গল্পেরঝুড়ির এ্যাপ ডাউনলোড করুন - get google app

গল্পেরঝুড়িতে লেখকদের জন্য ওয়েলকাম !! যারা সত্যকারের লেখক তারা আপনাদের নিজেদের নিজস্ব গল্প সাবমিট করুন... জিজেতে যারা নিজেদের লেখা গল্প সাবমিট করবেন তাদের গল্পেরঝুড়ির রাইটার পদবী দেওয়া হবে... এজন্য সম্পুর্ন নিজের লেখা অন্তত পাচটি গল্প সাবমিট করতে হবে... এবং গল্পে পর্যাপ্ত কন্টেন্ট থাকতে হবে ...

সুপ্রিয় গল্পেরঝুরিয়ান... জিজেতে আজে বাজে কমেন্ট করা থেকে বিরত থাকুন ... অন্যথায় আপনার আইডি বা কমেন্ট ব্লক করা হবে... আর গল্প দেওয়ার ক্ষেত্রে গল্প দেওয়ার নিয়ম মেনে চলুন ... সার্বিকভাবে জিজের নীতিমালা মেনে চলার চেস্টা করুন ...

চা বিস্কুট আর সে

"রোম্যান্টিক" বিভাগে গল্পটি দিয়েছেন গল্পের ঝুরিয়ান ᔑᗩᎩᗴᗞ (০ পয়েন্ট)



শুভ বের হয়ছে নিজের বাটন মোবাইল নিয়ে। সুর্যের খরা রোদ,আর গরম।কোনো কাজের সন্ধান নাই অথচ মাস্টার কমপ্লিট করেছে দুইটা বছর। প্রতিদিন বের কাজের সন্ধানে।আমাদের দেশে কাজ পাওয়া এত কঠিন। ভাবা যায় এ জীবনে এত কষ্ট। শুভ তার ছেড়া স্যান্ডেল এখন তার শেষ নিশ্বাস ত্যাগ করবে।নতুন স্যান্ডেল ও কিনে নি। মা-বাবার দুরবস্হা দেখে আর টাকা চাইলো না।পার্কের সিটে তার বিছানা।কোনো উপায় নেই।মা-বাবা কোনোমতে খাবার টাকাটা পাঠায়,চাচার ঘরে গিয়েছিল কিন্তু তাকে তাড়িয়ে দেয়। মা-বাবাকে লজ্জায় আর কিছু বলেনি।তাই সাত।সকাল বের হয়েছে হয়তো কোনো চাকরি পায়।সকালে কিছু খাইনি সে।নিউজ পেপারে উুকি মারে হয়তো কোনো চাকরি মেলে যায়। কিন্তু আবার সে হতাশার মুখ।তাই সে সিটে গিয়ে নিজেরর মনকে শান্তনা দিল আর আগোচরে কাদতে লাগল।কিছুক্ষন পর সে শুয়ে পড়ল। একটা কাদার শব্দে তার ঘুম ভাঙ্গলো।রাতের অন্ধকার তাই সে একটু ভয় পেলো।হয়তো কোন বিপদ আছে তাই কে বলে আওয়াজ করলো। কান্না থেমে গেল,এবার তার ভয় বাড়তে শুরু করলো।তারপর সে এক দাগের চার্জওয়ালা মোবাইলের বাতি জ্বালালো।দেখল একটা মেয়ে তার সিটের পাশে কাদছে। এবার শুভর ভয় একটু কমলো।সে পাশে গিয়ে জিজ্ঞেস করবে কি হল তখন মেয়েটি অজ্ঞান হয় গেল।মেয়েটাকে নিজের সিটে শুয়ে দিল।আর নিজে সিটের পাশে বসে পড়ে। সকাল হওয়ার অপেক্ষায়,তার ঘুম চলে আসে। ৬টা বাজে আজান দিচ্ছে,শুভ নিজের নামায পড়তে চলে গেল। নামায পড়ে এসে দেখে মেয়েটা এখনও ঘুমাচ্ছে। রহমত মিয়া চাওয়ালা একজন।শুভর সঙ্গে তার বেশ ভাব রয়েছে এ কিছু বছর। রহমত তার দোকান সাত সকাল খোলে ফেলে কারন নানা পেশার মানুষ তার থেকে চা নাস্তা করে। রহমতের দোকান থেকে পানি নিয়ে শুভ মেয়েটির মুখে মারলো।মেয়েটি আস্তে আস্তে চোখ খুলে আর মিটমিট করে শুভকে দেখছে। শুভকে দেখে সে চোখ বন্ধ করে আছে।শুভ তাকে হাত বাড়িয়ে দিল।মেয়েটা হয়তো সাহস পেয়েছে তাই নিজের হাতটা দিল। শুভ তাকে টেনে তুললো।শুভ আবার তার কাজে লেগে পড়লো।আবার তাকে কাজ খুজতে যেতে হবে। সে তার ব্যাগগুলো নিল।আর চলে যাচ্ছে পিছনে তার ডাক পড়লো।সে পিছনে ফিরে দেখে। মেয়েটা তাকে ডাকছে। সে যাবে ভাবছে কিন্তু পরোক্ষণে ভাবলো তাকে যেভাবে আগে কাজ খুজতে হবে। তাই সে আর পিছনে না গিয়ে এগোতে লাগল। মেয়েটা দৌড়ে এসে... ----আপনাকে ডাক শুনছেন না!!!ও আপনি কানে কথা বলতে পারেন না, সরি!!! শুভ শুনে যাচ্ছে রিয়েকশন দিচ্ছে কিন্তু কিছু বলছে না আর ভাবছে মেয়েটা শুধু পটপট করে যখন ঘুমিয়ে ছিল তখন ভালোই ছিল। সে যাচ্ছে আর যাচ্ছে এখন মেয়েটার বিষণ ক্ষিধা পেয়েছে।শুভকে বলছে কিন্তু শুভর কাছে তেমন টাকা নেই যে তাকে খাওয়াবে। এখন তার চোখ থেকে পানি পড়ার অবস্থা।শুভ তো এখন কি করবে নিজেও জানে। রহমত মিয়ার দোকান থেকে এক কাপ চা আর বিস্কুট নিল।মেয়েটা শুভকে অফার করে কিন্তু শুভ খাই না। শুভর চিন্তা শুধু চাকরি।সে কবে থেকে না খেয়ে বসে আছে।কিন্তু চাকরি চিন্তা তাকে খেয়ে যাচ্ছে। আর মেয়েটাকে এখন তার পিছন থেকে ছাড়াতে হবে।মেয়েটা কেন একলা?? তার সাথে কেউ নেই??তাকে একলাও ছাড়তে ইচ্ছা করছে না তার।কিন্তু নিজে থাকার খাওয়ার জায়গা নেই আবার অন্যজনকে কি খাওয়াবে। তাই সে মেয়েটা থেকে তার সম্পর্কে কিছু জিজ্ঞেস করলো। চলবে.... #চা বিস্কুট আর সে #SaYeD_CHy


এডিট ডিলিট প্রিন্ট করুন  অভিযোগ করুন     

গল্পটি পড়েছেন ৮৩৮ জন


এ জাতীয় গল্প

→ সেকাল আর একাল
→ সেকাল আর একাল
→ করোনা ভাইরাসের কথা
→ জিফের আরেক নাম পেরা
→ হঠাৎ কেন এ চিঠি!!! আরবিতে লিখা ছিল ঐ চিঠিখানা
→ হযরত ফাতেমা (রা) এর চাদরের ঘটনা
→ জ্বিনের অত্যাচার
→ ব্যভিচারের শাস্তি(একটি ঘটনার মাধ্যমে)
→ ক্রসেড সিরিজ 1
→ ক্রসেড সিরিজ

গল্পটির রেটিং দিনঃ-

গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করুন

গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করতে আপনার একাউন্টে প্রবেশ করুন ... ধন্যবাদ...