গল্পেরঝুড়ির এ্যাপ ডাউনলোড করুন - get google app
গল্পেরঝুড়ি ফানবক্স ! এখন গল্পের সাথেও মজাও হবে! কুইজ খেলুন , অংক কষুন , বাড়িয়ে নিন আপনার দক্ষতা জিতে নিন রেওয়ার্ড !

যাদের গল্পের ঝুরিতে লগিন করতে সমস্যা হচ্ছে তারা মেগাবাইট দিয়ে তারপর লগিন করুন.. ফ্রিবেসিক থেকে এই সমস্যা করছে.. ফ্রিবেসিক এ্যাপ দিয়ে এবং মেগাবাইট দিয়ে একবার লগিন করলে পরবর্তিতে মেগাবাইট ছাড়াও ব্যাবহার করতে পারবেন.. তাই প্রথমে মেগাবাইট দিয়ে আগে লগিন করে নিন..

সুপ্রিয় গল্পেরঝুরিয়ান... জিজেতে আজে বাজে কমেন্ট করা থেকে বিরত থাকুন ... অন্যথায় আপনার আইডি বা কমেন্ট ব্লক করা হবে... আর গল্প দেওয়ার ক্ষেত্রে গল্প দেওয়ার নিয়ম মেনে চলুন ... সার্বিকভাবে জিজের নীতিমালা মেনে চলার চেস্টা করুন ...

♥♥আমার স্বপ্ন♥♥

"পৌরাণিক গল্প" বিভাগে গল্পটি দিয়েছেন গল্পের ঝুরিয়ান Ismail Ahnaf (০ পয়েন্ট)



পর্ব -৩ ♦♦ইসমাঈল আহনাফ♦♦ মেয়েটা খাবার দিয়ে গেলো কিন্তু ছেলেটার সাথে দেখা হলোনা। এক সময় বুড়িটা অসুস্থ হয়ে পড়লো এমন অসুস্থ যে, সে হয়ত আর বাচবে না। সেদিন সকাল হতে ভিষন ঝড় বৃষ্টি হচ্ছিলো। ছেলেটা সেদিন আর বাহিরে যেতে পারলো না। এমন ঝড় বৃষ্টিতে বুড়িকে একা ফেলে বাহিরে যাওয়াটা বুদ্ধিমানের কাজ হবেনা। সে বুড়ির পাশেই বসে থাকলো। এদিকে সেদিন আবার রাজকন্যার খাবার দিতে আসার কথা। রাজ দরবার থেকে সবাই তাকে বাহিরে যেতে না করল। কিন্তু রাজকন্যা অনেক জেদি মেয়ে। সে একটা ঘোড়ার গাড়ি করে কিছু পেয়াদা সাথে নিয়ে বেরিয়ে পড়লো। ভীষন ঝড় হয়েছে রাস্তার অবস্থা খারাপ। গাড়িটা নিয়ে যাওয়া অনেক কস্টকর হয়ে যাচ্ছিলো। হঠাৎ ঘোড়ার গাড়ির একটা চাকা বাকল হয়ে পড়ে। এমন ভাবে বিকল হয় যে, এই গাড়ি নিয়ে আর সামনে এগোনো সম্ভব নয়। রাজকন্যা ২ টি পেয়াদা নিয়ে বাহির হয়েছিলো। এখন গাড়ি বিকল হওয়াতে গাড়িটা ঠিক করার জন্য ২ জন পেয়াদাই প্রয়োজন। তাই গাড়ি ঠিক করার জন্য পেয়াদাকে রেখে রাজকন্যা একাই রওনা হল। এদিকে ঝড় বৃষ্টি প্রই কমে এসেছে। ছেলেটি ভাবছে সে বেরিয়ে পড়বে। তখন বুড়ির পানি পিপাসা লাগলো পানি নিতে গিয়ে ছেলেটি দেখলো সেখানে পানি নেই কলসটা ভেজ্ঞে পড়ে আছে। ঘরথেকে একটা পাত্র নিয়ে সে পানি সংগ্রহের জন্য বের হল। এর মধ্যে মেয়েটা বুড়ির কাছে এসে পড়েছে। হঠাৎ বুড়ির ভিষন যন্ত্রনা শুরু হয়। হয়ত বুড়ি আর বাচবে না। বথা বলা বন্ধ হয়ে যায়। একটা পুটলির দিকে ইশারা করে বুড়ি। কিছুক্ষন পর বুড়ি মারা যায়। মেয়েটা তার গাড়ির কাছে ফিরে যায় এবং পেয়াদা ২ টিকে বিড়ির বাড়িতে পাঠায়। এর মধ্যে ছেলেটি ফিরে এসে দেখে মরা বুড়িকে নিয়ে পেয়াদা ২ টা বসে আছে। ঘরে প্রবেশ করতেই পেয়াদা দুটি বলে বুড়ি মারা গিয়েছে। বুড়ির দাফন, কাফন শেষ করে রাজকন্যা পেয়াদাদের সাথে ছেলেটিকে যাওয়া আদেশ করেছে। ছেলেটি বুড়িকে মাটি দিয়ে পেয়াদার সাথে রাজ প্রাসাদে চলে যায়। রাজকন্যা ছেলেটিকে সেই রাজ্যার খাজনা আদায়ের দায়িক্ত দেয়। ছেলেটি সারা দিন ঘুরে ঘুরে খাজনা আদায় করে আর মেয়েটিকে খোজ করে। তখন পর্যন্ত রাজকন্যা ও ছেলেটি কেউ কাউকে দেখে নাই।খাজনা আদায় করতে করতে গোপন সংবাদ পাই ওই রাজ্যা আক্রমন করার জন্য শত্রুরা তৈারি হচ্ছে। সংবাদ পেয়ে ছেলেটি রাজকন্যাকে কিছু না জানিয়ে গোপনে একটা সৈান্য দল তৈারি করে। ছেলেটি তো একজন রাজ পুত্র সে ও একজন ভালো যোদ্ধা। আস্তে আস্তে ছেলেটি রাজকন্যার অজান্তে সৈান্য বাহিনী তৈারি করে ফেলে। কয়েক মাস পার ছেলেটির ধারণা সত্য হয়। রাজ্যা হামলা হয়। যাদ্ধের প্রথম দিকে রাজকন্যার বাহিনী এগিয়ে থাকে কিন্তু রাজ্যা কিছু মানুষ মীরজাফর হয়ে যাওয়ার কারনে সেনাপতি নিহত হয়। পুরো যুদ্ধ পরিচালনার ভার তখন রাজকন্যার ওপর এসে পড়ে। ছেলেটি তখন খাজনা আদায়ে অনেক দূরে ভ্রমন করেছে। ছেলেটির কাছে খবর যায় রাজ্যা যুদ্ধ লেগেছে। সে ছুটে আসে তার তৈরি সৈান্য বাহিনী নিয়ে প্রাই হেরে যাওয়া যুদ্ধ আবার নিজেদের আয়ত্তে নিয়ে আসে। যুদ্ধের একবারে শেষ পর্যায়ে এসে রাজকন্যার বাম হাতে একটা তীর এসে লাগে। ছেলেটি গিয়ে রাজকন্যাকে জাপটে ধরে। ছেলেটির হাতের ওপর শুয়ে দুজন দুজনের মুখ দেখে বাক রুদ্ধ হয়ে পড়ে। কিছু বলার আগে রাজকন্যা জ্ঞান হারিয়ে ফেলে। তাকে প্রাশাদে নিয়ে চিকিৎষ্য করা হয়। এদিকে যুদ্ধে তাদের জয় হয়। রাজকন্যা জ্ঞান ফিরে ছেলেটিকে খুজতে শুরু করে। যে ছেলে তাদের রাজ্যাকে বাচিয়েছে যুদ্ধে জিতিয়েছে। ছেলেটা সামনে আসে। রাজকন্যা সবাইকে কামরা হতে বেরিয়ে যেতে বলে। সবাই চলে যায়। ছেলেটি সব ঘটনা খুলে বলে। সে কিভাবে এই রাজ্যা এলো। সব শুনে রাজকন্যা ছেলেটিকে যাপটে ধরে চোখের পনি ছেড়ে কান্না শুরু করে এবং মাফ চাইতে থাকে। ছেলেটি এতদিন পথে প্রন্তরে যে মেয়েটির খোজ করছিলো এটাই সেই মেয়ে। একসাধু রাজকন্যাকে ভবিষ্যৎ বানি করেছিলো। শত্রু পক্ষ অল্প দিনের মধ্যে এই রাজ্যা আক্রমন করবে। যুদ্ধে এই রাজ্যার পরাজয় হবে কিন্তু কোন এক রাজপুত্র এসে এ রাজ্যাকে যুদ্ধ যেতাবে। সেই রাজপুত্রের খোজেই মেয়েটি পাখির রুপ ধারন করে ভ্রমন করেছিলো এবং তখনি ছেলেটির সাথে দেখা হয়েছিলো। ছেলেটিকে তখন রাজকন্যা ভালো বেশে ফেলেছিলো। কিন্তু রাজ্যার সংকট মুহুর্তে সে ফিরে আসতে বাদ্ধ হয়েছিলো। ছেলেটি তার নিজের পরিচয় দেই সে একজন রাজপুত্র। দুজনের বিবাহ সম্পন্ন হয়। দুই রাজ্যা ভেঙ্গে একটা রাজ্যা বানানো হয়। দুজনে মিলে সুখে সান্তিতে রাজ্য পরিচালনা করতে থাকে। এবং আমার গল্প শেষ হয়। ( আহনাফ) বি: দ্র: ভুল ভ্রান্তি ক্ষমা যোগ্য...


এডিট ডিলিট প্রিন্ট করুন  অভিযোগ করুন     

গল্পটি পড়েছেন ৪৪১ জন


এ জাতীয় গল্প

গল্পটির রেটিং দিনঃ-

গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করুন

গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করতে আপনার একাউন্টে প্রবেশ করুন ... ধন্যবাদ...