গল্পেরঝুড়ির এ্যাপ ডাউনলোড করুন - get google app
গল্পেরঝুড়ি ফানবক্স ! এখন গল্পের সাথেও মজাও হবে! কুইজ খেলুন , অংক কষুন , বাড়িয়ে নিন আপনার দক্ষতা জিতে নিন রেওয়ার্ড !

যাদের গল্পের ঝুরিতে লগিন করতে সমস্যা হচ্ছে তারা মেগাবাইট দিয়ে তারপর লগিন করুন.. ফ্রিবেসিক থেকে এই সমস্যা করছে.. ফ্রিবেসিক এ্যাপ দিয়ে এবং মেগাবাইট দিয়ে একবার লগিন করলে পরবর্তিতে মেগাবাইট ছাড়াও ব্যাবহার করতে পারবেন.. তাই প্রথমে মেগাবাইট দিয়ে আগে লগিন করে নিন..

সুপ্রিয় গল্পেরঝুরিয়ান... জিজেতে আজে বাজে কমেন্ট করা থেকে বিরত থাকুন ... অন্যথায় আপনার আইডি বা কমেন্ট ব্লক করা হবে... আর গল্প দেওয়ার ক্ষেত্রে গল্প দেওয়ার নিয়ম মেনে চলুন ... সার্বিকভাবে জিজের নীতিমালা মেনে চলার চেস্টা করুন ...

আটলান্টিস মহাদেশ

"পৌরাণিক গল্প" বিভাগে গল্পটি দিয়েছেন গল্পের ঝুরিয়ান আরিফ (০ পয়েন্ট)



নাম: কালের আবর্তে হারিয়ে যাওয়া প্রাচীন পরাশক্তিঃ দি গ্রেট আটলান্টিস বিস্তারিত: আচ্ছা, পাঠক, এখন পৃথিবীর সবচেয়ে বড় পরাশক্তি কোন দেশ? কেউ বলবেন আমেরিকার নাম, কেউবা রাশিয়ার অথবা অন্য কোন দেশের।কিন্তু, পাঠক কি কখনো ভেবেছেন আজ থেকে হাজার হাজার বছর আগে এই পৃথিবীতে পুরো বিশ্বে প্রভাব বিস্তারকারী জ্ঞান গরিমা, সভ্যতার আলোয় উজ্জ্বল, সামরিক শক্তিতে অপরাজেয় কোন পরাশক্তির অস্তিত্ব ছিল কি না? আপনারা অনেকে হয়ত ভেবে থাকবেন প্রাচীন জগত আর কতটুকুই বা উন্নত ছিল। হয়ত ভেবে থাকবেন, প্রাচীনকালে সকল বিরাট সাম্রাজ্য ও শক্তি শুধু অল্প কিছু জায়গাতেই তাদের প্রাধান্য বিস্তার করেছিল। তাদেরকে বর্তমান পরাশক্তিদের সাথে তুলনা করাই চলে না! কিন্তু, এমনটা ভেবে থাকলে আপনি ভুল করছেন। প্রাচীন জগতে এমন অনেক সাম্রাজ্য ছিল,এমন অনেক দেশ ছিল যারা আজকের পরাশক্তিদের চেয়েও অনেক বেশি পরিমানে প্রভাব বিস্তার করেছিল সারা পৃথিবীতে। আলোড়ন তুলেছিল মহাদেশে, মহাদেশে। উত্তরমেরু থেকে দক্ষিণমেরু পর্যন্ত ছড়িয়ে পড়েছিল তাদের সভ্যতা, জ্ঞান ও সামরিক শক্তির মহিমা। কিন্তু,একসময় যারা সভ্যতার শীর্ষে ছিল, যাদের সামরিক পরাজয় ছিল কল্পনারও বাইরে তারাই কালের আবর্তনে এখন রয়ে গেছে ধ্বংসস্তূপ হয়ে। এই পোস্টে আমরা এরকম একটি কালের আবর্তে হারিয়ে যাওয়া প্রাচীন পরাশক্তি নিয়ে আলোচনা করব। আলোচনা করব, অতল সমুদ্রের নিচে হারিয়ে যাওয়া আটলান্টিস নিয়ে। আটলান্টিস, অতি প্রাচীন এক দ্বীপঃ আটলান্টিস সম্পর্কে আধুনিক মানুষ প্রথম জানতে পারে গ্রীক দার্শনিক প্লেটোর লেখা থেকে। প্লেটো ছিলেন আজ থেকে কমপক্ষে প্রায় ২৪০০ বছর আগে গ্রীসের এথেন্স নামক নগর রাষ্ট্রের নাগরিক। তিনি তাঁর দার্শনিক মতবাদ তাঁর লেখা অনেকগুলো ডায়ালগে (কথোপকথন) রেখে গেছেন। তাঁর লেখা এরকম একটি ডায়ালগ "তিমিয়াস" ও "ক্রিতাস" এ এমন একটি দ্বীপ রাষ্ট্রের কথা উল্লেখিত হয়েছে যা অতি প্রাচীন কালে ( প্লেটোর হিসেবেই অতি প্রাচীন কাল ) এথেন্সকে আক্রমন করেছিল। এর সভ্যতা, কৃষ্টি, জ্ঞান ও সামরিক শক্তি ( বিশেষ করে নৌ শক্তি) ছিল অপরাজেয়। প্লেটোর মতে এই দ্বীপ রাষ্ট্রের নাম ছিল আটলান্টিস। শিল্পী রাফায়েলের চোখে দার্শনিক প্লেটো প্লেটো আটলান্টিসের কথা শুনেছিলেন এথেন্সের একজন রাজনীতিবিদ সলনের কাছ থেকে। প্লেটোর দেয়া তথ্যমতে এই দ্বীপ রাষ্ট্রটির ক্ষমতা ও উপনিবেশ বিস্তৃত ছিল ইউরোপ, এশিয়া ও আফ্রিকায়। জ্ঞানে বিজ্ঞানে ও সামরিক শক্তিতে যখন পুরো পৃথিবীকে স্তম্ভিত করে রেখেছিল এই পরাশক্তি তখনই এক অভূতপূর্ব প্রাকৃতিক দুর্যোগে সাগরের অতল জলে সলীল সমাধি হয় এই অপরাজেয় সভ্যতার। প্লেটোর লেখা "তিমিয়াস" ( ১৫ শ শতাব্দীর কপি ) প্লেটো তাঁর সময়ে বিদ্বান ব্যক্তি হিসেবে ব্যপক খ্যাতি অর্জন করেছিলেন।খুব অল্প ব্যক্তিরই বিদ্বান হিসেবে তাঁর মত সুখ্যাতি ছিল। এমনকি, তাঁর লেখা এখনও বিভিন্ন গবেষণায় ব্যবহৃত হয়ে থাকে। তাই প্লেটোর খ্যাতি ও জ্ঞানের উপর নির্ভর করে যুগে যুগে অনেকেই আটলান্টিস এর সন্ধানে গবেষণা এমনকি দুঃসাহসিক অভিযানও চালিয়েছিলেন।কিন্তু, এখনও পর্যন্ত এই জ্ঞানে বিজ্ঞানে ও সামরিক শক্তিতে একসময়ের পরাশক্তি দি গ্রেট আটলান্টিসের ধ্বংসস্তূপের নিশ্চিত সন্ধান পাওয়া যায় নি। আটলান্টিসের ভৌগলিক অবস্থাঃ "ক্রিচারের" আঁকা আটলান্টিসের ম্যাপ ( ১৬৬৯ সাল ) প্লেটোর মতে, আটলান্টিস নামক এই দ্বীপ রাষ্ট্রটি আটলান্টিক সাগরের মাঝে অবস্থিত ছিল। দ্বীপটি অখণ্ড ছিল না। এর মাঝে সাগর দ্বারা বিচ্ছিন্ন অংশগুলো টানেল ও ব্রিজ দ্বারা পরস্পর সংযুক্ত করা হয়েছিল। প্রাচীন উৎসগুলোতে এশিয়া মাইনর ( বর্তমান তুরস্ক ) ও লিবিয়াকে একত্রিত করলে যে বিরাট সাম্রাজ্য তৈরি হবে তার চেয়েও বিরাট বলা হয়েছে আটলান্টিসকে। প্লেটো তার লেখায় উল্লেখ করেছেন আটলান্টিস হারকিউলিসের থামের (বর্তমান জিব্রালটার প্রণালী) কিছু সামনে অবস্থিত ছিল। মুলত,আটলান্টিস সাগরের মাঝে অবস্থিত হওয়ায় পুরো মহাসাগরে প্রভাব বিস্তার করা এই পরাশক্তির জন্য সহজ হয়ে গিয়েছিল। তাছাড়া, এর শত্রুদের জন্যও এটি হয়ে গিয়েছিল দুর্গম। সাগরের মাঝে অবস্থিত হওয়ায় ব্যবসা বানিজ্য ও নৌ প্রযুক্তিতে উন্নত হতে পেরেছিল এই পরাশক্তি। এর ভৌগলিক অবস্থা একে পুরো পৃথিবীর তৎকালীন সবচেয়ে উন্নত ও শক্তিশালী সভ্যতায় পরিনত হতে পরোক্ষভাবে সহায়তা করেছিল। আটলান্টিস, ঐশ্বর্যময় স্বপ্নরাজ্যঃ আটলান্টিস ছিল তার সময়ের সবচেয়ে ঐশ্বর্যশীল সভ্যতা। মহা সাগরে বিচ্ছিন্ন থাকাতে স্বভাবতই তাদেরকে নিজেদের অবকাঠামো নিজেদেরই গড়তে হয়েছে। তাই তারা যে অনেক দক্ষ ইঞ্জিনিয়ার ও আর্কিটেক্ট ছিল এতে কোন সন্দেহ নেই। আটলান্টিসের রাজধানী ছিল একটি ছোট পাহাড়ি দ্বীপে চারপাশে পানি দিয়ে ঘেরা, যার সাথে টানেল ও ব্রিজ দ্বারা সাম্রাজ্যের অন্যন্য অঞ্চল যুক্ত ছিল। টানেল গুলো এত বড় ছিল যে তা দিয়ে অনায়াসে বিরাট বিরাট জাহাজ চলাচল করত।সাম্রাজ্যের অনেক জায়গায় ছিল বিশাল, কর্মচঞ্চল বন্দর, যেখানে ছিল দেশ বিদেশের বানিজ্য জাহাজ ও আটলান্টিসের সামরিক নৌবহরের আনাগোনা। শিল্পীর চোখে আটলান্টিসের রাজধানী রাজধানী ও সাম্রাজ্যের অন্যান্য স্থানে ছিল অসংখ্য সুরম্য প্রাসাদ ও মন্দির। যাতে বাস করতেন রাজ পরিবার,অভিজাত ও পুরোহিতগন।রাজধানীর মুল অংশের কিছু বাইরে ছিল অসংখ্য শস্য শ্যামল ফসলের ক্ষেত। যাতে কৃষকেরা উৎপন্ন করতেন শহরের যাবতীয় খাদ্যসামগ্রী।এর পেছনে পাহাড়ের আড়ালে ছিল সুখী, সচ্ছল অসংখ্য গ্রাম। সাম্রাজ্যের অসংখ্য স্থানে ছিল সরগরম বাজার যাতে গ্রিস, এশিয়া,আফ্রিকা ও ইউরোপ হতে বনিক ও নাবিকেরা নিয়ে আসতেন ব্যপক পন্যদ্রব্য। শহরের বাড়িঘর ছিল বিশাল। বাগান, সুরুম্য ডাইনিং হল ছিল পাথরের দেয়াল দিয়ে ঘেরা। যে দেয়ালে শো পিস হিসেবে ব্যবহৃত হত হিরা, স্বর্ণ,রৌপ্য, চুনি, পান্না ইত্যাদি। শুধু প্রাচীনকালের হিসেবে নয়, আধুনিক যুগের বিবেচনাতেও এই অপার ঐশ্বর্য সত্যি স্বপ্নের মত। ধ্বংসস্তূপে পরিনত হওয়ার আগের দিন পর্যন্তও এই বিশাল অমুল্য সম্পদের আধার ছিল "সাগরের অলঙ্কার" আটলান্টিস। আটলান্টিসের সরকারব্যবস্থাঃ প্রাচীন পাণ্ডুলিপি হতে জানা যায় আটলান্টিস একদম শুরুতে শাসিত হত একজন রাজার দ্বারা। এই রাজা তার ১২ জন বয়স্ক জ্ঞানী নাগরিকদের দ্বারা গঠিত মন্ত্রনাসভার সাহায্যে আটলান্টিস শাসন করতেন। কিন্তু বেশ অনেক যুগ পরে রাজার একচ্ছত্র ক্ষমতা হারিয়ে যায় ও মন্ত্রনাসভা সকল ক্ষমতার উৎসে রুপান্তরিত হয়। রাজা তখন নামমাত্রে রাজ্য শাসন করতেন। আটলান্টিস এসময়ে অনেকটা গণতান্ত্রিক ছিল। কিন্তু, আরও বেশ কিছু যুগ পরে একজন কিংবদন্তি রাজা অসিরিস ক্ষমতা দখল করেন। তিনি আবার আটলান্টিসে রাজার একচ্ছত্র ক্ষমতা প্রতিষ্ঠিত করেন। শিল্পীর চোখে রাজা অসিরিস এসময় সাম্রাজ্য এর ক্ষমতার শীর্ষে ওঠে। অসংখ্য দেশ বিজিত হয়। এসকল উপনিবেশে আটলান্টিসের গভর্নরগন শাসন করতেন।অনেক যুগ পর এধরনের রাজতন্ত্র যখন প্রচলিত ছিল তখনই এই শক্তিশালী সাম্রাজ্য অভূতপূর্ব প্রাকৃতিক দুর্যোগে ধ্বংসস্তূপে পরিনত হয়। আটলান্টিসের সামরিক শক্তিঃ সাগর দ্বারা ঘেরা থাকায় জীবনযাপনের প্রয়োজনে আটলান্টিসবাসীরা নাবিকের জিবনে অভ্যস্থ হয়েছিল। তারা জাহাজ শিল্পের অভূতপূর্ব উন্নতি সাধন করে এবং বিশ্বের প্রথম সুসংঘটিত নৌ বাহিনী গড়ে তুলে। এই নৌ বাহিনীতে ছোট বড় যুদ্ধ জাহাজ ও নৌকা ছিল যাতে করে নাবিকেরা পুরো আটলান্টিক মহাসাগরে বিচরন করতেন। তাদের নৌ বাহিনীতে মহাসাগরের একেক অংশ নিয়ন্ত্রনের জন্য আলাদা আলাদা নৌ বহর ছিল। আটলান্টিক নৌ বহরের যুদ্ধজাহাজ এছাড়াও আটলান্টিসের ছিল বিরাট ও ভয়ঙ্কর সেনাবাহিনী। সাধারনত আটলান্টিসের সামরিক বাহিনীর সৈনিকরা একই সাথে নাবিক এবং সৈনিক ছিল যারা পানিতে ও মাটিতে সমানভাবে যুদ্ধ করতে পারত। এই বৈশিষ্টই আটলান্টিক সামরিক বাহিনীকে করে তুলেছিল অপরাজেয়। আটলান্টিসের সেনাবাহিনিতে প্লেটোর মতেঃ ১০০০০ ঘোড়ার গাড়ি, ২০০০০ ঘোড়া, ২০০০০ অশ্বারোহী, ১২০০০০ তীরন্দাজ ও ২০০০০০ পদাতিক সেনা ছাড়া আরও অনেক সৈন্য ছিল। নাবিক ছিল কমপক্ষে ২ লক্ষ। এই বিরাট ও ভয়ঙ্কর সামরিক বাহিনীর সাহায্যে আটলান্টিস এশিয়া মাইনর, আফ্রিকা ও ইউরোপের অধিকাংশ রাজ্য দখল ও ধ্বংস করে। এই বাহিনী একমাত্র গ্রীসের এথেন্সের কাছেই পরাজিত হয়েছিল। আর এই পরাজয়ের অব্যবহিত পরেই সাগরের অতলে তলিয়ে যায় এই শক্তিশালী অপরাজেয় সাম্রাজ্য তার বিপুল সামরিক শক্তি নিয়ে। একজন এথেনিয়ান সৈনিক ধ্বংস ও বিলুপ্তিঃ প্লেটোর মতে বিশাল এক জলোচ্ছ্বাস ও বন্যায় সাগরের অতলে তলিয়ে যায় আটলান্টিস, তার সকল ঐশ্বর্য, শক্তি ও গৌরব নিয়ে।ধারনা করা হয় কোন আগ্নেয়গিরির অগ্নুৎপাতের ফলে এই বিপর্যয় ঘটতে পারে। তবে আধুনিক গবেষণা এ ব্যাপারে অনেক নতুন নতুন ও ইন্টারেস্টিং তথ্য সামনে নিয়ে এসেছে। ধ্বংস হচ্ছে আটলান্টিস গুপ্তধনের সন্ধানেঃ সেই আড়াই হাজার বছর আগে প্লেটোর সময় থেকেই আটলান্টিসের অস্তিত্ব নিয়ে বিতর্ক হয়ে আসছে। মধ্যযুগে অনেক ইউটোপিয়ান সাহিত্যিক আটলান্টিসকে তাদের লেখায় উল্লেখ করেছেন। আধুনিক যুগের শুরুতে শিল্প বিপ্লবের পরে সাগরপথে পৃথিবী আবিষ্কারের অভিযানে জড়িয়ে পড়ে ইউরোপের অনেক জাতি। হারানো আটলান্টিসের ঐশ্বর্য সেসময় অনেক নাবিক ও জলদস্যুর ঘুম হারাম করেছিল। তারই প্রমান পাওয়া যায় নিচের ম্যাপে, যেখানে খুব সিরিয়াসনেসের সাথে ফুটিয়ে তোলা হয়েছে আটলান্টিসের অবস্থানঃ ১৮২২ সালে আঁকা এল দনলের আটলান্টিসের ম্যাপ একের পর দুঃসাহসিক অভিযানেও এই হারানো পরাশক্তির কোন কুল কেউ পায় নি। তাই ক্রমেই আটলান্টিস হয়ে যায় একটি গল্প। অনেক ক্ষেত্রে একে উপমা হিসেবে ধরে নেওয়া হয়। বেশিরভাগ বিদ্বান লোকই আটলান্টিসের অস্তিত্ব কখনো ছিল না বলে মত দেন। বিতর্ক শুরু হয় আবার ১৯৬০ সালে।একজন গ্রীক প্রত্নতত্ত্ববিদ এঞ্জেলো গালানোপোলাস দাবি করেন যে অনেক অনেক হাজার বছর আগে আটলান্টিক অঞ্চলে যে এক বিশাল অগ্নুৎপাত হয়েছিল তার প্রমান তিনি পেয়েছেন। তার মতে ঐ আগ্নেয়গিরির অগ্নুৎপাতে অনেক গ্রীক নগরীর মত আটলান্টিসও তলিয়ে যায় সাগরে। এই দুর্যোগ গ্রীক দ্বীপ সান্তরিনিকে দুই ভাগ করে দিয়েছিল। গ্রীক প্রত্নতত্ত্ববিদ এঞ্জেলো গালানোপোলাস এঞ্জেলো গালানোপোলাসের লেখা ছাপা হওয়ার পর থেকেই নতুন করে আটলান্টিসের সন্ধান শুরু হয় যা এখনও চলছে। এপর্যন্ত এই ব্যাপারে অসংখ্য বইপত্র ও গবেষণা বের হয়েছে। অনেক গবেষণা এখনও হচ্ছে।অনেকেই আটলান্টিসের অস্তিত্ব স্বীকার করেছেন। কিন্তু, কোথায় ছিল আটলান্টিস? কোথায় সাগরের তলে পাওয়া যাবে অকল্পনীয় ঐশ্বর্য?অনেকের মতে সেন্ট্রাল আমেরিকা, কারো মতে আফ্রিকা কেউবা বলেন চীন সাগরের কথা। হাজার হাজার বছর আগের একসময়ের জ্ঞান গরিমা, সভ্যতার আলোয় উজ্জ্বল, সামরিক শক্তিতে অপরাজেয়, চোখ ধাঁধানো অপরিমেয় ঐশ্বর্যের আটলান্টিস ঘুমিয়ে আছে সাগরের নিচে অপেক্ষমান হয়ে। কে হবে সেই ভাগ্যবান? তথ্যসুত্রঃ ১। তিমিয়াস - প্লেটো ২। history- peter moor ৩। সেলেসটার মেন অব আটলান্টিস - ক্লারা ভন রাভেন ৪। আটলান্টিসঃ ফ্যাক্ট অ্যান্ড সামারি ৫। introduction to philosophy - philip pecarino ৬। দর্শনের ইতিহাস - উইল ডুরান্ত সর্বশেষ এডিট : ১৩ ই ফেব্রুয়ারি, ২০১৬ বিকাল ৫:৫৬ ক্রল করার তারিখ: February 5th, 2017 7:52 pm ভাষা: bn প্রথম পাতা  আমাদের সম্পর্কে  কিভাবে সার্চ করবেন?  শর্তাবলী  গোপনীয়তা  উন্নয়নে ©২০১৫ - ২০১৭ ফেরাব ল্যাবস ইনকর্পোরেটেড। সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত।বাংলাEnglish


এডিট ডিলিট প্রিন্ট করুন  অভিযোগ করুন     

গল্পটি পড়েছেন ৪৮৫ জন


এ জাতীয় গল্প

গল্পটির রেটিং দিনঃ-

গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করুন

গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করতে আপনার একাউন্টে প্রবেশ করুন ... ধন্যবাদ...