গল্পেরঝুড়ির এ্যাপ ডাউনলোড করুন - get google app
গল্পেরঝুড়ি ফানবক্স ! এখন গল্পের সাথেও মজাও হবে! কুইজ খেলুন , অংক কষুন , বাড়িয়ে নিন আপনার দক্ষতা জিতে নিন রেওয়ার্ড !

যারা একটি গল্পে অযাচিত কমেন্ট করছেন তারা অবস্যাই আমাদের দৃষ্টিতে আছেন ... পয়েন্ট বাড়াতে শুধু শুধু কমেন্ট করবেন না ... অনেকে হয়ত ভুলে গিয়েছেন পয়েন্ট এর পাশাপাশি ডিমেরিট পয়েন্ট নামক একটা বিষয় ও রয়েছে ... একটি ডিমেরিট পয়েন্ট হলে তার পয়েন্টের ২৫% নষ্ট হয়ে যাবে এবং তারপর ৫০% ৭৫% কেটে নেওয়া হবে... তাই শুধু শুধু একই কমেন্ট বারবার করবেন না... ধন্যবাদ...

সুপ্রিয় গল্পেরঝুরিয়ান... জিজেতে আজে বাজে কমেন্ট করা থেকে বিরত থাকুন ... অন্যথায় আপনার আইডি বা কমেন্ট ব্লক করা হবে... আর গল্প দেওয়ার ক্ষেত্রে গল্প দেওয়ার নিয়ম মেনে চলুন ... সার্বিকভাবে জিজের নীতিমালা মেনে চলার চেস্টা করুন ...

গন্ধগোকুল আর খাটাশ একই জিনিস

"মজার অভিজ্ঞতা" বিভাগে গল্পটি দিয়েছেন গল্পের ঝুরিয়ান mim (০ পয়েন্ট)



★লেখকঃ মিম★ গ্রীষ্ম কাল। আমরা চলছি ৬ জন। আমি, মিনা, মাহি, রাজু, সাজু আর রবি। ৬ জনই সাইকেলে করে যাচ্ছি।এই গরমে গা ঘেমে একদম গোসল হয়ে যাচ্ছে। তবুও থামতে পারছি না কেউ অনেক দূরের পথ তো। এতখন যেখানে যাবার জন্য এত ব্যাস্ততা সেই গন্তব্য হল আমাদের গ্রাম থেকে ৫ মাইল দূরে শীতলপুর গ্রামের মনু মিয়ার বাড়ি। আর তার বাড়ি যাবার কারন হচ্ছে গন্ধগোকুল।তারা নাকি দূর গা থেকে গন্ধগোকুল ধরে এনেছে। আমাদের গ্রামের অনেক মানুষ তা দেখতে গেছে। আমরা আর বাদ যাবো কেনো? তাই আমরাও চলছি গন্ধগোকুল দেখতে। বাড়িথেকে তো আসতেই দেবে না। এতদূরের পথ। কিন্তু কে শোনে কার কথা।আমাদের গ্রাম বা আমাদের আশেপাশের গ্রামে নতুন কোনো জিনিস আসবে আর আমরা দেখতে পাবো না তা তো কখনোই সম্ভব নয়। তাই জোর করে হলেও আমরা ৫ মাইল পথ পেরিয়ে গন্ধগোকুল দেখতে যাচ্ছি। গ্রামের পথ সে তো যেনতেন কথা নয়। একেবারে বাজে রাস্তা। তারপর আবার বিল পেরিয়ে, ভাঙা সাকো পেরিয়ে খেয়া নদী পোরোলাম। আমাদের সবার অবস্থা তো কাহিল। আগেই বলেছিলাম। একসাথে সাইকেলসহ সবার খেয়া পার সম্ভব নয়। তাই প্রথমে গেলাম আমি, মিনা আর মাহি আর পরে এল রাজু, সাজু আর রবি। তারপর আবার কিছুদূর সরু পায়ে হিটার পথ। সেই পথ পার হয়ে আমরা শীতলপুর গ্রামে পৌছে গেলাম। এবার মনু মিয়ার বাড়িটাও খুজে নিয়ে তার বাড়ি হাজির হলাম। মনে যে সবাই কি আনন্দ পেলাম!! মনু মিয়াকে গন্ধগোকুলের কথাটে বললে উনি আমাদেরকে একটা খাচার কাছে নিয়ে গেলেন। তা দেখে আমাদেরতো পুরো চক্ষু চড়কগাছ। এত খাটাশ!!!তার মানে গন্ধগোকুল আর খাটাশ তার মানে এক জিনিস??? আমাদের সবার তো প্রান যায় যায় অবস্থা। এই খাটাশের যন্ত্রনায় আমাদের হাসমুরগিগুলো অস্থির ছিল এতদিন আর আজ এর যন্ত্রনায় আমরা অস্থির। আমাদের বাগানে তো এই গন্ধগোকুল ভুরি ভুরি আছে। গন্ধগোকুল আর খাটাশ একই কথা জানলে কে আসত এই দূরদেশে গন্ধগোকুল দেখতে। আমরা বাড়ির দিকে রওনা দিলাম বিষাদময় মনে। কিন্তু বাড়িতে জানতে পারলেতো মহাবিপদ। চলতে চলতেই বাড়ি ম্যানেজ করার বুদ্ধি আটল সাজু। আমরা সবাই একমত হলাম।


এডিট ডিলিট প্রিন্ট করুন  অভিযোগ করুন     

গল্পটি পড়েছেন ৩৬৭ জন


এ জাতীয় গল্প

→ ~দীঘির জলে কার ছায়া গো-হুমায়ূন আহমেদ(বুক রিভিউ)(আমার সবচেয়ে প্রিয় আরও একটা বই)।
→ একজন পিতার আর্তনাদ
→ ~আরণ্যক-বিভূতিভূষণ বন্দ্যেপাধ্যায়(বুক রিভিউ)
→ ~দুনিয়ার সবচেয়ে দামী জিনিস::আল্লাহর ৯৯ নাম।
→ কফি হাউসের সেই আড্ডাটা আজ আর নেই
→ রেডক্রস চিন্হ ইসলামি সংস্কৃতি আর নীতি নৈতিকতার বিরুধী।
→ তুমি আর আমি কে!
→ ডাকটার আর রুগী
→ ~ মৃত্যুর চেয়ে চরম সত্য আর কিছু নেই!
→ পৃথিবীর আরেক নাম সংগ্রাম

গল্পটির রেটিং দিনঃ-

গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করুন

গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করতে আপনার একাউন্টে প্রবেশ করুন ... ধন্যবাদ...