Deprecated: mysql_connect(): The mysql extension is deprecated and will be removed in the future: use mysqli or PDO instead in /var/sites/g/golperjhuri.com/public_html/gj-con.php on line 6
শেষ চিঠি - রিয়েন (তিন-চার)

যাদের গল্পের ঝুরিতে লগিন করতে সমস্যা হচ্ছে তারা মেগাবাইট দিয়ে তারপর লগিন করুন.. ফ্রিবেসিক থেকে এই সমস্যা করছে.. ফ্রিবেসিক এ্যাপ দিয়ে এবং মেগাবাইট দিয়ে একবার লগিন করলে পরবর্তিতে মেগাবাইট ছাড়াও ব্যাবহার করতে পারবেন.. তাই প্রথমে মেগাবাইট দিয়ে আগে লগিন করে নিন..

সুপ্রিয় গল্পের ঝুরিয়ান গন আপনারা শুধু মাত্র কৌতুক এবং হাদিস পোস্ট করবেন না.. যদি হাদিস /কৌতুক ঘটনা মুলক হয় এবং কৌতুক টি মজার গল্প শ্রেণি তে পরে তবে সমস্যা নেই অন্যথা পোস্ট টি পাবলিশ করা হবে না....আর ভিন্ন খবর শ্রেনিতে শুধুমাত্র সাধারন জ্ঞান গ্রহণযোগ্য নয়.. ভিন্ন ধরনের একটি বিশেষ খবর গ্রহণযোগ্যতা পাবে

শেষ চিঠি - রিয়েন (তিন-চার)

"রোম্যান্টিক" বিভাগে গল্পটি দিয়েছেন গল্পের ঝুরিয়ান রিয়েন সরকার (৩৫ পয়েন্ট)



তিন তারপর আমাদের প্রেম চলতে লাগলো। দুজনে চিঠি আদান-প্রদান করতাম। কেন্টিনে দুজন পাশাপাশি বসতাম। ভালোই চলছিল আমাদের প্রেম। একদিন লিমন কালো রং এর মটরসাইকেল কিনে এবং চাচ্ছিল আমি তার উদ্ধোধন করি। আমরা কলেজ ছুটি হওয়ার এবং সব মানুষ বাড়ি চলে যাওয়ার অপেক্ষা করছিলাম। তারপর উড়না ঠিক করতে করতে তার পেছনে গিয়ে বসি। মনে হচ্ছিল জীবনে এর বেশি আর কি চাওয়ার থাকতে পারে! সে মটরসাইকেল চালু করে। তার কিছু বন্ধু হাত তালি বাজায়। আমারা কলেজের এ মাথা থেকে ও মাথা লম্বা কয়েকটি চক্কর মারি তারপর লাজুক হাসি হেসে আমি বাড়ি চলে আসি। কিন্তু দেয়ালের ও কান থাকে। চোখ তো অবশ্যই থাকে। চোখে-চোখে, কানে-কানে এ কথা আমার মায়ের বান্ধবীর কাছে চলে যায়। সেখান থেকে মায়ের কানে যেতে খুব বেশি সময় লাগেনি। একদিন বিকালে যখন কলেজ থেকে বাড়ি ফিরি তখন মা কিছু না বলে হঠাৎ আমার গালে এতো জোড়ে থাপ্পড় দিল যে চোখ থেকে পানি বের হয়ে যায়। মা বলেছিল বাবার কানে যদি এ কথা যায় তবে আমার উপর দিয়ে সুনামি বয়ে যাবে। যদি আমি লিমনের সাথে মেলামেশা বন্ধ করে দেই তবে মা বাবার হাত থেকে আমাকে রক্ষা করবে। বাবার রাগের মধ্যে লিমনের ভালোবাসার চেয়েও বেশি শক্তি ছিল। আমি বেশ কিছুদিন কান্নাকাটি করি। খাওয়া দাওয়া বন্ধ করে দেই। বিকেলে বাবার সামনে হাসি হাসি মুখ করে কথা বলতাম। বাবার অগোচরে আবার কান্না করতাম। আমি বুঝতে পারছিলাম হেরে যাওয়া জন্যই করে যাচ্ছি এ লড়াই। আমি একদিন লুকিয়ে লিমনকে ফোন দিলাম। জানাই তার সাথে আর দেখা করা সম্ভব না। ফোনের ওপাশে সে কিছুক্ষণ চুপ করে রইল। তারপর বলে একটি বার দেখা করার জন্য। শেষ বারের মতো। কলেজের পাশে রেস্টুরেন্টে দেখা করার কথা বলে সে। চার আমার বন্ধুরা যতটা না অবাক হয়েছিল লিমন সাথে সম্পর্ক করায় এরচেয়ে বেশি অবাক হয়েছিল সম্পর্কটা শেষ করে ফেলবো সে কথা শুনে। হঠাৎ কিছু না বলে একটা ছেলের সাথে সম্পর্ক শেষ করাটা অবাক করার মতোই। তারা বুঝতে পারছিল না কি হচ্ছে। আমি নিজেও তো কিছু বুঝতে পারছিলাম না। আমি বুঝতে পারছিলাম যতই জেদই করতাম কোন লাভ হতো না কিছু। সম্পর্কটা শেষ হওয়ারই ছিল। আমাদের দেশের সব মেয়েদের হয়তো এমনই হয়। ওই সময় লিমনের প্রতি ভালোবাসা ছিল কিন্তু সাহস ছিল না। তার মটোরাইকেল দাঁড় করিয়ে যখন সে রেস্টুরেন্টে আসে তখন চোখে রাগ দেখতে পাই আমি। দুই না এক কাপ চা দিতে বলে সে। আমাদের আঙ্গুল দূরে পরে রইল। প্রতিদিনের মতো স্পর্শ পাইনি তারা। সবসময়ে মতো সে আমার চোখে না তাকিয়ে মেজের দিকে তাকিয়ে ছিল। খুব কম কথা বলল। যেন যুদ্ধে ময়দানে দু পক্ষ অপেক্ষা করছে যুদ্ধে। যে কোন সময় লেগে যাবে যুদ্ধ এমন একটা পরিবেশ হয়েছিল তখন। বুঝতে পারছিলাম যে কোন সময় লেগে যাবে এবং শেষও হয়ে যাবে যুদ্ধ। তারপর দুজনই পরাজিত হয়ে বাড়ি ফিরে যাব। আর কখনো দেখা হবে না আমাদের । আমি এমন করে কথা বললাম তার সাথে যেন কষ্ট না পায় আবার তীর ঠিক জায়গায় লাগে। আমি চাচ্ছিলাম সে যেন আমার কথা বুঝে যায়। পরে যেন আমাকে দোষ না দেয়। আমি চাচ্ছিলাম না এই শেষ বিদায় আমাকে ভেঙে না দিক। ওয়েটার বিল নিয়ে চলে যাওয়ায় পর লিমন খপ করে আমার হাত দুটি ধরল। এটাই হয়তো ছিল সেই সুইচ যা আমার চোখের পানিকে আটকে রেখেছিল এতক্ষণ । তার হাতের স্পর্শে আমার চোখ দিয়ে টপ টপ করে পানি পরতে লাগল। চোখের পানি বয়ে চলেছিল নদীর মতো। চোখের কাজল লেপ্টে গিয়েছিল সেই নদীর সাথে। হালকা যা মেকাপ করেছিলাম তা ভেসে গিয়েছিল। আমি অশ্রুভেজা চোখে তার দিকে তাকালাম। সে বলল চল আমার সাথে। তারপর একটা গেস্ট হাউজে নিয়ে গেল লিমন আমাকে। তার কোন এক বন্ধুর ছিল সেটা। কিছুক্ষণ পর একটা ঘরের তালা আমাদের জন্য খুলে দেওয়া হয়। দরজার বন্ধ হওয়ার পর জোড়ে জোড়ে কান্না করতে করতে তাকে জড়িয়ে ধরলাম। কষ্ট গুলো চোখ দিয়ে ঝড়ে পারছিল।


এডিট ডিলিট প্রিন্ট করুন  অভিযোগ করুন     

গল্পটি পড়েছেন ২৫৮ জন


এ জাতীয় গল্প

→ বটতরুর তিথি - পর্ব ৫
→ বকুলের গার্লফ্রেন্ড এর বিয়া পর্ব-১
→ আইন জালুত - এক চিতাবাঘের গর্জন
→ সাদ ও নিশানের গল্প পর্ব - ৪
→ ইনসানিয়াত-মানবতা
→ মহাগ্রন্থ আল-কোরআনের আলোকে সম্প্রসারণশীল মহাবিশ্ব এবং এক নাস্তিকের প্রশ্নের দাঁতভাঙা জবাব!!!
→ স্বপনের ঠিকানা পেলাম♥… শেষ পাট
→ ---------------মা----------------
→ Killer পর্ব-২
→ *ইসলামের দৃষ্টিতে বিবাহ!!! পর্ব -১

গল্পটির রেটিং দিনঃ-

গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করুন

গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করতে আপনার একাউন্টে প্রবেশ করুন ... ধন্যবাদ...