গল্পেরঝুড়ির এ্যাপ ডাউনলোড করুন - get google app
গল্পেরঝুড়ি ফানবক্স ! এখন গল্পের সাথেও মজাও হবে! কুইজ খেলুন , অংক কষুন , বাড়িয়ে নিন আপনার দক্ষতা জিতে নিন রেওয়ার্ড !

যারা একটি গল্পে অযাচিত কমেন্ট করছেন তারা অবস্যাই আমাদের দৃষ্টিতে আছেন ... পয়েন্ট বাড়াতে শুধু শুধু কমেন্ট করবেন না ... অনেকে হয়ত ভুলে গিয়েছেন পয়েন্ট এর পাশাপাশি ডিমেরিট পয়েন্ট নামক একটা বিষয় ও রয়েছে ... একটি ডিমেরিট পয়েন্ট হলে তার পয়েন্টের ২৫% নষ্ট হয়ে যাবে এবং তারপর ৫০% ৭৫% কেটে নেওয়া হবে... তাই শুধু শুধু একই কমেন্ট বারবার করবেন না... ধন্যবাদ...

সুপ্রিয় গল্পেরঝুরিয়ান... জিজেতে আজে বাজে কমেন্ট করা থেকে বিরত থাকুন ... অন্যথায় আপনার আইডি বা কমেন্ট ব্লক করা হবে... আর গল্প দেওয়ার ক্ষেত্রে গল্প দেওয়ার নিয়ম মেনে চলুন ... সার্বিকভাবে জিজের নীতিমালা মেনে চলার চেস্টা করুন ...

সময় ও নদীর স্রোত

"মজার গল্প" বিভাগে গল্পটি দিয়েছেন গল্পের ঝুরিয়ান Md.Ajaharul Islam Rony (০ পয়েন্ট)



গদ্যকার্টুন সময় ও নদীর স্রোত অবশ্যই অপেক্ষা করে! সময় ও নদীর স্রোত কারও জন্য অপেক্ষা করে না। মুখের কথা এবং ধনুকের তির একবার ছুটে গেলে আর ফেরে না। এই ধরনের কতগুলো কথা প্রচলিত আছে। কিন্তু এগুলো প্রাচীনকালের ধারণা। বর্তমান যুগ বিজ্ঞানের যুগ। পরীক্ষা দ্বারা এসব প্রাচীন ধারণা মিথ্যা প্রমাণ করে দেওয়া যায়। আমরা তা–ই দেব। ১. তুমি যে টিউব থেকে টুথপেস্ট বের করো, সেটা আর সেই টিউবে ঢোকানো সম্ভব নয়। আমি এটা প্রায়ই করে থাকি। বেশি করে পেস্ট বের করে ফেলি। তারপর পেস্টের মধ্যে টিউবের মুখটা ধরি। আস্তে চাপ দিয়ে টিউবটা ফোলাতে থাকি। টুথপেস্ট টিউবে ঢুকে পড়ে। ২. ধনুক থেকে ছুটে যাওয়া তির কখনো ফিরিয়ে আনা যায় না। এটা না যাওয়ার কোনোই কারণ নেই। ধনুকের তির আর কত দূর যাবে। যে কেউ দৌড়ে গিয়ে তিরটা কুড়িয়ে আনতে পারবে। যেকোনো বাচ্চা ছেলেকে লাগিয়ে দিলে সে প্রতিবার তির নিক্ষেপের পর দৌড়ে গিয়ে তা ফিরিয়ে আনতে পারবে। এই মুহূর্তে এ বিষয়ে একটা কৌতুক বলে ফেলা যায়। একজন জাপানি, একজন আমেরিকান ও আরেকজন বাঙালি লঞ্চে ভ্রমণ করছে এবং গল্পগুজব করছে। জাপানি একটা ঘড়ি নদীতে ফেলে দিয়ে বলল, ‘আমাদের দেশে বহুত ঘড়ি আছে।’ আমেরিকানটা ১০০ ডলার পানিতে ফেলে দিয়ে বলল, ‘আমাদের বহুত ডলার আছে।’ বাংলাদেশিটা একটা বালককে পানিতে ফেলে দিল। বলল, ‘আমাদের দেশে মানুষ অনেক আছে।’ একটু পরে ছেলেটা ডুবসাঁতার দিয়ে ঘড়িটা আর ডলারটা তুলে নিয়ে লঞ্চে উঠে পড়ল। ৩. সময় ও নদীর স্রোত কারও জন্য অপেক্ষা করে না। করাতে চাইলেই করে। প্রথমে আসি সময়ে। আগে মনে করা হতো, সময় বয়েই চলেছে। কিন্তু আইনস্টাইনের থিওরি অব রিলেটিভিটির পর আমরা জানি, সময় আসলে আপেক্ষিক। সময় সারা জগতে একইভাবে বয়ে চলে না। স্টিফেন হকিংয়ের আ ব্রিফ হিস্ট্রি অব টাইম বইয়ে আছে, দুটি যমজ ছেলের একটাকে রাখা হলো সমুদ্রসৈকতে, আরেকটাকে রাখা হলো পাহাড়ের চূড়ায়। অনেক বছর পর দেখা যাবে, দুই ছেলের বয়স দুই রকম হয়েছে। কারণ, উচ্চতাভেদে সময়ের গতিও ভিন্ন। হকিং বলেছেন, এটা কোনো কাল্পনিক কাহিনি নয়। স্যাটেলাইট থেকে যখন সিগন্যাল পাঠানো হয়, তখন একেক উচ্চতায় সময় যে একেক গতিতে চলছে, তা হিসাবের মধ্যে নিয়েই পাঠানো হয়। আইজ্যাক আসিমভের একটা সায়েন্স ফিকশন আছে। একবার শেক্সপিয়ার টাইম মেশিনে চড়ে বর্তমানের পৃথিবীতে চলে আসেন। তিনি একটা বিশ্ববিদ্যালয়ের ইংরেজি সাহিত্যের ক্লাসে ঢুকে পড়েন। সেই ক্লাসে শেক্সপিয়ার বিষয়েই পড়ানো হচ্ছিল। শেক্সপিয়ার সেই ক্লাসে ঢুকে পড়েন। তিনি বাধ্য ছাত্রের মতো ক্লাস করেন। তারপর পরীক্ষা। শেক্সপিয়ারও পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করেন এবং তিনি সেই পরীক্ষায় ফেল করেন। কাজেই সময় কারও জন্য অপেক্ষা করে না, এটা ঠিক নয়। যেমন আলো সব সময় সরলরেখার মতো সোজা চলে এটাও ঠিক নয়। আলো যখন কোনো বড় গ্রহের পাশ দিয়ে যায়, তখন সেই গ্রহের টানে আলো বেঁকে যায়। আইনস্টাইন এটা বলেছিলেন। বলেছিলেন, সূর্যগ্রহণের সময় এই বাঁক দেখতে পাওয়া যাবে। তাঁর কথা সত্য বলে প্রমাণিত হয়েছে। সূর্যগ্রহণের দিন দক্ষিণ আফ্রিকায় গিয়ে বৈজ্ঞানিকেরা প্রমাণ করেছেন যে আলো বেঁকে যায়। এবার আসি ‘নদীর স্রোত কারও জন্য অপেক্ষা করে না’—এই কথায়। বাঁধ দিলেই নদীর স্রোত অপেক্ষা করে। এই রকম নদী আমি কয়েকটা দেখেছি। নদী সমুদ্রে গিয়ে মিশছে। নদীর উচ্চতা আর সমুদ্রের উচ্চতা এক নয়। তো আমরা জাহাজে করে যাচ্ছি। প্রথমে জাহাজটা একটা খালে ঢোকানো হয়। তারপর খালের মুখটা বন্ধ করে দেওয়া হয়। তারপর সেই খালের পানির উচ্চতা বেড়ে সমুদ্রের সমান হয়। তখন খালের মুখ খুলে দেওয়া হয়। কাজেই মানুষ চাইলেই নদীর গতিপথ বদলে দিতে পারে। নদীর স্রোতকে নিজের মর্জিমতো বইয়ে দিতে বা থামিয়ে দিতে পারে। এটা নির্ভর করছে আপনার ক্ষমতার ওপরে। আপনার যদি ক্ষমতা থেকে থাকে, তাহলে আপনি অবশ্যই নদীর স্রোতকে নিয়ন্ত্রণ করতে পারবেন। ৪. কামান থেকে নিক্ষিপ্ত গোলা আর ফিরিয়ে আনা যায় না। এটাও সত্য নয়। আগেকার দিনে কামানের মুখে মানুষকে বেঁধে গোলা ছোড়া হতো, এটা ছিল ভয়ংকর এক শাস্তি। কাজেই গোলাটা কিসের তৈরি, তার ওপরে নির্ভর করছে। আমরা জানি, খেলনা বন্দুকের রাবারের গুলি বারবার করে ছোড়া যায়। কাজেই কামানের গোলাটা যদি রিউইজেবল করে বানানো যায়, তাহলে কামানের ছুড়ে মারা গোলাও আবার ব্যবহার করা যাবে। ৫. মুখ থেকে ছুটে যাওয়া কথা আর ফিরিয়ে আনা যায় না। এটাও নির্ভর করছে আপনার ক্ষমতার ওপরে। আপনার যদি ক্ষমতা থাকে, তাহলে আপনি সকালে একটা কথা, বিকেলে আরেকটা কথা বলতে পারেন। কোনো অসুবিধা নেই। আবার আপনি যদি ক্ষমতাহীন হন, তাহলে আপনার কথার কি–বা দাম। একটা কৌতুক বলি। তিন দেশের পুলিশকে ট্রেনিং দেওয়া হলো। ট্রেনিং শেষে পুলিশদের বলা হলো, ‘যাও, বন থেকে হরিণ ধরে আনো।’ জাপানের পুলিশ এক ঘণ্টায় একটা হরিণ ধরে আনল। আমেরিকার পুলিশ দুই ঘণ্টা পরে ৫০০টা হরিণ এনে হাজির করল। আর তৃতীয় দেশের পুলিশ একটা ছাগল ধরে আনল দুই দিন পর। ‘কী ব্যাপার? ছাগল কেন আনলা? হরিণ আনার কথা।’ ‘খালি তারে রিমান্ডে নিতে দেন। সে নিজেই স্বীকার করব, সে হরিণ।’ ‘আনতে দুই দিন লাগল? ‘আরে, ধরছি তো দুই দিন আগেই, কিন্তু শ্যোন অ্যারেস্ট দেখাব আজকে...।’ আপনি যদি ক্ষমতাবান হন, তাহলে আপনার ইচ্ছামতো কথার নড়চড় হতে পারে। আর আপনি যদি ক্ষমতার শিকার হন তাহলে ক্ষমতাবানেরা যখন যা বলবেন, তখন তা–ই আপনাকে মানতে হবে। মুখ থেকে বেরিয়ে যাওয়া কথাও গিলে ফেলা যায়। অসুবিধা হয় না। তবে চীনা বিজ্ঞানীদের বললে তাঁরা এই যন্ত্র বানিয়ে ফেলবেন, যেখানে মুখ থেকে বেরিয়ে যাওয়া কথাকে ডিলিট করা যাবে, ফিরিয়েও আনা যাবে। শেষতম উপদেশ: যা তুমি আজ করতে পারো, তা কালকের জন্য ফেলে রেখো না।


এডিট ডিলিট প্রিন্ট করুন  অভিযোগ করুন     

গল্পটি পড়েছেন ৪৯১ জন


এ জাতীয় গল্প

→ হঠাৎ ফিরে পাওয়া তারপর.............
→ চুক্তি নিয়ে তালেবান আমীরের আহবান ও অনুভূতি
→ জান্নাতের সঙ্গী সাথী ও হুর!!!!!
→ মুমিন সব সময় আল্লাহর কাছে প্রিয়।
→ মুসলীমরা বলে কোরআনের আলোকে দেশ চালাতে,এটা অমুসলীমদের জন্যও কীভাবে কল্যান বয়ে আনবে?মানুষ তার ইচ্ছামত চালাবে স্রষ্টার বানী কেন গ্রহন করবে?
→ ~দ্য আলকেমিস্ট-পাওলো কোয়েলহো(বুক রিভিউ)।
→ আজও মনে গভীর বনে
→ জিজেসদের নিয়ে সারার মৃত্যুর রহস্য উদঘাটন[তৃতীয় ও অন্তিম পর্ব]
→ "এখনও আমি অপেখা করছি তোমার জন্য!!!!" পর্ব-২
→ ⭐ডেবিট ও ক্রেডিট⭐

গল্পটির রেটিং দিনঃ-

গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করুন

গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করতে আপনার একাউন্টে প্রবেশ করুন ... ধন্যবাদ...