গল্পেরঝুড়ির এ্যাপ ডাউনলোড করুন - get google app
গল্পেরঝুড়ি ফানবক্স ! এখন গল্পের সাথেও মজাও হবে! কুইজ খেলুন , অংক কষুন , বাড়িয়ে নিন আপনার দক্ষতা জিতে নিন রেওয়ার্ড !

সুপ্রিয় পাঠকগন আপনাদের অনেকে বিভিন্ন কিছু জানতে চেয়ে ম্যাসেজ দিয়েছেন কিন্তু আমরা আপনাদের ম্যাসেজের রিপ্লাই দিতে পারিনাই তার কারন আপনারা নিবন্ধন না করে ম্যাসেজ দিয়েছেন ... তাই আপনাদের কাছে অনুরোধ কিছু বলার থাকলে প্রথমে নিবন্ধন করুন তারপর লগইন করে ম্যাসেজ দিন যাতে রিপ্লাই দেওয়া সম্ভব হয় ...

সুপ্রিয় গল্পেরঝুরিয়ান... জিজেতে আজে বাজে কমেন্ট করা থেকে বিরত থাকুন ... অন্যথায় আপনার আইডি বা কমেন্ট ব্লক করা হবে... আর গল্প দেওয়ার ক্ষেত্রে গল্প দেওয়ার নিয়ম মেনে চলুন ... সার্বিকভাবে জিজের নীতিমালা মেনে চলার চেস্টা করুন ...

হঠাৎ করেই পরিচয়

"রোম্যান্টিক" বিভাগে গল্পটি দিয়েছেন গল্পের ঝুরিয়ান মোঃআলমামুন আলম (আরজু) (৬১ পয়েন্ট)



আজ ভালো লাগছিলো না তাই একটা রেষ্টুরেন্টে গেলাম একা একা বসে কফি খাচ্ছি এমন সময় একটা মেয়ে এসে আমার সামনে বসলো চিনি না জানি দূর আমি আবার ততটা খেয়াল করিনি ! তো যাইহোক কফি খাচ্ছি এমন সময় মেয়েটা আমাকে ডাক দিলো---> মেয়ে: জাহিদ......! আমি তো চমকে উঠলাম চিনি না না জানি না হঠাৎ মেয়েটা ডাক দিলো আর মেয়েটার দিকে তাকাতেই অবাক হলাম কারন হিজাব পরা এবং র্পদাশিল ! তো এরকম ভাবতে ভাবতে আবার ডাক দিলো---> মেয়ে: এই আমি আপনাকে ডাকছি ! আমি: হুম সেটাইতো ভাবছি? মেয়ে: কি ভাবছেন ? আমি: আমি এর আগে কথায়ে আপনাকে দেখিনি তারপর আপনাকে চিনিও না ! মেয়ে: ওহহ আচ্ছা আসলে আমি আপনার প্রতিটা গল্প পড়ি বিশেষ করে আপনার গল্পগুলো আমার খুব ভালো লাগে ! আমি: তো গল্পের মানুষটিকে কি দেখার জন্য এখানে এসেছেন ? মেয়ে: আরে না আমি রেষ্টুরেন্টে প্রাই আসি তো দেখলাম আমার সামনে আপনি তাই ডাক দিলাম আমি: হুমম মনে হয় আপনি আমাকে দেখতে চেয়েছিলেন তাই ভাগ্য আপনাকে দেখিয়েছে ! মেয়ে: এইযে আমি আবার কখন আপনাকে দেখতে চেলাম ? আমি: কেনো মনে মনে ! মেয়ে: আমার বয়েই গেছে আপনার সাথে দেখা করতে! আমি: আমার মনে হয় কি জানেন আপনার হয়তো মন নেই তাই কাওকে দেখতে বয়েই যায় তাই না ! মেয়ে: হুম সবার মতো আমার এত্ত বড় মন নেই ঠিক আছে ! আমি: কেন অন্য গ্রহ থেকে এসেছেন নাকি ? মেয়ে: উফফ আপনি না কেমন যানি আর শুনুন রেষ্টুরেন্টে এসে দেখি আপনাকে তাই দেখলাম কেন যে দেখা হলো দূর ! আমি: কি আর করার গরিব মানুষ তো তাই কেওর দেখতে ইচ্ছা হয় না ! মেয়ে: আপনি গরিব কিভাবে? আমি: যার কোনো অঙ্গ পতঙ্গতে সমস্যা সে গরিব জানেন না ? মেয়ে: আপনি তো ঠিক আছেন তাহলে কথায়ে সমস্যা ? আমি: দেখেন না আমার চোখে সমস্যা তাই কত বড় চশমা পরছি আর তাই তো আমি গরিব ! মেয়ে: হা-হা-হা আপনি না আসলেই হাসাতে পারেন আপনার গল্প গুলোতে ও ! আমি: তাই নাকি এইযে আবার আমার প্রেমে পড়ে যেয়েন না কিন্তু ! মেয়ে: হইছে থাক আমার এত ঠেকা পরে নি যে আপনার সাথে প্রেমে পরবো[ খুব রেগে ] আমি: আহারে আপনি কষ্ট পেয়েছে ? মেয়ে:..........! আমি: আরে রাগ করেছেন নাকি আমি এরকমি মানুষের সাথে একটু দুষ্টামি করি আচ্ছা সরি ! মেয়ে: ইশশ কত ঢং মেয়ে পেলে তো এরকমি করবেন কানা কথাকার ! আমি: কি ?আমি কানা ?আপনি একটা রহিঙ্গা...! এরকমি কিছুক্ষন ঝোগরা করলাম যে যাকে পচাতে পারে অতঃপর মেয়েটা বল্লো---> মেয়ে: উফফ আপনার সাথে ঝোগরা করে পারবো না ! আমি: তাহলে আমি জিতে গেলাম মেয়েরাই যে সব পারে তা কখনো হয় নাকি ছেলেরাও পারে বুঝলেন ! মেয়ে: আমি কি বলেছি যে মেয়েরাই সব পারে ? আমি: একটা জিনিস পারে না ! মেয়ে: কি সেটা ? আমি: মেয়েরা ডিম পারতে পারে না ! মেয়ে: হা-হা-হা আপনি মনে হয় পারেন ? আমি: এইযে গাধার মতো প্রশ্ন করলেন মোরগ রা কি কখনো ডিম পারে ডিমতো পারে মুরগিরা ! মেয়ে: কি আমি মুরগি ? আমি: জানি না কিন্তু আপনি রাগ করলে আপনাকে খুব ভালো লাগে ! মেয়ে: ওমা তাই বুঝি তা কিভাবে লাগে আমার তো শুধু চোখ দেখা যায় ! আমি: ঐ চোখ দুটিই খুব ভালো লাগে ! মেয়ে: হয়েছে আপনারা লেখকরা এরকমি রোমান্টিক! আচ্ছা আমার কচিং যেতে হবে পরে দেখা হবে ! আমি: এই কিভাবে দেখা হবে ? দূর চলেই গেলো যাইহোক এতক্ষন যার সাথে কথা বল্লাম অজানা একটি মেয়ে কিভাবে যে আপন করে ফেল্লাম আর আমি এরকমি যে কাওকে আপন করে ফেলি ! এখন মেয়েটাকে যে কথায়ে পাই কথায়ে থাকে কথায়ে পড়ে কিসে পড়ে বিশেষ করে নামটা ও জানতে পারলাম না আসলে মেয়েটাকে আমার খুব ভালো লেগেছে ! অতঃপর বাসায়ে রওনা হলাম তো সন্ধ্যায় বাসায়ে গেলাম ফ্রেশ হয়ে তখনি একটা ঘুম দিলাম অতঃপর রাত ১১টা উঠলাম ! উঠেই দেখি জাকিয়া নামে কে যানো মেসেজ রিকয়েষ্ট দিছে---> মেয়ে: ঐ কানা বাসায়ে গিয়েছেন ? আমি তো অবাক হলাম যে হঠাৎকরে কে আমাকে কানা বল্লো তো তখন আমি বল্লাম---> আমি: আচ্ছা আপনি কি আমাকে চিনেন ? মেয়ে: ওরে বাবা ছেলে দেখি ভয় পেয়েছে ! আমি: ঠিকবুঝলাম না ! মেয়ে: তখন তো খুব ভালোই ঝোগরা করছিলেন আর এখন দেখি বেজা বিড়াল হাহাহা ! আমি তখন অবাক হয়ে গেলাম এটা আর কেও না সেই রেষ্টুরেন্টের মেয়েটা ! মনে হয় স্বপ্ন দেখছি পরে বল্লাম---> আমি: এইভাবে চরের মতো কানা বল্লে তো যে কেও ভয় পাবে ! মেয়ে: কি আমি চোর আপনি একটা কানা ডাকাত! আমি: কেন আপনার ঝলে নাকি ? মেয়ে: ঝলবে কেনো ? আমি: আপনি যে ডাকাত হতে পারেন নি তাই ! মেয়ে: প্লিজ আপনি একরম ভাবে কথা বলবেন না আমার রাগ হয় ! আমি: তাহলে কিভাবে বলবো [বাবু কি করো গো] এইভাবে ? মেয়ে: হায়রে এ কেমন লোক পৃথিবীতে বাস করে? আমি: কেনো হিংসে হয় [কপি ডায়লগ] মেয়ে: আচ্ছা বাদ দিনতো আর আপনাকে সেই কবে ফ্রেন্ড রিকয়েষ্ট দিয়েছিলাম এখনো একসেপ্ট করলেন না কেনো? আমি: কই কবে পাঠিয়েছেন ? মেয়ে: এইতো অনেক দিন আগে যখন থেকে আপনার গল্প গুলা পরা শুরু করেছি ! আমি: আহারে আপনার কি কষ্ট এখনো জুলে আছেন! মেয়ে: কথায়ে জুলে আছি ? আমি: কেনো আমার আইডিতে কত সুন্দর জুলে আছেন দেইখেন আবার বাতাস আসলে উরে যেয়েন না ! মেয়ে: দেখুন একসেপ্ট করলে করবেন না করলে নাই কারন আপনারা ফেমাস মানুষ ! আমি: আহারে ফাইট্টা যায় মনডা ফাইট্টা যায় ! মেয়ে: দূর বায় আপনি আপনার মন নিয়ে থাকুন! আমি: এই সরি একসেপ্ট করলাম তো ! মেয়ে: আরে গাধা কত রাত হইছে ঘুমাবো গুড নাইট ! আমি: ওকে গুড নাইট! অতঃপর সকালে উঠলাম নাস্তা করলাম পরে ফেসবুকে ডুকলাম দেখি সেই জাকিয়া মেয়েটি মেসেজ দিলো---> মেয়ে: শুভ সকাল ! আমি: শুভ সকাল !অবাক লাগছে ! মেয়ে: কেনো ? আমি: এইযে আপনি এত সকালে উঠেন তাই ! মেয়ে: আমি প্রতিদিন ফযরের সময় উঠে নামায পরি তো সকালে তো উঠতেই হবে তাই না ! আমি: মাশাআল্লাহ !ইদানিং আমাকে একটু সয়তানে দরছে তো তাই নামায পরতে যাওয়া হয় না ! মেয়ে: কেনো সয়তানকে পিটাটে পারেন না ? আমি: পারিনা তো পিটাটে? মেয়ে: বুঝেছি আপনাকে পিটালে ঠিক হবে ! আমি: অবশ্যই আমাকে একটু পিটাবেন কখনো মেয়েদের পিটানি খাই নি ! মেয়ে: হাহাহা ! আমি: আচ্ছা আপার পরিচয় তো এখনো জানতে পারলাম না ? মেয়ে: আমি একজন মানুষ এটাই আমার পরিচয় ! আমি: আরে তা তো বুঝলাম কিন্তু কথায়ে থাকেন কিসে পরেন তা তো জানতে পারলাম না ? মেয়ে: এগুলা কি জানাটা গুরুত্ব পূর্ন ? আমি: ওহহ আচ্ছা সরি ! মেয়ে: আরে সরি বলতে হবে না একটু মজা করলাম আমি ইন্টার ফাষ্ট ইয়ারে পরি বাবা মার এক মাত্র মেয়ে খুব আদরের বুঝলেন ! আমি: ওরে কি আদরের রে বাবা আমার মতো ছেলের সাথে আবার কথাও বলে চুপি চুপি ! মেয়ে: কি ?ঠিক আছে আজকের পর থেকে আর কথা বলবো না বায় ! আমি: এই সরি সরি আমি তো একটু মজা করলাম মেয়ে: এরকম মজা ভালো লাগে না ! আমি: তাহলে কিরকম মজা করবো গো ? মেয়ে: আবার ও ! আমি: আচ্ছা সরি ! মেয়ে: ঠিক আছে আচ্ছা আপনার পরিচয়টা বলুন ! আমি: গরিবের আবার পরিচয় থাকে নাকি ? মেয়ে: উফফ এই আপনি এতো গরিব গরিব বলেন ক্যান রাস্তায়ে কি ভিক্ষা করেন নাকি ? আমি: ও মোর খোদা আমনের এত্ত বড় থেরেড হইন্না মোর ডোর হরতে আছে ! মেয়ে: তাহলে গরিব গরিব বলেন কেনো আপনি ও একজন মানুষ ! আমি: আচ্ছা এইযে কানে ধরছি আর বলবো না ! মেয়ে: ঠিক আছে এইবার বলুন আপনার সর্ম্পকে ! আমি: এইতো ইন্টার ফাষ্ট ইয়ারে পরি বাবা মার তিন নম্বর ছেলে মানে দুষ্টুমি করি একটু ছোট তো তাই! মেয়ে: হাহাহা বুইড়া ছেলে বলে ছোট ছেলে ! আমি: এই আমার এখনো দাড়ি মোছ পাকে নাই তাহলে বুইড়া হলাম কি ভাবে ? মেয়ে: আপনাকে দেখলেই বুঝা যায় আপনি বুইড়া ! আমি: কি আমি বুইড়া আপনি তাহলে বুড়ি দাদী ! তো এরকমি চলতো আমাদের কথা হাসা হাসি বিশেষ করে ওর সাথেই কথা বলতাম ভালোই লাগতো আস্তে আস্তে আপনি থেকে তুমি করে বলতে লাগলাম কারন ও আমাকে বেষ্ট ফ্রেন্ড বানিয়ে ছিলো যেহেতু আমরা একই ইয়ারে পরি তাই তো একদিন বল্লো---> মেয়ে: আচ্ছা জাহিদ আমরা তো ফ্রেন্ড তাহলে আমরা তুই করে বলি ? তখন ওর মুখে কথা টা শুনে খারাপ লাগলো কারন আমি ওকে ভালোবেসে ফেলি কিন্তু ওকে কখনো বলতে পারি না আর ভালোবাসার মানুষকে প্রথম প্রথম তুই করে বলাটা অনেক কষ্টকর যাইহোক তখন ওকে বল্লাম---> আমি: কি দরকার আমরা তুমি করেই বলি ? মেয়ে: আরে বাবা তুমি তো আমার ফ্রেন্ড তাহলে তুই করে বলতে প্রবলেমটা কি বলো ? আমি: তবুও আমি পারবো না! মেয়ে: কেনো পারবে না ? আমি: এমনি ! অতঃপর ও আর রিপলে দিলো না কারন এতে রাগ করেছে আমি আবার ওর রাগ সহ্য করতে পারি না তো আবার ওকে বল্লাম--> আচ্ছা ঠিক আছে তুই করে বলবো ! মেয়ে: সত্যি ? আমি: চার সত্যি ! মেয়ে: হাহাহা সবাই বলে তিন সত্যি তুই চার সত্যি বল্লি কেনো ? আমি: এটা তোর জন্য বিশেষ এক অফার ! এরকম ওকে প্রথম প্রথম তুই করে বলতে কষ্ট হতো কিন্তু পরে অব্যস্থ হয়ে গিয়েছে একদিন ও বল্লো---> মেয়ে: আচ্ছা দোষ্ট তুই যে এত গল্প লেখিস এই গল্পের পিছনে কি তোর কেও নেই ? আমি: হঠাৎ এই প্রশ্ন ? মেয়ে: এমনি ! আমি: নারে এখনো সেরকম কাওকে পাইনি কিন্তু খুব তারা তারি পেয়ে যাবো ! মেয়ে: ওমা তাই নাকি! আমি: হুম আচ্ছা তুই তো অনেক ভালো একটা মেয়ে নামায কালাম পরিস এবং পর্দাশিল ও এমনকি আমিতো তোর ঐ চোখ ছারা এখনো দেখি নেই তো তোর ভালোবাসার মানুষ নেই ? মেয়ে: আমি এইসব প্রেম ভালোবাসা বিশ্বাস করি না তাই আমার ঐসব বিএফ টিএফ নেই ! আমি: কিন্তু কেনো বিশ্বাস করিস না ? মেয়ে: এখনকার ভালোবাসা মানে হাত ধরা ধরি পরে জরিয়ে ধরা আরো কত যে কি এমন কি প্রেম হতে না হতেই শেষ হয়ে যায় তাই আমি এগুলা বিশ্বাস করি না ! আমি: কিন্তু সবাইতো এক না ! মেয়ে: আচ্ছা সেই কখন থেকে খালি এই কথা নিয়েই বলে যাচ্ছিস কাহিনাটা কি ? আমি: না না কিছু না ! কি আর করার ও যে কথা গুলো বল্লো এতে আরো ওকে ভালোবাসার কথা বলাটা কঠিন হয়ে গেলো এদিক দিয়ে ওকে আরো ভালোলাগতে শুরু হলো দূর আমার মনের কথা ওকে বলে দিবো যা হওয়ার হবে যাইহোক আজ ওকে বল্লাম---> আমি আচ্ছা আমি না তোকে অনেক দিন ধরে একটা কথা বলতে চাই কিন্তু পারছি না তাই আজ বলবো! মেয়ে: ঠিক আছে কিন্তু এমন কিছু বলবি না যাতে আমি কষ্ট পাই ! তখন চিন্তায় পরে গেলাম যদি কষ্ট পায় তো ওকে বলতে লাগলাম আমি: আসলে আমি যেদিন তোকে প্রথম দেখি সেদিন থেকেই আমার ভালো লাগে আস্তে আস্তে তোকে খুব ভালোবেসে ফেলি দিবি কি তোর সাথে সারাজীবন থাকার একটু খানি অধিকার ! মেয়ে: দেখ জাহিদ তুই আমার ভালো বন্ধু মানে বেষ্ট ফ্রেন্ড এখন তুই যদি এই সব বলিস তাহলে তো খারাপ লাগবে তাই না আর আমি তো তকে বল্লাম আমি এই প্রেম ভালোবাসা বিশ্বাস করি না যাইহোক প্লিজ আমাকে ক্ষমা করে দে আমি পারবো না ! আমি: একবার ভালোবেসে দেখ সত্যি তোকে খুব ভালোবাসি ! মেয়ে: সরি দোষ্ট পারবো না ! অতঃপর আর কোনো কথা বল্লো না কিন্তু আসলেই খুব ভালোবেসে ফেলছিলাম তো এরকম ওকে প্রতিদিন বুঝাতাম কিন্তু ও বুঝতো না আস্তে আস্তে ও আমাকে ইগনোর করা শুরু করে কি আর করার কাওকে খুব বেশি ভালোবাসলে যা হয় তো লাষ্ট ওকে বল্লাম---> আমি: তুই কি সত্যি ভালোবাসবি না ? মেয়ে: কতবার বলবো এক কথা পারবো না ! আমি: ওকে কখনো আমি যদি ভুল করে থাকি তাহলে মাফ করে দিস! সেদিন থেকে আইডি ডিএক্টিব করে রাখি দির্ঘ একমাস এই এক মাস ওকে ছারাতো কষ্ট হয়েছে তবুও থাকার চেষ্টা করেছি তো এরকম একমাস পর আইডি এক্টিব করলাম কিছুক্ষনের মধ্যেই দেখি সেই মেয়েটি মেসেজ দিলো---> মেয়ে: হারামযাদা শয়তান একটু ইগনোর করছি দেখে যোগাযোগ করা শেষ তুই আর আমার সাথে কথা বলবি না! আমি: আপনি তো আমাকে বল্লেন যে ভালোবাসবেন না তাহলে ? মেয়ে: আমিতো তখন তকে পরিক্ষা করার জন্য বলছিলাম যানিস তোকে কতটা মিস করছি আমি | আমি: এই গরিবকে মিস করে কি লাব ? মেয়ে: থাপ্পর দিয়ে দাত সব ফালাইয়া দিবো বলছিনা গরিব বলবি না | আমি: যাইহোক কিছু বলার থাকলে বলেন আমার হাতে সময় নেই | মেয়ে: মানে ? আমি: আমার জি এফ এর সাথে বের হতে হবে তাই | [মিথ্যা বল্লাম ওকে দিখি কি বলে ] মেয়ে: তোর জি এফ মানে ? আমি: আমি এখন অন্য একজনকে ভালোবাসি | মেয়ে: ওহ আচ্ছা একটু দেখা করতে পারবি ? আমি: সময় নেই | মেয়ে: প্লিজ একটু দেখা করবো | আমি: কথায়ে ? মেয়ে: রেষ্টুরেন্টে | আমি: ওকে | অতঃপর গেলাম গিয়ে দেখি কথাও খুঝে পাচ্ছি না হঠাৎ কে যানো ডাক দিলো এক অপূরুপ মেয়ে যা দেখতে কল্পনার জগৎতের পরির মতো তো আবার ডাক দিলো মেয়ে: আরে শয়তান আমি জাকিয়া | আমিতো অবাক এ কে জার চোখ ছারা কিছুই দেখা যেতো না আজ সে আমার সামনে পরে আমি বল্লাম আমি: কি বলবেন তারাতারি বলেন সময় নেই | মেয়ে: প্লিজ এরকম করিস না তুই আগে এরকম ছিলি না | আমি: এখন আমি এরকম | মেয়ে: আচ্ছা সত্যি কি তোর জি এফ আছে ? আমি: হ্যা কোনো সমস্যা ? মেয়ে: [কান্না করে ]সরি আমি তোকে অনেক কষ্ট দিছি প্লিজ আমাকে ক্ষমা করে দে আমিও সত্যি তোকে খুব ভালোবেসে ফেলেছি| আমি: তা তখন বল্লেন না কেনো ? মেয়ে: আমি তখন তোকে পরিক্ষা করতে চেয়েছিলাম কিন্তু আমিও তোকে ভালোবেসে ফেলেছি | আমি: এখন তো আমার জি এফ আছে সরি পারবো না | এই কথা শুনে আরো কান্না করা শুরু অতঃপর ওর কাছে গিয়ে ওর চোখের পানি গুলোমুছে দিচ্ছি আর বলছি আমি: আরে গাদা আমার কোনো জি এফ নেই আমি এখনো তকে ভালোবাসি এটা তো তোর মুখ থেকে বলার জন্য অবিনয় করছি মেয়ে: [ঠাসস] শয়তান জানিস তোকে আমি কত মিস করছি | আমি: আহারে আমার বউটা কষ্ট পাইছে | মেয়ে: শয়তান জরিয়ে দোর | অতঃপর ওকে শক্ত করে জরিয়ে দরলাম খুব ভালোবাসি পাগলি সমাপ্ত


এডিট ডিলিট প্রিন্ট করুন  অভিযোগ করুন     

গল্পটি পড়েছেন ১০৮৩ জন


এ জাতীয় গল্প

→ ☕ক্যাঙারুর পরিচয়☕
→ মুসলমানের পরিচয়
→ ★Samir★ আমার পরিচয়☺
→ জিজেতে আমার পরিচয়
→ মেঘ-বৃষ্টিতে আল্লাহর পরিচয়
→ হঠাৎ একদিন.......!!!!
→ হঠাৎ কেন এ চিঠি!!! আরবিতে লিখা ছিল ঐ চিঠিখানা
→ মানুষের আকৃতিতে আল্লাহর পরিচয়
→ কোরআনে আল্লাহর পরিচয়
→ আমার মাঝে আল্লাহর পরিচয়

গল্পটির রেটিং দিনঃ-

গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করুন

গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করতে আপনার একাউন্টে প্রবেশ করুন ... ধন্যবাদ...