গল্পেরঝুড়ির এ্যাপ ডাউনলোড করুন - get google app

সুপ্রিয় পাঠকগন আপনাদের অনেকে বিভিন্ন কিছু জানতে চেয়ে ম্যাসেজ দিয়েছেন কিন্তু আমরা আপনাদের ম্যাসেজের রিপ্লাই দিতে পারিনাই তার কারন আপনারা নিবন্ধন না করে ম্যাসেজ দিয়েছেন ... তাই আপনাদের কাছে অনুরোধ কিছু বলার থাকলে প্রথমে নিবন্ধন করুন তারপর লগইন করে ম্যাসেজ দিন যাতে রিপ্লাই দেওয়া সম্ভব হয় ...

সুপ্রিয় গল্পেরঝুরিয়ান... জিজেতে আজে বাজে কমেন্ট করা থেকে বিরত থাকুন ... অন্যথায় আপনার আইডি বা কমেন্ট ব্লক করা হবে... আর গল্প দেওয়ার ক্ষেত্রে গল্প দেওয়ার নিয়ম মেনে চলুন ... সার্বিকভাবে জিজের নীতিমালা মেনে চলার চেস্টা করুন ...

অপ্রত্যাশিত অতিথি

"উপন্যাস" বিভাগে গল্পটি দিয়েছেন গল্পের ঝুরিয়ান sayma(guest) (২৪০১ পয়েন্ট)



পর্ব ১: সাল ২০০৮ বিকেলের রংটাই আজ অন্য রকম।হালকা স্নিগ্ধ আলো জানালা দিয়ে ঘুমন্ত মেয়েটির ভেজা চুলে স্পর্শ করছে।কিন্তু হঠাৎ মেয়েটির ঘুম ভেঙে যায় বাসার সামনে পাজেরোর বাজানো হর্ণের শব্দে।মেয়েটির সম্পর্কে একটু বলে নেই- চট্টগ্রামের একটা সরকারি স্কুলের শিক্ষক আব্দুল কালামের একমাত্র মেয়ে কানন।পুরো নাম কানন ই ফাতেমা।হালকা গোছগাছ প্রিয়,সহজ সরল মন মানসিকতার ছেট্টমুখের লাবণ্যতায় ভরপুর মেয়েটিকে দেখলে মোটামোটি সবাই এক অদৃশ্য আকর্ষণ অনুভব করে।বাবার সিমীত আয়ে তাদের ভালভাবেই দিনকাল যাচ্ছে।কানন এ বছর ক্লাস নাইনে।তার ছোট্ট ছোট্ট চাওয়া পাওয়া পূরণে সদা ব্যস্ত তার বাবা। বাসার পাশের রোজী নামের এক মেয়ের সাথে তার ঘনিষ্ট বন্ধুত্ব , যাকে সে তার সব ছোট্ট মনের সব কথা বলে।স্কুলের বলতে গেলে সবার কাছে কানন প্রিয় পাত্র শুধুমাত্র তার লাবণ্যময়ী ব্যবহার,প্রতিটা কথার মাঝে রহস্যময়ী মুচকি হাসি, সবার ছোট্ট ছোট্ট বিপদেও সবার আগে এগিয়ে আসা -- এসব কারনে।এবার আসল কথায় আসি। কানন তার বাবার সরকারি কোয়ার্টারে থাকে। পাশাপাশি,সামনে পিছনে আরও অনেক কোয়ার্টার আছে।তাদের সামনের বিিল্ডং এ একজন শিক্ষিকা নিলুফা বেগম থাকেন।তারই সুনামধন্য ভাই মোশাররফ হোসেন, যিনি ঢাকার বাসিন্দা, তিনি অতিথি হয়ে এসেছেন বোনের বাসায়।সাথে তার স্ত্রী ও একমাত্র ছেলে কামরুল হোসেন।তারই সাদা রঙের পাজেরোর শব্দে পরিশ্রান্ত কাননের আকাঙ্খিত তৃপতিকর ঘুম ভাঙে।কানন বেলকুনিতে এসে দেখে,, তার রাগে বেলকুনিতে দাড়িয়ে থাকা দায় হয়ে পরে।পরে সে ভাবে একটু ছাদে গিয়ে হালকা হয়ে আসা যাক। মোশাররফ সাহেবের মেয়ের বাবা হওয়ার বড় শখ,কিন্তু সৃষ্টিকর্তা তার সে আশা পুরন করেন নি তার একমাত্র ছেলে কামরুলই এখন তার এই বিশাল সম্পত্তির অংশক।সে ভাবে,,মেয়ে নেই তবে তাতে সমস্যা কি। ছেলে কে বিয়ে করিয়েই ত এক লক্ষী মেয়ের বাবা হবার সৌভাগ্য আমার হবে।কিন্তু কামরুলের বয়স যেন বাড়তেই চায় না।সবে ২২ এ পা দিল।সে অনার্স প্রথম বর্ষে পরে ঢাকার এক বিশ্ববিদ্যালয়ে।কামরুল চায় জিবনে বড় একটা সাফল্য অর্জন করতে।পড়াশুনার প্রতি তার বড় ঝোক। এস এস সি, এইচ এস সি তেও ভাল সাফল্য তার হাতে।পুরো ঢাকা বিভাগ এ প্রথম হয়।কিন্তু ব্যবহার তার অমায়িক।তবে একটু কম কথা বলে।বাবা কি তার এ অকাঙখার কথা বলতে পারে যার এ বিষয়ে মনোযোগ ই নাই? নয়তো বাবা ছেলের বয়স ২০ এ পা দিতেই বউমা ঘরে নিয়ে আসত,আর সে হত এক মেয়ের বাবা যা তার চির আকাঙ্খাত চাওয়া......


এডিট ডিলিট প্রিন্ট করুন  অভিযোগ করুন     

গল্পটি পড়েছেন ৬৩৩ জন


এ জাতীয় গল্প

→ নতুন অতিথি
→ অতিথির স্মৃতি
→ "অপ্রত্যাশিত"
→ "নতুন অতিথি"
→ ড্রাকুলার অতিথি
→ অপ্রত্যাশিত বাসর---০৩
→ অপ্রত্যাশিত বাসর---০২
→ অপ্রত্যাশিত বাসর--০১
→ অপ্রত্যাশিত বাসর--০৪
→ অপ্রত্যাশিত বাসর---০৫

গল্পটির রেটিং দিনঃ-

গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করুন

গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করতে আপনার একাউন্টে প্রবেশ করুন ... ধন্যবাদ...