গল্পেরঝুড়ির এ্যাপ ডাউনলোড করুন - get google app
গল্পেরঝুড়ি ফানবক্স ! এখন গল্পের সাথেও মজাও হবে! কুইজ খেলুন , অংক কষুন , বাড়িয়ে নিন আপনার দক্ষতা জিতে নিন রেওয়ার্ড !

সুপ্রিয় গল্পের ঝুরিয়ান গন আপনারা শুধু মাত্র কৌতুক এবং হাদিস পোস্ট করবেন না.. যদি হাদিস /কৌতুক ঘটনা মুলক হয় এবং কৌতুক টি মজার গল্প শ্রেণি তে পরে তবে সমস্যা নেই অন্যথা পোস্ট টি পাবলিশ করা হবে না....আর ভিন্ন খবর শ্রেনিতে শুধুমাত্র সাধারন জ্ঞান গ্রহণযোগ্য নয়.. ভিন্ন ধরনের একটি বিশেষ খবর গ্রহণযোগ্যতা পাবে

সুপ্রিয় গল্পেরঝুরিয়ান... জিজেতে আজে বাজে কমেন্ট করা থেকে বিরত থাকুন ... অন্যথায় আপনার আইডি বা কমেন্ট ব্লক করা হবে... আর গল্প দেওয়ার ক্ষেত্রে গল্প দেওয়ার নিয়ম মেনে চলুন ... সার্বিকভাবে জিজের নীতিমালা মেনে চলার চেস্টা করুন ...

চন্দ্রমহল, গিলেতলা ও খানজাহান আলীর মাজার ভ্রমন -২

"ভ্রমণ কাহিনী" বিভাগে গল্পটি দিয়েছেন গল্পের ঝুরিয়ান mim (০ পয়েন্ট)



মেইন রোড থেকে চন্দ্রমহল একটু ভেতরের দিকে। ৫ টাকা ভাড়ার পথ। কিন্তু আমরা কেউই ভ্যানে উঠলাম না। সবাই হেটে হেটেই গেলাম। চন্দ্রমহলের চারপাশে যে প্রাচীর তাতে অনেকগুলো কবিতা খোদায় করা রয়েছে আমি কবিতাগুলোর ছবি তুলে রেখেছিলাম। প্রাচীরের চারপাশটা ভালো করে দেখতে লাগলাম। এদিকে আমাদের টিকিট কাটা হচ্ছে। সেখানে একটা ফটোক ছিলো। শিড়ি বেশ উঁচু। সেখানে দাড়িয়ে সবাই ছবি তুলছে আমিও কতগুলো তুললাম। রাস্তার বিপরীত পাশে নানা জিনিসের কতগুলো দোকান রয়েছে আমাদের অনেকেই সেখান থেকে বেশ কিছু কেনাকাটা করলো। যাই হোক এপাশে আমাদের টিকিট কাটা হয়ে গেছে। আমরা এবার চন্দ্রমহলের ভেতরে প্রবেশ করলাম। গেটেঢুকতেই পড়েছিলো একটি সূর্যমুখী ফুলের বাগান। আমরা এক সাইড থেকে দেখা শুরু করলাম। একটা বড় মহল আছে মাঝে আর চারপাশে অন্যান্য জিনিস। বিভিন্ন ধরনের মূর্তি তৈরি করা রয়েছে সেখানে। এসব মূর্তির মধ্য রয়েছে মানুষের ব্যাবসা বাণিজ্য,কৃষিকাজ,পাঠদান পদ্ধতি,গ্রাম্য পঞ্চায়েত,গৃহিণীদের কর্ম,হাটুরের হাট করা, কুয়ার পানিতে নারীর গোসল করা,পালকিতে করে বউ নিয়ে যাওয়া,গরুর গাড়িতে চড়া,জীবন বাচাতে কাটাতারের বেড়া পার হতে গিয়ে কেমন ক্ষত বিক্ষত হত মানুষের দেহ,কিভাবে মানুষকে স্বাস্হি দেওয়া হতো, সওদাগরের নৌকা,ঝিনুকের বুকে কিভাবে মুক্তা থাকে, কিভাবে আগে মানুষের উপর অত্যাচার করা হতো ইত্যাদি। সেখানে একটা পুকুর ছিল যার পাড়ে কিছু খাবার দোকান ছিলো। আমরা সেখান থেকে ফুসকা খেলাম, তারপর চিড়িয়াখানাটা একটু দেখলাম। বেশি কোনো প্রানী নেই। বানর, ময়ূর, কুমির এইসবই আছে। আমরা পুকুরের পাড় দিয়ে হেটে হেটে দিঘীর পাড়ে গেলাম। দিঘীর মাঝে একটা খাবারের দোকান। সেখানে যাওয়ার জন্য কাঠের তৈরি পথ। সেই পথে যেতে যেতে আমি কতগুলো ছবি তুললাম। তারপর দোকানে গিয়ে আম্মু আর আমি দুটো আইসক্রিম খেলাম। সেখান থেকে ফিরে এবার মেইন মহলের মধ্যে প্রবেশ করলাম। সেখানে পুরানো নানা জিনিস রয়েছে তখনকার দিনে যেগুলো ব্যবহৃত হতো। মহলের ২ তলায় প্রবেশ নিষেধ। মহলটা ভালো ভাবে ঘুরে দেখে আমরা দরজার সামনে আসলাম। সেখানে একটা ছোট পুকুর মত জায়গা। ওপারে যাওয়ার জন্য রয়েছে পানির নিচে রাস্তা। আমরা সেই রাস্তা দিয়ে ওপারে গেলাম। সেখানে ঝরনার ফোয়ারা ছিলো। আর কিছু মূর্তি ছিলো। ওদিকে একটা শিশুপার্কও ছিলো। কিন্তু সময় হয়ে গিয়েছিলো বলে আমাদের এখান থেকে বিদায় নিতে হলো। সবশেষে বাঘের মূর্তিটার সাথে কিছু ছবি তুলে আমরা চন্দ্রমহল থেকে বের হলাম। গাড়িতে এসে সবাই যা খাবার নিয়ে এসেছিলো তা খেতে শুরু করলো। আমরাও খিচুড়ি আর ডিম ভাজা খেলাম।সবার শেষ হলে গাড়ি ছেড়ে দিলো খান জাহান আলীর মাজারের উদ্দেশ্যে।


এডিট ডিলিট প্রিন্ট করুন  অভিযোগ করুন     

গল্পটি পড়েছেন ১১৭ জন


এ জাতীয় গল্প

→ "এখনও আমি অপেক্ষা করছি তোমার জন্য!!!" পর্ব-১
→ ✳নিজেকে দোষ দিও না✳
→ স্যাপিও
→ শ্রদ্ধা-2
→ ~দীঘির জলে কার ছায়া গো-হুমায়ূন আহমেদ(বুক রিভিউ)(আমার সবচেয়ে প্রিয় আরও একটা বই)।
→ "ওয়েটিংরুম" [Life is a waiting room]
→ শ্রদ্ধা-2
→ লোভ ও স্বার্থ
→ ডিম দেওয়া বউ
→ দেব-দেবী ও পূরাণ কাহিনী

গল্পটির রেটিং দিনঃ-

গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করুন

গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করতে আপনার একাউন্টে প্রবেশ করুন ... ধন্যবাদ...