গল্পেরঝুড়ির এ্যাপ ডাউনলোড করুন - get google app

গল্পেরঝুড়িতে লেখকদের জন্য ওয়েলকাম !! যারা সত্যকারের লেখক তারা আপনাদের নিজেদের নিজস্ব গল্প সাবমিট করুন... জিজেতে যারা নিজেদের লেখা গল্প সাবমিট করবেন তাদের গল্পেরঝুড়ির রাইটার পদবী দেওয়া হবে... এজন্য সম্পুর্ন নিজের লেখা অন্তত পাচটি গল্প সাবমিট করতে হবে... এবং গল্পে পর্যাপ্ত কন্টেন্ট থাকতে হবে ...

সুপ্রিয় গল্পেরঝুরিয়ান... জিজেতে আজে বাজে কমেন্ট করা থেকে বিরত থাকুন ... অন্যথায় আপনার আইডি বা কমেন্ট ব্লক করা হবে... আর গল্প দেওয়ার ক্ষেত্রে গল্প দেওয়ার নিয়ম মেনে চলুন ... সার্বিকভাবে জিজের নীতিমালা মেনে চলার চেস্টা করুন ...

বিচার নেই

"ছোটদের গল্প" বিভাগে গল্পটি দিয়েছেন গল্পের ঝুরিয়ান DL Mahmud Hasan (০ পয়েন্ট)



বাদশার কঠিন অসুখ। সারাদিন বিছানায় শুয়ে থাকেন সারাদিন। শরীর দুর্বল হয়ে যাচ্ছে। কণ্ঠস্বর ক্ষিণ হচ্ছে। মনে সুখ নেই। কাজকর্ম ঠিকমতো করতে পারেন না। বেঁচে থাকার কোনো আশা‌ নেই। বাদশাহ্ বুঝলেন মৃত্যু তার দুয়ারে হানাদুচ্ছে। দুর-দুরান্ত থেকে চিকিৎসকেরা এলো। নানা রকম ঔষধ দিলেন। কিন্তু কিছুতেই কোনো কাজ হল না। সবাই খুব চিন্তিত। চিকিৎসক এলেন ইরান-তুরান থেকে। চিকিৎসক এলেন মিশর-কাবুল থেকে। শেষে এক চিকিৎসক এলেন গ্রীস থেকে। গ্রীসের চিকিৎসক বেশ কয়েকদিন পরিক্ষা করলেন বাদশাকে।‌নাড়ি টিপে দেখলেন। তারপর বললেন, এ বড় কঠিন অসুখ। তবে এর চিকিৎসা আছে। একজন অল্পবয়স্ক বালকের হৃদপিন্ড দিয়ে তৈরি হবে সেই ঔষধ। যা খেলে বাদশাহ সুস্থ হয়ে উঠবেন। বাদশাহর অসুখ।দরকার অল্পবয়স্ক বালক। খুজতে খুজতে একটা অল্পবয়স্ক ছেলেকে খুজে পাওয়া গেল। ছেলের বাবা টাকার লোভে খুব অনায়াসে তাকে বিক্রি করে দিলেন। কাজি বিচারসভায় রায় দিলেন এই ছেলের জীবন বধ করা অন্যায় কাজ নয়। কারন, এই ছেলের তুচ্ছ জীবনের কারনে বাদশার মুল্যবান জীবন রক্ষা পাবে। এইসব ঘটনা দখে ছেলেটি সবসময় মিটিমিটি হাসে। জল্লাদ তাকে হত্যা করার জন্য ধরে নিয়ে যায় বধ্যভুমিতে। তার হৃদপিন্ড থেকে তৈরি হবে ঔষধ। ছেলেটি তখন আকাশের দিকে তাকিয়ে হো-হো করে হাসতে লাগল। বাদশা তার হাসি শুনে বিচলিত হলেন। একটু পরেই‌ তার মৃত্যু হবে। কিন্তু সে এত হাসে কেন। বাদশা তাকে ডেকে পাঠালেন। এই তুমি এত হাসছ কেন?? হাসতে হাসতে ছেলেটি বলল, হায়! আমার জীবন! আমি‌ হাসব না তো কি করব বলুন? পিতামাতার দায়িত্ব সন্তানকে রক্ষা করা।‌ কিন্তু অর্থের বিনিময়ে আমার বাবা আমাকে বিক্রি করে দিয়েছে। কাজির কাছে মানুষ কেন যায়? সুবিচার পাওয়ার আশায়।কিন্তু কাজি তো অন্যায়ভাবে বাদশার পক্ষে রায় দিলেন। একটু পরেই আমার মৃত্যু হবে। আমি হাসব না তো কে হাসবে! বাদশা একথা শুনে অবাক হলেন। ছেলেটির প্রতি অসীম দয়ায় তিনি কাতর হয়ে উঠলেন। তিনি ছেলেটিকে মুক্ত করে দিলেন। আর আশ্চর্যের ব্যাপার। কিছুদিন পরে বাদশার রোগ সেরে গেল। তিনি সম্পূর্ণ সুস্থ হয়ে উঠলেন।


এডিট ডিলিট প্রিন্ট করুন  অভিযোগ করুন     

গল্পটি পড়েছেন ৩৮৬ জন


এ জাতীয় গল্প

→ হ্যান্ড স্যানিটাইজার ব্যবহারে ধর্মীয় বাধা নেই
→ মুসলিমদের বিচার
→ ইসলামে কেন কোনো মহিলা নবী নেই?এতে কি মহিলাদের অধিকার হরণ করা হচ্ছে??
→ গল্পের কোনো নাম নেই
→ নাম জানা নেই
→ কোরআনের রচয়িতার নাকি অঙ্ক জ্ঞান নেই??
→ আমার বাবা মা নেই
→ ইঞ্জিনিয়ারের বৃদ্ধাঙ্গুষ্ঠ নেই
→ মগের মুল্লুক(একেই বলে বিচার!!!)......
→ হাদিসের গল্পঃ সুলায়মান (আঃ)-এর হিকমতপূর্ণ বিচার

গল্পটির রেটিং দিনঃ-

গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করুন

গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করতে আপনার একাউন্টে প্রবেশ করুন ... ধন্যবাদ...