গল্পেরঝুড়ির এ্যাপ ডাউনলোড করুন - get google app
গল্পেরঝুড়ি ফানবক্স ! এখন গল্পের সাথেও মজাও হবে! কুইজ খেলুন , অংক কষুন , বাড়িয়ে নিন আপনার দক্ষতা জিতে নিন রেওয়ার্ড !

যারা একটি গল্পে অযাচিত কমেন্ট করছেন তারা অবস্যাই আমাদের দৃষ্টিতে আছেন ... পয়েন্ট বাড়াতে শুধু শুধু কমেন্ট করবেন না ... অনেকে হয়ত ভুলে গিয়েছেন পয়েন্ট এর পাশাপাশি ডিমেরিট পয়েন্ট নামক একটা বিষয় ও রয়েছে ... একটি ডিমেরিট পয়েন্ট হলে তার পয়েন্টের ২৫% নষ্ট হয়ে যাবে এবং তারপর ৫০% ৭৫% কেটে নেওয়া হবে... তাই শুধু শুধু একই কমেন্ট বারবার করবেন না... ধন্যবাদ...

সুপ্রিয় গল্পেরঝুরিয়ান... জিজেতে আজে বাজে কমেন্ট করা থেকে বিরত থাকুন ... অন্যথায় আপনার আইডি বা কমেন্ট ব্লক করা হবে... আর গল্প দেওয়ার ক্ষেত্রে গল্প দেওয়ার নিয়ম মেনে চলুন ... সার্বিকভাবে জিজের নীতিমালা মেনে চলার চেস্টা করুন ...

শেষ চিঠি - রিয়েন (দুই)

"রোম্যান্টিক" বিভাগে গল্পটি দিয়েছেন গল্পের ঝুরিয়ান রিয়েন সরকার (৮৩ পয়েন্ট)



দুই গল্পটা শুরু হয়ে ছিল অনেক বছর আগে। তখন আমি কলেজে পাড়ি। গ্রাম থেকে শহরে এসেছিল আমাদের পরিবার। হাইস্কুল পর্যন্ত গ্রামেই ছিলাম। শহরে পরিবেশ আমার জন্য নতুন ছিল। গ্রামের বিশাল প্রকৃতির নিচে বড় হয়ে উঠা আমি দুই রোমের ফ্লেটের অভ্যস্ত হতে শিখি। দুই রোমের ফ্লেটে বিশাল আম গাছ ছিল না, যেখানে আমি দোলনা টানিয়ে ছিলাম। সারাদিন বানরের মতো ঝুলে থাকতাম সেখানে। গাছের পিছনে বিশাল সবুজ মাঠ ছিল না। যেখানে আমার পোষা বিড়াল নিয়ে খেলা করতাম। শিশির ভেজা ঘাসে দৌড়তাম। দুই রোমের ফ্লেটে খোলা নীল আকাশ ছিল না। যেখানে ঘুড়ি উড়ত। ভেসে বেড়াত দাদুর পাকা দাড়ির মতো মেঘফুলেরা। রাতে উঠানে পাটি বিছিয়ে দাদু যখন গল্প বলত তখন আকাশে তারা ঝলমল করত। কিন্তু দ্রুতই আমার নতুন জীবনকে আপন করতে নিতে শিখে গিয়েছিলাম। মানুষরা সব কিছুতেই তো খাপ খাইয়ে নিতে পারে। গাছে দোলনা ছিল না তাই ব্যালকনিতে দাড়িয়ে চা খেতে খেতে নিচে রাস্তায় গাড়ি গুনার খেলা শিখে গিয়েছিলাম। প্রতিবেশীদের চাচি,খালা, ফুফু না ডেকে আন্টি ডাকা শিখে গিয়েছিলাম। আর সাইকেল চালানোকে ভয় পাওয়া আমি স্কুটি চালানো শুরু করে দিয়েছিলাম। স্কুটি কলেজের বাইরে পার্ক করার সময় একদিন মটরসাইকেল হেলান দিয়ে দাড়িয়ে থাকা এক ছেলেকে দেখেছিলাম । আমি আমার নতুন জীবনকে আলিঙ্গন করে নিতে চাচ্ছিলাম আর সে আমাকে। লিমন নাম ছিল ছেলেটার। ১ বছরের সিনিয়ার ছিল কলেজে। নেতা গোছের ছিল সে। মারামারি করত। দেখতে ভালো ছিল। নানা ভাবে চেষ্টা করত আমাকে জানানোর যে সে আমাকে ভালোবাসে।আমিও তার প্রতি দূর্বল হয়ে পরেছিলাম। আমার বান্ধুবিরা বলত নতুন এসে, কোন চিন্তা ভাবনা না করেই ছেলেটাকে মন দিয়ে দিলি? ঠিক করলি তো? তাদের কথায় কান দেইনি আমি। মা আমাকে বলেছিল অপরিচিতদের সাথে কথা না বলতে। তাদের বিশ্বাস, ভরসা না করতে। এ জন্য কেন্টিনে চায়ের কাপ উঠানোর সময় যখন ভুল করে আমার আঙুল তার আঙুল ছুঁয়ে দিয়েছিল তখন মনে হয়েছিল এ ছেলে তো আর অপরিচিত না। মা অপরিচিতদের সাথে কথা না বলতে বলেছিল। কিন্তু ছেলেটি তো এবার আমার পরিচিত। এবার কথা বলা যায়। লিমনকে কেন্টিনেই ভালোবাসে ফেলেছিলাম।


এডিট ডিলিট প্রিন্ট করুন  অভিযোগ করুন     

গল্পটি পড়েছেন ৩০৩ জন


এ জাতীয় গল্প

→ জিজের পরিচিতরা যে কারণে প্রিয় (পর্ব-২)
→ কলম্বাসের আমেরিকা আবিষ্কারের কথা। পর্ব-1
→ জিজের পরিচিতরা যে কারণে প্রিয় (পর্ব-১)
→ অবনীল(পর্ব-৮)
→ অভিশপ্ত আয়না পর্র৬(শেষ পর্ব):-
→ "এখনও আমি অপেখা করছি তোমার জন্য!!!!" পর্ব-২
→ শেষ বিকেলের মায়াবতী♥ (২২)
→ অভিশপ্ত আয়না পর্ব৫:-
→ ~সান্তনা_দে-২।
→ অবনীল(পর্ব-৭)

গল্পটির রেটিং দিনঃ-

গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করুন

গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করতে আপনার একাউন্টে প্রবেশ করুন ... ধন্যবাদ...