গল্পেরঝুড়ির এ্যাপ ডাউনলোড করুন - get google app
গল্পেরঝুড়ি ফানবক্স ! এখন গল্পের সাথেও মজাও হবে! কুইজ খেলুন , অংক কষুন , বাড়িয়ে নিন আপনার দক্ষতা জিতে নিন রেওয়ার্ড !

সুপ্রিয় গল্পের ঝুরিয়ান গন আপনারা শুধু মাত্র কৌতুক এবং হাদিস পোস্ট করবেন না.. যদি হাদিস /কৌতুক ঘটনা মুলক হয় এবং কৌতুক টি মজার গল্প শ্রেণি তে পরে তবে সমস্যা নেই অন্যথা পোস্ট টি পাবলিশ করা হবে না....আর ভিন্ন খবর শ্রেনিতে শুধুমাত্র সাধারন জ্ঞান গ্রহণযোগ্য নয়.. ভিন্ন ধরনের একটি বিশেষ খবর গ্রহণযোগ্যতা পাবে

সুপ্রিয় গল্পেরঝুরিয়ান... জিজেতে আজে বাজে কমেন্ট করা থেকে বিরত থাকুন ... অন্যথায় আপনার আইডি বা কমেন্ট ব্লক করা হবে... আর গল্প দেওয়ার ক্ষেত্রে গল্প দেওয়ার নিয়ম মেনে চলুন ... সার্বিকভাবে জিজের নীতিমালা মেনে চলার চেস্টা করুন ...

ভয়ঙ্কর ঝড়ের রাত

"ভৌতিক গল্প " বিভাগে গল্পটি দিয়েছেন গল্পের ঝুরিয়ান জাকারিয়া আহমেদ (০ পয়েন্ট)



সেদিন রাতে অফিস থেকে আমি বাসায় ফিরছিলাম,হঠাৎ করেই পথে খুব ঝড়/বৃষ্টি শুরু হলো,গাড়ি থামিয়ে তখন আমি কোন নিরাপদ আশ্রয় খুজছিলাম, আশে পাশে তাকিয়ে তেমন কিছুই দেখছিলাম না খুব ছোট্ট একটা চায়ের দোকান ছাড়া,ভিজে যাচ্ছিলাম তাই সেখানে যাওয়া ছাড়া আর কোন উপায় তখন ছিলো না,,। , আমি চায়ের দোকানে ঢুকতেই দেখতে পেলাম সেখানে ৭০/৭৫ বছর বয়ষের এক বৃদ্ধ চাচা ছাড়া আর কেউ নেই,বুঝলাম উনিই হয়তো দোকানটা চালান (মালিক বললাম না একারনে যে সব কিছুর মালিক শুধুই একজন,আমরা মাত্র তার দেয়া কাজের কর্মচারী) আমি দোকানটিতে ঢোকার মিনিট খানের পর ওই দোকানদার চাচা আমার দিকে একটা সিগারেট আর ম্যাচ বাড়িয়ে দিলো,আমি তাকে বললাম "চাচা আমি সিগারেট খাই না" আমার কথা শুনে মনে হয় লোকটি কিছুটা অবাক হয়েছিলো, সেটা তখন আবছা আলোতে ও তার মুখ দেখে আমি বুঝেছিলাম,,আমার দিকে বাড়িয়ে দেয়া সেই সিগারেটটি দেখলাম সে একটা প্যাকেটে ঢুকিয়ে আবার অন্য একটা প্যাকেট থেকে আরেকটি সিগারেট বের করে নিয়ে নিজে ধরিয়েছে,,,,তার সিগারেট টানা আর তার বিরক্তিকর ধোয়া এসবের কিছু আমার ভালো লাগছে না, এরকম পরিবেশের বা দোকানে বসার কোন অভ্যাস আমার নাই, সিগারেট বা বাহিরের চা খাওয়া কোন নেশা আমার নেই,ব্যাপারটি খুব বিরক্ত লাগছিলো আমার,দোকানটি খুব বেশি বড় না হওয়ায় তার আর আমার মাঝে খুব বেশি দূরত্ব ছিলো না, তার উপর যখন তার সিগারেটের ধোয়ার গন্ধ এসে আমার নাকে লাগছিলো তখন তো আমার বিরক্তের সীমা ছাড়িয়ে যাচ্ছিলো,তার উপর আমার শার্ট সুখে দেখি সেটাতে মাত্র সিগারেটের গন্ধ জরাতে শুরু করেছে,এর মানে ভদ্রলোক যেভাবে সিগারেট টানছে তাতে করে গন্ধের পরিমাণটা আর কিছুক্ষনের মধ্যে আরো বেড়ে যাবে,,কিছুটা ভয় কাজ করছিলো তখন আমার মধ্যো "আব্বু/ আম্মু যদি শার্টে সিগারেটের গন্ধ পায় তাহলে"? যদি ও আমার প্রতি তাদের অন্ধ বিশ্বাস আছে, তাই সেখানে খুব বেশি ভয়ের কারণ না থাকলে ও ব্যাপারটা আমি মেনে নিতে পারছিলাম না,অবশেষে দোকানদার চাচাকে বললাম "চাচা এরকম ঝড়ের ভিতর গাড়ি চালিয়ে বাসায় ফেরাটা ঠিক হবে না,ঝড় বৃষ্টির ভিতরে খুব বিপদে পড়ে আপনার এখানে দাঁড়িয়েছি,পার লে হাতের সিগারেটটা টানা বন্ধ করে ফেলেদিন, ওটার দাম আমি দিয়ে দিচ্ছি" ওরকম একটা কথা বলার আগে লোকটার কাছে আমি তেমন কিছুই আশা করিনি,কিন্তু মনে মনে ভেবেছিলাম যদি সে সিগারেট টানা বন্ধ না করে তাহলে আমি সেখান থেকে বেড়িয়ে যাবো,,,,ঝড় বৃষ্টি না থামলে ও আমার ভাগ্যে ভালো ছিলো যে চাচার সিগারেটটা টানা বন্ধ করেছিলো,খুব জোরে জোরে কয়েকটা টান দিয়ে সে সেটা ফেলে দিলো আর আমি ও বেঁচে গেলাম,,। , আমি ভাবলাম এতো রাতে ঝড় বৃষ্টির মাঝে এরকম বয়সী একজন মানুষের দোকান খুলে রাখার কি কারণ,? কোন কাস্টমার আসছে না বা আসার ও কোন সুযোগ নেই,,আর দোকানদার চাচার আচরন ও আমার কাছে খুব ভালো লাগছিলো না,বার বার রাস্তার একটু ওপাশে একটা গাছের দিকে তার চোঁখ যাচ্ছিলো, আর তার ওদিকে তাকানোটা আমি খেয়াল করেছি বেশ কয়েকবার,কারণ তার ওদিকে তাকানোটা স্বাভাবিক ছিলো না, খুব কৌতুহল হলো আমার,তাই আমি ওদিকে হাত দিয়ে দেখিয়ে দোকানদার চাচার কাছে জানতে চাইলাম "চাচা বার বার কি দেখছেন ওদিকে তাকিয়ে"? আমার কাছ থেকে এরকম কোন প্রশ্ন সে আশা করেনি,আমার কথাটা শোনার পর সে যেনো কেমন একটা ভাব নিলো, সে কিছুটা অবাক হয়ে আমাকে "ওদিকেই আমার সব" কথাটুকু সামান্য কিন্তু তার তা বলার ধরন আমাকে ভয় পাইয়ে দিলো,,আমি সত্যিই তখন কিছুটা ভয় পেলে ও তখন তাকে সেটা বুঝতে দিইনি,আমার মাথায় ছিলো "যদি আমার ভয়ের ব্যাপারটা তাকে বুঝতে দিই তাহলে অন্য কিছু হলে ও হতে পারে" হালকা ভয় পেয়ে কোন ব্যাপারে থেমে যাওয়া বা সেখান থেকে নিজেকে গুটিয়ে নেয়া ছেলে আমি না, নিজেকে সামলে নিলাম,আর দোকানদার চাচাকে বললাম "চাচা ওদিকে কি সেটা আমাকে বলেন,আমি শুনতে ইচ্ছুক" আমার আগ্রহ হয়তো চাচার ভালো লেগেছিলো,তখন সে বলতে লাগলো "আমি এই দোকান প্রতিদিন রাত ১.৪৫ পর্যন্ত খোলা রাখি,কিন্তু ৯/৯.৩০ এর পর এখানে মানুষের আনাগোনা বন্ধ হয়ে যায়,তখন শুধু মাত্র গাড়ি চলে তা ও সংখ্যায় খুব বেশি না,আর আমি এতো রাত অবধি দোকান খোলা রাখি বেচা বিক্রির জন্য না" কথা গুলি বলে দোকানদার চাচা থেমে গেলো,আমি ও মিনিট খানেক চুপ,যখন দেখলাম সে নিজের ইচ্ছায় কিছু বলছে না তখন "চাচা তার পর কি বলেন"? দোকানদার চাচা "বাদ দেন,বৃষ্টি কিছুটা কমতে শুরু করেছে এবার আপনি আসেন" আমি "না চাচা আপনার বলতে থাকা কথা শেষ না করে আমি যাচ্ছি না" হঠাৎ দেখলাম দোকানদার চাচা হাত উঁচিয়ে আমাকে দেখাচ্ছে "ওইযে ৩ রাস্তার পাশে ভেতরের দিকে কিছু গাছ আর জংগলের মতো দেখা যাচ্ছে দেখতে পাচ্ছেন"? প্রথমে আমি দেখতে পাচ্ছিলাম না,কিন্তু একটা ট্রাক যাওয়ার সময় তার আলোতে কিছুটা দেখতে পেলাম কিন্তু ঠিক বুঝতে পেলাম না আসলে কি,,তার পর ও দোকানদার চাচাকে বললাম "হ্যা দেখেছি,তার পর" হঠাৎ করেই আমি আমার চোঁখে ধোয়া আর নাকে সিগারেটের গন্ধ পেতে লাগলাম,একটা অচেনা কন্ঠে তখন শুনতে পেলাম "ঠিক ওই গাছের কাছেই আমি আমার ৯ বছরের মেয়েটার লাশ পেয়েছিলাম" , আপাতত আজ এপর্যন্তই থাক, ব্যাপারটা আমার কাছে খুব ভয়ংকর,,


এডিট ডিলিট প্রিন্ট করুন  অভিযোগ করুন     

গল্পটি পড়েছেন ৬৯৫ জন


এ জাতীয় গল্প

→ ~অমুসলিমদের জন্য মক্কা-মদিনায় প্রবেশ নিষিদ্ধ কেন? এতে কী বিশ্ব ভ্রাতৃত্ব হুমকির মুখে?
→ পুরানো ঈদের রাতগুলো, স্মৃতির পাতায় রয়েই গেল।
→ একটা রাতের গল্প
→ তুষার এবং রাত্রি
→ আমি তাকে হারাতে চাইনা (শেষ পর্ব)
→ ন্যায়বিচার ও ইসলামী ভ্রাতৃত্ব
→ মধ্যরাতে ভেসে আসা পরিচিত কন্ঠস্বর!
→ আমি তাকে হারাতে চাইনা
→ এত রাতে কান্নার শব্দ
→ সাত স্বপ্নের রাত

গল্পটির রেটিং দিনঃ-

গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করুন

গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করতে আপনার একাউন্টে প্রবেশ করুন ... ধন্যবাদ...