গল্পেরঝুড়ির এ্যাপ ডাউনলোড করুন - get google app
গল্পেরঝুড়ি ফানবক্স ! এখন গল্পের সাথেও মজাও হবে! কুইজ খেলুন , অংক কষুন , বাড়িয়ে নিন আপনার দক্ষতা জিতে নিন রেওয়ার্ড !

সুপ্রিয় পাঠকগন আপনাদের অনেকে বিভিন্ন কিছু জানতে চেয়ে ম্যাসেজ দিয়েছেন কিন্তু আমরা আপনাদের ম্যাসেজের রিপ্লাই দিতে পারিনাই তার কারন আপনারা নিবন্ধন না করে ম্যাসেজ দিয়েছেন ... তাই আপনাদের কাছে অনুরোধ কিছু বলার থাকলে প্রথমে নিবন্ধন করুন তারপর লগইন করে ম্যাসেজ দিন যাতে রিপ্লাই দেওয়া সম্ভব হয় ...

সুপ্রিয় গল্পেরঝুরিয়ান... জিজেতে আজে বাজে কমেন্ট করা থেকে বিরত থাকুন ... অন্যথায় আপনার আইডি বা কমেন্ট ব্লক করা হবে... আর গল্প দেওয়ার ক্ষেত্রে গল্প দেওয়ার নিয়ম মেনে চলুন ... সার্বিকভাবে জিজের নীতিমালা মেনে চলার চেস্টা করুন ...

♣♣রসালো বাঁশ♣♣

"ঐতিহাসিক কথাসাহিত্য" বিভাগে গল্পটি দিয়েছেন গল্পের ঝুরিয়ান Ismail Ahnaf (০ পয়েন্ট)



♦♦ইসমাঈল আহনাফ ♦♦ বাঙ্গালী সংস্কৃতির সাথে মিশে আছে একটি অতি পরিচিত বস্তু। বস্তুটার ব্যবহার অতিব। বাঙ্গালী রাজনিতি , অর্থনীতি, সামাজনীতি বা হোক সে ব্যাক্তি জীবনে এটার ব্যাবহার সর্বত্র। সেটা হলো বাঁশ। রাজনিতি, সামাজনীতি, ব্যাক্তি জীবনে এর প্রভাব অনেক বেশি পরিলক্ষিত হয়। আনেক কথার মধ্যে রসাত্বক ভাবে উপস্থাপন করা হয় বাঁশকে। আবার সান্তনা বা উসকানী দিতেও বাশের বহুল ব্যবহার প্রচলিত। বাঁশ নিয়ে রয়েছে অনেক প্রবাদ বাক্য, হয়েছে অনেক লিখা লিখি, বাঁশ দিয়ে হয়েছে কত সংগ্রাম , এসেছে কত সফলতা। পুরোনো দিনে বাঁশ দিয়ে সব কিছু হত। বাশ ছাড়া বাঙ্গালি যেন, ভাবাই যায়না । মুক্তিযুদ্ধের সময়ও হয়ত এমন কোন স্লোগান ছিলো........ বাঁশের লাঠি হাতে কর, পাকিস্থানি বিদায় কর। বর্তমানে যেমনটা বিভিন্ন শ্লোগানে পাওয়া যায়। বাঁশের পাতা রস মধু দিয়ে খেলে কাশি ভালো হয়। বাঁশের পাতা খাওয়ালে গবাদি পশুর দুধ দৃদ্ধি পাই। কচি বাঁশ খাবার হিসেবে অনেক মজাদার ও পুষ্টিকর খাবার। যেটা কার্বোহাইড্রেডে ভর্তি। বাঁশ দিয়ে তৈরি আসবাব পত্র দেখতে চমৎকার এবং আন্তরর্জাতিক বাজারে যার রয়েছে যথেষ্ঠ মূল্য। বাঁশের এই বহুল ব্যবহার যেন দিন দিন বেড়েই চলেছে।১৯৪৭ থেকে ১৯৭১ আবার ১৯৭৫ থেকে বর্তমান বাশের ব্যবহার কিন্তু থেমে নেই। শুধু হারিয়ে যাচ্ছে ঔতিহ্য। বাঙ্গালি মৃত্যু কালেউ এর প্রয়োজন ও গুরুত্ত অপরিসীম। দেশ উন্নতির সাথে সাথে যদিও আমাদের প্রয়োজন কমে আসছে তবুও আমরা মুখে মুখে এর ব্যবহার রীতি মত বাড়িয়ে চলেছি। বাশের রয়েছে অনেক জাত বিভিন্ন জাত বিভিন্ন কাজে ব্যবহার হয়ে থাকে। তবে যারা কাজের মাধ্যেমে বাশ দিয়ে থাকে সে বাঁশের কোন জাত হয়না। বাঙ্গালী জাতির জীবনের সাথে জড়িত এই বস্তুর ব্যবহার অমর হোক ........!!!


এডিট ডিলিট প্রিন্ট করুন  অভিযোগ করুন     

গল্পটি পড়েছেন ২৬১ জন


এ জাতীয় গল্প

গল্পটির রেটিং দিনঃ-

গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করুন

গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করতে আপনার একাউন্টে প্রবেশ করুন ... ধন্যবাদ...