গল্পেরঝুড়ির এ্যাপ ডাউনলোড করুন - get google app
গল্পেরঝুড়ি ফানবক্স ! এখন গল্পের সাথেও মজাও হবে! কুইজ খেলুন , অংক কষুন , বাড়িয়ে নিন আপনার দক্ষতা জিতে নিন রেওয়ার্ড !

যারা একটি গল্পে অযাচিত কমেন্ট করছেন তারা অবস্যাই আমাদের দৃষ্টিতে আছেন ... পয়েন্ট বাড়াতে শুধু শুধু কমেন্ট করবেন না ... অনেকে হয়ত ভুলে গিয়েছেন পয়েন্ট এর পাশাপাশি ডিমেরিট পয়েন্ট নামক একটা বিষয় ও রয়েছে ... একটি ডিমেরিট পয়েন্ট হলে তার পয়েন্টের ২৫% নষ্ট হয়ে যাবে এবং তারপর ৫০% ৭৫% কেটে নেওয়া হবে... তাই শুধু শুধু একই কমেন্ট বারবার করবেন না... ধন্যবাদ...

সুপ্রিয় গল্পেরঝুরিয়ান... জিজেতে আজে বাজে কমেন্ট করা থেকে বিরত থাকুন ... অন্যথায় আপনার আইডি বা কমেন্ট ব্লক করা হবে... আর গল্প দেওয়ার ক্ষেত্রে গল্প দেওয়ার নিয়ম মেনে চলুন ... সার্বিকভাবে জিজের নীতিমালা মেনে চলার চেস্টা করুন ...

আপনার মন পড়ে দিচ্ছি!!

"ভিন্ন খবর" বিভাগে গল্পটি দিয়েছেন গল্পের ঝুরিয়ান Opu Ahasan (০ পয়েন্ট)



আপনার মন পড়ে দিচ্ছি আমি আপনার মন পড়তে পারি। আপনি মনে মনে কী ভাবেন, তা বলে দিতে পারি। দেখুন, মেলে কি না। আচ্ছা, পরীক্ষা হয়ে যাক। প্রথম পরীক্ষা: আপনার সম্পর্কে আমি যে ১০টা জিনিস জানি। ১. আপনি আমার এই লেখাটা পড়ছেন। ২. আপনি দুই ঠোঁট একসঙ্গে না মিলিয়ে ‘মা’ উচ্চারণ করতে পারেন না। ৩. আপনি আপনার মাকে ডাকছেন। ৪. আপনি হাসছেন। ৬. এবার আপনি আরেকটু বেশি করে হাসলেন। ৭. আপনি খেয়াল করেননি যে আমি ৫ নম্বর ধাপটি বাদ দিয়েছি। ৮. এবার আপনি সেটা খেয়াল করে দেখলেন, তাই তো! ৫ নেই! ৯. আপনি আবারও হাসলেন। ১০. এবার আপনি হাসি থামিয়ে ভাবছেন, আচ্ছা, এর পরেরবার এই লোককে আমার মন পড়তে দেব না। ঠিক আছে, ঠিক আছে। আপনি নিশ্চয়ই আমার চেয়ে অনেক স্মার্ট। আমি এটা নিজে উদ্ভাবন করিনি, ইন্টারনেটে পাওয়া জিনিস অনুবাদ করে দিয়েছি মাত্র। আচ্ছা, এর পরের পরীক্ষাটায় যাই। একটু মন দিয়ে নিচের ধাপগুলো অতিক্রম করুন। একটু মন দিয়ে। দ্বিতীয় পরীক্ষা: আপনি ২ থেকে ৯-এর মধ্যে যেকোনো একটা সংখ্যা মনে মনে ধরুন। ধরেছেন! যেকোনো একটা সংখ্যা, ২ থেকে ৯-এর মধ্যে। ধরেছেন? এবার সংখ্যাটিকে ৯ দিয়ে গুণ করুন। গুণফলে দুটো অঙ্ক আছে। অঙ্ক দুটো যোগ করুন। যোগফল থেকে ৫ বিয়োগ দিন। যে সংখ্যাটি পেলেন, সেটি দিয়ে ইংরেজি অক্ষর মেলান। মানে ১ হলে ‘এ’, ২ হলে ‘বি’, ৩ হলে ‘সি’, ৪ হলে ‘ডি’। ইংরেজি অক্ষর পেয়েছেন? সেই অক্ষর দিয়ে একটা দেশের নাম ভাবুন। সেই দেশের নামের ইংরেজি বানানের শেষ অক্ষর দিয়ে একটা প্রাণীর নাম ভাবুন, চার পায়ের প্রাণী। ভাবতে পেরেছেন? শুনুন, ডেনমার্কে ক্যাঙারু থাকে না। এবার কি আমি আপনার মন পড়তে পেরেছি? বিশ্বাস হলো যে আমি আপনাকে পড়তে পারি। আচ্ছা, তৃতীয় পরীক্ষা। দেখুন তো মিলে যায় কি না- ১. আপনি ঠিক করেছেন যে আপনার ওজন কমাবেন। কাজেই খাওয়া নিয়ন্ত্রণ করতে হবে। ডায়েট করতে হবে। এটা আপনি আরম্ভ করেন, কিন্তু মাঝেমধ্যেই প্রতিজ্ঞাচ্যুত হয়ে পড়েন। যা খাওয়ার কথা নয়, তা খেয়ে ফেলেন। তারপর হতাশ হয়ে পড়েন আর তখন ডায়েটের কথা ভুলে যান। কয়েক দিন পর একই প্রতিজ্ঞা আবারও শুরু করতে হয়। ২. আপনি ঠিক করেছেন, আরেকটু গোছানো হবেন। কিন্তু সেটা আর হয়ে ওঠে না। রাতের বেলা কাপড় খুলে সেটা না গুছিয়েই শুয়ে পড়েন। ৩. আপনি ‘না’ বলতে পারেন না। অথচ ‘না’ বলা আপনার উচিত ছিল। ‘না’ বলতে না পেরে পরে নিজের ওপরই বিরক্ত হন। ঠিক করেন যে এরপর থেকে ‘না’ বলা শিখবেন। কিন্তু সেটা আর হয়ে ওঠে না। ৪. আপনি ঠিক করেছেন নিয়মিত হাঁটবেন কিংবা ব্যায়াম করবেন। এটাতে প্রায়ই বিরতি পড়ে যায়। ৫. যেকোনো কাজ করার জন্য আপনি শেষ মুহূর্তটিকেই বেছে নেন। সব সময় ভাবেন, করতে যখন হবেই, আগেভাগেই করে ফেলব। কিন্তু আগেভাগে করা হয়ে ওঠে না। প্রতিবার শেষ মুহূর্তেই জিনিসগুলো করা হয়। ৬. আপনি সবার জন্য অনেক করেন। আপনার মনটা খুব ভালো। সবার প্রতি আপনার অনেক আন্তরিকতা। কিন্তু এ সত্ত্বেও অনেকেই আপনাকে ঠিক বুঝে উঠতে পারে না। মিলল? অনেকটাই? না মিললে আপনি খুবই বিশিষ্ট মানুষ। আর মিলে গেলে বলব, আপনি আমাদের মতোই, আর সবার মতোই। কারণ, বেশির ভাগ মানুষের বেলায় এ রকমটাই হয়। আপনি কি জানেন, আপনি এসএমএস করেন বুড়ো আঙুল দিয়ে? আপনি কি জানেন, আপনি জিব দিয়ে নাক স্পর্শ করতে পারেন না? আপনি এটা এখন চেষ্টা করছেন? করছেন তো? হাসছেন? হা হা হা। আপনার নতুন বছর হাসি-আনন্দে কাটুক। এই লেখা এখানেই শেষ হয়ে যাচ্ছে। লেখাটা পড়ে আপনি ভাবছেন, এটা কোনো লেখা হলো! লেখার মধ্যে কোনো বার্তা থাকবে না? কাগজের জায়গার দাম আছে না? রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের একটা প্রবন্ধ আছে-‘বাজে কথা’। তাতে তিনি বলেছেন, ‘অন্য খরচের চেয়ে বাজে খরচেই মানুষকে যথার্থ চেনা যায়। কারণ, মানুষ ব্যয় করে বাঁধা নিয়ম অনুসারে, অপব্যয় করে নিজের খেয়ালে। যেমন বাজে খরচ, তেমনি বাজে কথা। বাজে কথাতেই মানুষ আপনাকে ধরা দেয়।’ রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর বলেছেন, যে কথায় উপদেশ নেই, যেটা বাজে কথা, সেটাই বেশি মূল্যবান। তিনি উদাহরণ দিয়েছেন, কয়লা দিয়ে যন্ত্র চলে, হীরা দিয়ে তা করা যায় না, তবু হীরাই মূল্যবান। আজ তাই কোনো কাজের কথা না হয় না-ই হলো। একটুখানি হাসি-ঠাট্টা করলাম। নির্মল হাসিতে ভরে উঠুক আমাদের নতুন বছর-এই প্রার্থনাও কিন্তু করছি।


এডিট ডিলিট প্রিন্ট করুন  অভিযোগ করুন     

গল্পটি পড়েছেন ৯৮২ জন


এ জাতীয় গল্প

→ কাফনের কাপড়ের তো পকেট নাই
→ আজও মনে গভীর বনে
→ ~আচ্ছা মানলাম যে এই মহাবিশ্বের একজন স্রষ্টা আছেন,তাহলে তাকে কে সৃষ্টি করল? আমি তো মনে করি মহাবিশ্ব নিজেই স্রষ্টা।
→ মন জানে ♥♥
→ "আনিকা তুমি এমন কেন?"[২য় তথা শেষ পর্ব]
→ আপনার প্রশ্নের জবাব
→ আজমির দরগা আক্রমন
→ "আনিকা তুমি এমন কেন?"[১ম পর্ব]
→ ইমাম মাহাদী ও তার আগমন পূর্ব আলামত সমূহ
→ সীরাহ কেন পড়া উচিৎ? রাসূল (সাঃ)-আপনার জন্য সর্বোত্তম আদর্শ – দ্বিতীয় পর্ব

গল্পটির রেটিং দিনঃ-

গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করুন

গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করতে আপনার একাউন্টে প্রবেশ করুন ... ধন্যবাদ...