গল্পেরঝুড়ির এ্যাপ ডাউনলোড করুন - get google app
গল্পেরঝুড়ি ফানবক্স ! এখন গল্পের সাথেও মজাও হবে! কুইজ খেলুন , অংক কষুন , বাড়িয়ে নিন আপনার দক্ষতা জিতে নিন রেওয়ার্ড !

সুপ্রিয় গল্পের ঝুরিয়ান ... গল্পেরঝুড়ি একটি অনলাইন ভিত্তিক গল্প পড়ার সাইট হলেও বাস্তবে বই কিনে পড়ার ব্যাপারে উৎসাহ প্রদান করে... স্বয়ং জিজের স্বপ্নদ্রষ্টার নিজের বড় একটি লাইব্রেরী আছে... তাই জিজেতে নতুন ক্যাটেগরি খোলা হয়েছে বুক রিভিউ নামে ... এখানে আপনারা নতুন বই এর রিভিও দিয়ে বই প্রেমিক দের বই কিনতে উৎসাহিত করুন... ধন্যবাদ...

সুপ্রিয় গল্পেরঝুরিয়ান... জিজেতে আজে বাজে কমেন্ট করা থেকে বিরত থাকুন ... অন্যথায় আপনার আইডি বা কমেন্ট ব্লক করা হবে... আর গল্প দেওয়ার ক্ষেত্রে গল্প দেওয়ার নিয়ম মেনে চলুন ... সার্বিকভাবে জিজের নীতিমালা মেনে চলার চেস্টা করুন ...

আপনার কষ্ট কিসের এতো?

"রোম্যান্টিক" বিভাগে গল্পটি দিয়েছেন গল্পের ঝুরিয়ান রিয়েন সরকার (৮৩ পয়েন্ট)



-আপনার কষ্ট কিসের এতো?(ফিজা নামের মেয়েটি আমায় জিজ্ঞেস করলো।) -আমার তো কোনো কষ্ট নেই।(আমি স্বাভাবিক গলায় বললাম।) -অবশ্যই আছে।(জোর দিয়ে বললো ফিজা।) -শুনতে চাও সত্যিই? -হুম, শুনতে চাই। -তাহলে শোনো। -বলুন। ( ফিজা নামের মেয়েটি আমার মুখোমুখি বসে আছে। খুব উত্তেজিত আর কৌতুহলী মনে হচ্ছে ফিজাকে। আমি কফির মগে চুমুক দিয়ে বলতে শুরু করলাম।) . আমার অবস্থা তখন ভীষণ করুণ। সবে মাত্র অনার্সে ভর্তি হয়েছি। সংসারের অবস্থা একেবারে নাস্তানাবুদ। বাবার কোনো কাজ-কাম নেই। বাবা আমাদের দু-বেলা দু মুঠো খাবার জোগাতেই যেনো হিমসিম খেয়ে পড়ছে। আমাদের মধ্যবিত্ত পরিবার। তবে উচ্চ মধ্যবিত্ত নয়। নিম্ন মধ্যবিত্ত। তবুও যে মধ্যবিত্ত পরিবার আমাদের। কারো কাছ থেকে চাইতেও যে আমাদের চক্ষুলজ্জা বাধা হয়ে দাঁড়ায়। রোজার মাস সামনে। কয়েকদিন পরেই রোজা শুরু হবে। এমন অবস্থায় সংসারের বড় ছেলে হিসেবে আমার তো কিছু করা উচিত। কিন্তু প্রকৃতির বাঁধাতে আমিও কিছু যেনো করতে পারছি না। অথচ সেই মাধ্যমিক পাশ করেই আমি আমার নিজের খরচ চালানোর জন্য কিছু না কিছু একটা করেছি। . সেবার বাইরে বেড়োতেও আমার ভীষণ লজ্জা করে। পকেটে একটা টাকার অস্তিত্বও নেই। পুরুষ মানুষের পকেট খালি থাকলে বাইরে বেড়োনো যায় না। চারেদিকের মানুষের দিকে তাকাতেও যেনো ভীষণ লজ্জা লাগে। মনে হয় জগতের সবাই জানে এই মানুষটার পকেটে একটা টাকাও নেই। সে ভীষণ গরীব। আমাদের মতো মানুষেরা সমাজের চোখে গরীব হলেও আমাদের নিজের চোখে নিজেকে গরীব দেখতে বা ভাবতে যেনো খুবই কষ্ট এবং লজ্জা লাগে। . দেখতে দেখতে রোজার মাস চলে এলো। আমি অনার্সে ভর্তি হয়ে একটা দিনও ক্লাসে যায় নি। তেমন প্রয়োজন ছাড়া বাইরেই বেড়োয় নি। আমার অমন ঘরকুনো স্বভাব দেখে বাবা মাঝে মাঝে হাতের মাঝে দশ টাকার একটা নোট গুজে দিতে দিতে বলতো, যাও বাজান বাইরে থেকে এক কাপ চা খেয়ে এসো। কিন্তু আমি যেতাম না। কারণ তখন থেকেই বুঝতে পারা শিখেছিলাম বাবা ঐ দশটা টাকা কত কষ্ট করে উপার্জন করে এনেছে। তার অত কষ্টার্জিত টাকা দিয়ে চা খাওয়ার মতো বিলাসিতা স্বভাব আমার মোটেও উচিত হবে না ভেবেই যেতাম না। বাবা বাড়ি থেকে বের হলে আমি মায়ের হাতে দুমড়ানো-মুচড়ানো দশ টাকার নোটটা ধরিয়ে দিতে দিতে বলতাম, মা আমার শরীরটা বেশ ভালো না। বাইরে যেতে মোটেও ইচ্ছে করছে না। টাকাটা তোমার কাছেই রেখে দাও। প্রয়োজন পড়লে খরচ করো। . মা আমার দিকে শান্ত চোখে তাকাতো। কিছু বলার মতো ভাষা তার জানা ছিলো না বলেই সে নিরব থাকতো। মায়েরা তো সন্তানদের বুঝতে পারে। জগতের প্রতিটা মায়ের ভেতরেই এই সুপার ন্যাচারাল পাওয়ার দিয়ে সৃষ্টিকর্তা পাঠিয়েছেন। সেই সুবাধে আমার মায়ের ভেতরেও সন্তানকে বোঝার এমন শক্তি সৃষ্টিকর্তা দিয়েছেন। দেখতে দেখতে সেবার রোজা চলে এলো। রোজার একমাস রোজা থাকতে পারি নি। অভাবের কারণে রোজা থাকতে পারি নি বললে সবাই হয়তো হাসাহাসি করতে পারে। তবুও রোজা না থাকার কারণ ঐ অভাব। ঘরে শুয়ে বসে থাকতে থাকতে ঈদ চলে এলো। ঈদ উপলক্ষ্যে কত জনের কত যে আয়োজন তার কোনো হিসেব থাকে না। আমাদের কোনো আয়োজন সেবার ছিলো না। . ঈদ কেটে গেলো অন্যান্য দিনের মতোই স্বাভাবিক। আর দুঃখ-কষ্টে ভরা। বুঝতেই পারলাম না যে ঈদের দিন ছিলো ওটা। শুধু বিশাল আয়োজন করে যে নামাজটা হয় সেখানে গিয়েই মনে হয়েছিলো আজ ঈদের দিন। তাছাড়া কখনও মনে হয় নি। দিনকাল আমাদের আগের মতোই রইলো। আমি কাজ খুঁজছি না। এমন অবস্থায় আমার সবকিছু ছেড়ে-ছুঁড়ে দিয়ে যেকোনো কাজে লেগে যাবার কথা। কিন্তু আমি তা করতে পারি নি। অভাবের চেয়ে আমার কাছে চোখের লজ্জাটা বরাবরের মতোই বড় আকারে ধরা দেয়। ঈদের মাস দেড়েক পর আমার একটা মেয়ের সাথে পরিচয় হয়। নিজের টাকায় কেনা একটা মোবাইল ছিলো আমার কাছে। সেই সুবাধে বর্তামন প্রযুক্তির কিছু একটার সাথে আমি জড়িত। অবশ্যই এই সামাজিক মাধ্যম ফেসবুকের সাথে জড়িত। এখানেই একটা মেয়ের সাথে আমার বেশ সখ্যতা গড়ে উঠে। প্রথমে বন্ধুত্ব। তারপর সেই বন্ধুত্বটা বেশ গভীর হয়ে উঠে।।একটা ছেলে-মেয়ের বন্ধুত্বে গভীরতা আসলে তা প্রেমের দিকেই মোড় নেই। হয়তো আমাদেরও তাই নিয়েছিলো। . কোনো এক কারণে মেয়েটিকে আমার বেশ ভালো লাগতো। ওর এখন একটা ছদ্মনাম দেওয়া উচিত। বারবার মেয়েটি বলতে ভালো লাগবে না। ওর নাম দিলাম জেসি। জেসির সাথে আমি আস্তে আস্তে আমার সবকিছু শেয়ার করতে শুরু করে দিলাম। আমার দুঃখ, আমার কষ্ট, আমার সুখ-আনন্দ, আমার ভালোলাগা সব। টেক্স করতে করতে আমরা ফোনে কথা বলা শুরু করলাম। যেবার প্রথম আমরা ফোনে কথা বলি সেদিনের কথা মনে পড়লে এখনও আমার ভেতর শিহরণ বয়ে যায়। একটা নারীকন্ঠ আমার সাথে মিষ্টি ভাষায় কথা বললো। আমি মুগ্ধ হয়ে তার সেই কন্ঠস্বর উপভোগ করছিলাম। ফেসবুকে সবসময় কথা বলতাম। আর যখনই সময় হতো তখনই মোবাইলে কথা হতো আমাদের। জেসিই আমাকে ফোন দিতো। কারণ আমার ফোন দিয়ে কথা বলার অবস্থা তখন ছিল না। দুর্দিনে এক অসম্ভব সুন্দর মানুষকে পেয়েছিলাম তখন। সে আমার মন খারাপ থাকলে মন ভালো করে দিতো। আমার গলায় গান শুনতো। আরো কতকিছু গল্প হতো আমাদের মাঝে তা কখনও ভুলে থাকার মতো ঘটনা নয়। . জেসি আমার ফোনে অকারনে ফ্লেক্সি দিয়ে দেওয়া শুরু করলো। ও আমায় ফোন দিতো। তবুও রোজ পঞ্চাশ টাকা করে ফ্লেক্সি দিয়ে দেবে। মানা করতাম শুনতো না। একদিন আমায় সে কিছু টাকা বিকাশ করলো। অর্থনৈতিক আদান-প্রদান এভাবেই শুরু হয়। যদিও টাকা আমায় শুধু জেসিই দিতো। আমি ওকে কখনও দিতাম না। জেসির ওপর নির্ভরশীলতা বেড়ে উঠলো আমার। আমি বাড়ির বাইরে বের হতে শুরু করলাম। জেসির সাথে আমার সম্পর্কটা ততদিনে ভালোবাসার পর্যায়ে চলে গিয়েছে। আমি তখনই বুঝতে পেরেছিলাম জেসিকে আমি কতটা ভালোবাসতাম। ওকে ছাড়া কিছুই বুঝতাম না। ভালো লাগতো না। ওর সাথে রাগারাগি হলে না খেয়ে থাকতাম। পরে ও একটু ভালোবাসা দিলেই সব ভুলে যেতাম। ও আমায় বকতো, শাসন করতো, ভালোবাসতো। সবই আমার ভালো লাগতো। কারণ সে ছিলো আমার ভালোবাসা। . দেখতে দেখতে আবারো একটা ঈদ চলে আসলো। জেসির সাথে তখন আমার সম্পর্কটা সবকিছুর ঊর্ধে। ভালোবাসার তীব্রতা জেসিই আমাকে শিখিয়েছে। কিভাবে কাউকে আগলে রাখতে হয়, আর কিভাবে কাউকে ভালোবাসতে হয় তা জেসিই আমায় শিখিয়ে গেছে। সেবার ঈদ নিয়ে আমার যে কত আনন্দ। তা শুধু জেসির জন্যই। ও আমার জন্য শপিং করছে। আমার পরিবারের জন্যও করছে। অদ্ভুত ব্যাপার হলো আমার এতে লজ্জা পাবার কথা। কিন্তু মোটেও লজ্জা পাই নি। আমি গভীর ভালোবেসে তা গ্রহণ করেছি। যে ভালোবাসার স্বাধটুকু জেসিই আমায় দিয়েছে। আমার হাতে তখন বেশ টাকা। তাও জেসিরই দেওয়া। আনন্দের সাথে খরচ করছি আর ঈদ উৎসব পালন করছিলাম। এত আনন্দ আমার দীর্ঘ পঁচিশ বছরের কোনো ঈদেই পাই নি। . মনে মনে জেসির জন্য আমি রোজ রাতেই একটা করে তাজমহল বানাতাম। আবার রাত শেষে ভেঙে ফেলতাম। আমার ভালোবাসাটা এতটা মধুর ছিলো যে একবারও মনে হয় নি যে আমি জেসিকে একটিবারের জন্যও দেখি নি। হুম, সত্যিই আমি ওকে সরাসরি একবার দেখি নি। শুধু ছবিতে দেখা হয়েছে আমাদের। কারো সাথে সামনাসামনি না দেখেও যে এতটা পাগলের মতো ভালোবাসা যায় তা উপলব্ধি করতাম তখনও। হঠাৎ করে আসার জীবনের আনন্দময় দিনের আবার অবসান ঘটহে শুরু করলো। জেসির বিয়ে ঠিক হয়ে গেছিলো। কিছুতেই তা আটকানোর মত ছিলো না। দুজন দুজনকে এতটা ভালোবেসেছিলাম যে দুজনই দুজনকে সঠিক সময়ে বুঝতে পারতাম। ভাগ্য বলে কিছু আছে তাকে মেনে নিয়ে আমরা আমাদের সম্পর্কটাকে অসম্পূর্ণ রাখলাম। দুজনের ভালোবাসাকে উৎসর্গ করে দিলাম দুজনের সুখের তাগিদে। জেসির বিয়ে হলো। আমি আস্তে আস্তে আবার একা হয়ে গেলাম। তবে সেই একাকিত্বে ভর করলো বিষাদমাখা কষ্ট। . এত গরীব হওয়া স্বত্তেও কখনও যত কষ্ট পাই নি জেসিকে হারিয়ে তার চেয়ে কষ্ট পেলাম কয়েকগুন বেশি। চোখের পাতায় অশ্রুদের ভীড় লেগে থাকতো সবসময়। বুঝতে পারলাম তখন যে, সুখ ক্ষণস্থায়ী। সেই ক্ষণস্থায়ী সুখের জন্য মানুষের কষ্টটা সারাজীবনের। জেসির পরে আর কেউ আমাকে ওভাবে বুঝে নি। ভালোবাসতে আসে নি। আসবেও না কোনোদিন। আমি এখনও তাকে ভীষণ ভালোবাসি। এবারও ঈদ এসেছে। আমি অনার্স কমপ্লিট করে একটা জব করছি। মোটামুটি পরিবারের দুঃখ-কষ্টটাকে লাঘব করার চেষ্টা করছি। অনেকটাই পেরেছি। এবার ঈদে আমার পরিবারের সবাইকে আমার নিজের টাকায় সবকিছু কিনে দিয়েছি। সবার যে আনন্দমাখা মুখ তা দেখে পরম প্রশান্তি অনুভব হয়। পরিবার পরিজনদের এই আনন্দটা আমি সবসময় দেখতে চাই। সবার জন্য সবকিছু কিনেছি। শুধু আমার জন্য একটা জিনিস কিনেছি। আমার জেসির জন্য ছোট একটা জিনিস কিনেছি। কিন্তু তাকে এখনও তা দিতে পারি নি। আসলে জেসি এখন কোথায় থাকে তা আমি জানি না। না জানার কারণ আগেই বলেছি। জেসির বিয়ে হয়ে যাওয়ার পর সামান্য কিছুদিন যোগাযোগ ছিলো। তারপর আর সম্ভব হয় নি। . এবার আমার ঈদ কাটছে নিরানন্দ ভাবে। হয়তো জবীবনের বাকি ঈদগুলোও এভাবেই কাটবে। জীবনে যা পেয়ে হারিয়ে ফেলা হয় তা আর খুঁজে পাওয়া সম্ভব হয় না। তবুও আমি বোকার মত খুঁজি। আমি জেসিকে খুঁজি এখনও। কখনও কোথাও যদি আবার জেসিকে পেয়ে যায় তবে মন্দ হবে না। আমি জেসিকে খুব ভালোবাসি। কতটা ভালোবাসি তা কাউকে কখনও বুঝিয়ে বলতে পারবো না। নিজেকে নিজের মধ্যে গুটিয়ে রাখার স্বভাবটা আমি আয়ত্ত করেছি অনেক আগেই। সেই স্বভাবটা এখন বহমান আছে আমার ভেতর। যে দুঃখ-কষ্টের কথাটা বললাম তা কোনো এক অতীত কালের মনে হলেও আমার কাছে তা সবসময় বর্তমান বলে মনে হয়। সবসময় জেসিকে ভাবি। চোখের কোণায় টলমল করে জল। ছুঁটে বের হয়ে আসতে চাই সেই জল। কিন্তু বের করি না। এখন বেশ স্বাচ্ছন্দ্যেই দিন কাটে আমাদের। শুধু আমার ভেতর হারিয়ে ফেলা মানুষটার জন্য প্রতিনিয়তই অস্থিরতা অনুভব হয়। এই অস্থিরতার অনুভব আমি সারাজীবন পেতে চাই। সারাজীবন আমি আমার জেসিকে স্মরণ করতে চাই। আর জনে জনে প্রতিটা মানুষের কাছে বলে বেড়াতে চাই আমার জেসির কথা। . -কি হলো, ওভাবে তাকিয়ে আছো কেনো? (ফিজাকে জিজ্ঞেস করলাম।) -না কিছু না। (ও আমার থেকে চোখটা আড়াল করার চেষ্টা করলো। আমি স্পষ্ট দেখতে পেলাম ও চোখ মুচছে।) -চলো উঠি এবার। (আমি কিছু না বোঝার ভান করে বললাম।) -হুম। চলুন। আমি কিন্তু বিল পে করবো। -আরে না না। আমার এখন টাকা আছে। -চুপ। একদম চুপ। -ওকে। (আমি চুপ করে বসে রইলাম। ফিজার শাসনী মেজাজ দেখে অবাক হলাম। ও কি জেসি হবার চেষ্টা করছে? কিন্তু তা তো কখনও সম্ভব নয়।) -চলুন। (ফিজা বিল দিয়ে এসে আমায় উঠতে বললো।) -চলো। (আমি ফিজাকে অনুসরণ করে রেস্টুরেন্ট থেকে বের হলাম। বের হবার সময় মনে হলো আমরা বসে বসে এক কাপ কফি খাই নি। আমরা দুজনে মোট ১০ কাপ কফি শেষ করে ফেলেছি।) . #লেখকের_কথা কিছু সত্য মিথ্যে নিয়ে লেখা গল্প। ভালো লাগা ভালোবাসা থেকে লেখা। কোনো কথা বলার মতো খুঁজে পাচ্ছি না। গল্প যেমনই হোক লেখার সময় খুবই ভালো লাগে। পরে কি হয় জানি না। লেখক হিসেবে পাঠকের উৎসাহ অণুপ্রেরণা আমায় এগিয়ে যেতে সাহস জোগায় . লেখা:- নিনিত নিলয়


এডিট ডিলিট প্রিন্ট করুন  অভিযোগ করুন     

গল্পটি পড়েছেন ২৯০ জন


এ জাতীয় গল্প

→ এ মায়ের কি কষ্ট
→ আপনার প্রশ্নের জবাব
→ সীরাহ কেন পড়া উচিৎ? রাসূল (সাঃ)-আপনার জন্য সর্বোত্তম আদর্শ – দ্বিতীয় পর্ব
→ ভালবেসে না পাওয়ার কষ্ট
→ তুমি কিসের মতো -পর্ব ২ (শেষ পর্ব)
→ তুমি কিসের মতো?
→ একদিন সময় আপনার
→ হাজার কষ্ট বুকে নিয়ে ,, বলে সব ঠিক আছে ,,
→ কি নাম বললেন আপনার??
→ মা-বাবা আপনারা তো অপরাধী

গল্পটির রেটিং দিনঃ-

গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করুন

গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করতে আপনার একাউন্টে প্রবেশ করুন ... ধন্যবাদ...