঁস শাবক

"ছোটদের গল্প" বিভাগে গল্পটি দিয়েছেন গল্পের ঝুরিয়ান Ahmadullah Ibne Khalil(guest) (৫৫০৩ পয়েন্ট)



এক সুন্দর বিকেলে মা হাঁস একটি গাছের নিচে ডিম পারছিল। সে মোট ৫ টি ডিম পারল। যার মধ্যে একটি ডিম দেখতে অন্য ডিমগুলো থেকে আলাদা এবং বেশ বড়। পরদিন সুন্দর একটি বিকালে সেই ডিমগুলো একে একে ফুটতে শুরু করল এবং মিষ্টি কন্ঠে পেক পেক আওয়াজ করল। মা হাঁস দেখে খুব খুশি হলো এবং বলল: কি সুন্দর বাচ্চা হয়েছে আমার! সত্যি আমি খুবই ভাগ্যবতী! এদিকে সব ডিম ফুটলো শুধু সেই বড় ডিমটি ছাড়া। মা হাঁস খুব চিন্তায় পরে গেল, এবং ভাবলো:এই ৫ নাম্বার ডিমটি ফুটলো না কেন! মা যতটা সম্ভব ঐ ডিমটাকে তা দিতে লাগলো। সে ভাবলো, নিশ্চয়ই এই বাচ্চা টা সবার থেকে বেশি সুন্দর হবে। তাই হয়তো ডিমটা ফুটতে এত দেরি হচ্ছে। পরদিন সকাল বেলা মিষ্টি রোদে সেই বড় ডিমটি ফুটলো। কিন্তু তাকে দেখেই মা হাস অবাক হয়ে গেল, কারণ বাচ্চাটি দেখতে ছিল বিচ্ছিরি ধোসর রংয়ের। মা হাঁসের মন খারাপ হয়ে গেল, এবং ভাবলো:"আমার আর একটা বাচ্চাও তো এমন বিচ্ছিরি হয়নি"! মা ভাবলো হয়তো এক সময় সেটা অন্য বাচ্চাদের মতো হয়ে যাবে। হাঁস টা দেখতে বিচ্ছিরি হওয়ার কারণে তার ভাই বোনরাও তার সাথে খেলতো না! এক ভাই বললো:"আমরা তোর সাথে খেলব না, তুই দেখতে একটা বিচ্ছিরি জীব"!এই বলে তারা সবাই হাসতে শুরু করে! বিচ্ছিরি হাঁস শাবক টি নদীর পানিতে তার প্রতিচ্ছবি দেখে ভাবতে লাগলো, আমি দেখতে খুব বাজে! কেউ আমাকে ভালোবাসে না! এই ভেবে শাবক টি বেশ দুঃখ পেল। সে ঠিক তার পরিবার ছেড়ে সে গভীর বনে চলে যাবে! এই ভেবে শাবক টি গভীর বনের দিকে রওনা দিল। এর মাঝে শীত চলে এলো এবং চারদিক বরফে আচ্ছন্ন হয়ে গেল। শাবক টি ঠান্ডায় কাপতে শুরু করল, সে মনে মনে খুবই দুঃখ পেল। এরপর শাবক টি ঐ বনেই অন্য একটি হাঁস পরিবারের কাছে গেল, কিন্তু তারাও শাবক টিকে বিচ্ছিরি বলে তাড়িয়ে দিলো। এরপর শাবক টি এক মুরগির পরিবারে গেল, তারা হাঁস টিকে ঠোঁট দিয়ে ঠুকরাতে শুরু করল। বেচারা হাঁস কোন মতে সেখান থেকে পালিয়ে আসে! রাস্তা দিয়ে যাওয়ার সময় এক কৃষক হাঁস টিকে দেখে তার বাড়িতে নিয়ে এলো। সেখানেও এক বিড়াল নানা ভাবে হাঁস টিকে অপমান করে। বাধ্য হয়ে কৃষকের বাড়ি থেকে হাঁস টি চলে আসে। রাস্তায় এক শিয়ালের সামনে পড়ে যায় হাঁসটি। শিয়াল হাঁস কে দেখলো, এবং চলে গেল!! হাঁস টি ভাবলো:"আমি দেখতে এতই খারাপ যে, শিয়ালটি পর্যন্ত আমাকে খেল না!! এরপর শীত গিয়ে বসন্ত এলো, হাঁস টি নদীর উপর দিয়ে হাটতে হাটতে দেখলো, নদীতে এক সুন্দর স্ত্রী হাঁস সাতার কাটছে। স্ত্রী হাস টিকে সে ভালোবেসে ফেললো! কিন্তু লজ্জায় তার মাথা নিচু হয়ে গেল। মাথা নিচু করতেই নদীর পানিতে নিজের প্রতিচ্ছবি দেখে হাঁস টি বেশ অবাক হয়ে গেলো, আরে সে তো দেখতে এখন আর বিচ্ছিরি না। বরং নওযৌবন হাঁস টি দেখতে অন্য সব হাঁস এর চাইতে সুদর্শন হয়ে গেছে! হাসঁটির বুঝতে আর বাকি রইলো না, তাকে অন্য সব হাঁস থেকে ভিন্ন দেখতে হওয়ার কারণ, আসলে সে ছিল রাঁজ হাস! আর তার ভাই বোন ছিল পাতি হাঁস। এরপর জলে থাকা স্ত্রী রাঁজ হাঁস টির সাথে সে সারাজীবনের জন্য ওখানেই থেকে গেল!! ___সমাপ্ত___


এডিট ডিলিট প্রিন্ট করুন  অভিযোগ করুন     

গল্পটি পড়েছেন ৪৫৪ জন


এ জাতীয় গল্প

→ রাজকন্যা ও ১১ বোনোহাঁস
→ এক টুকরো হাঁসি
→ রাজিবের সোনার ডিম পাড়ার হাঁস
→ হাঁসচুরির পর প্রেম
→ হাঁস চড়ানো মেয়ে
→ সোনার হাঁস
→ হাঁসির গল্প
→ শাবকী দেবী—২য় ও শেষ পর্ব
→ শাবকী দেবী-১

গল্পটির রেটিং দিনঃ-

গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করুন

গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করতে আপনার একাউন্টে প্রবেশ করুন ... ধন্যবাদ...