গল্পেরঝুড়ির এ্যাপ ডাউনলোড করুন - get google app
গল্পেরঝুড়ি ফানবক্স ! এখন গল্পের সাথেও মজাও হবে! কুইজ খেলুন , অংক কষুন , বাড়িয়ে নিন আপনার দক্ষতা জিতে নিন রেওয়ার্ড !

সুপ্রিয় গল্পের ঝুরিয়ান গন আপনারা শুধু মাত্র কৌতুক এবং হাদিস পোস্ট করবেন না.. যদি হাদিস /কৌতুক ঘটনা মুলক হয় এবং কৌতুক টি মজার গল্প শ্রেণি তে পরে তবে সমস্যা নেই অন্যথা পোস্ট টি পাবলিশ করা হবে না....আর ভিন্ন খবর শ্রেনিতে শুধুমাত্র সাধারন জ্ঞান গ্রহণযোগ্য নয়.. ভিন্ন ধরনের একটি বিশেষ খবর গ্রহণযোগ্যতা পাবে

সুপ্রিয় গল্পেরঝুরিয়ান... জিজেতে আজে বাজে কমেন্ট করা থেকে বিরত থাকুন ... অন্যথায় আপনার আইডি বা কমেন্ট ব্লক করা হবে... আর গল্প দেওয়ার ক্ষেত্রে গল্প দেওয়ার নিয়ম মেনে চলুন ... সার্বিকভাবে জিজের নীতিমালা মেনে চলার চেস্টা করুন ...

আমার টাকা দে

"রোম্যান্টিক" বিভাগে গল্পটি দিয়েছেন গল্পের ঝুরিয়ান রিয়েন সরকার (৮৩ পয়েন্ট)



- আমার টাকা দে। (আমি) - কিসের টাকা? (অর্ণি) - কিসের টাকা মানে? আমার মানি ব্যাগ থেকে পাঁচশ টাকা নিয়েছিস সেটা দে। - আমি কেন তোর টাকা নিতে যাবো? - কেন নিয়েছিস তুই জানিস? তুই আমার টাকা দে। - আমি তোর কোনো টাকা নেইনি। - আম্মু... এই আম্মু.... আমমমমমমম্মু। - আসছি... (রান্নাঘর থেকে) - তাড়াতাড়ি আসো। - তুই আম্মু ডাকছিস কেন? বলছি না আমি টাকা নেইনি। - কি হয়েছে? এতো চেঁচাচ্ছো কেন? (আম্মু) - ওকে বলো আমার টাকা দিতে। - কিসের টাকা? (আম্মু) - রাতে আমি ব্যাগে ১৫০০ টাকা রেখেছি, এখন দেখি ১০০০ টাকা আছে আর ৫০০ টাকা নেই। - আমি কেন তোর টাকা নিতে যাবো? তোর টাকা তুই কোথায় হারিয়েছিস তুই জানিস। এখন আমাকে এসে ধরছিস। (অর্ণি) - তুই ছাড়া আমার টাকা ধরবে কে? - ধরছি ভালো করছি। তুই আমার বাজির টাকা দিসনি সেইটা এখন আমি নিয়ে নিয়েছে সমান সমান। - কিসের বাজি? - কেন মনে নাই, চ্যাম্পিয়ন ট্রপিতে বাংলাদেশ বনাম ভারতের খেলাতে আমি বলছি ভারত জিতবে, তখন তুই বাংলাদেশ জিতবে বলে বাজি ধরেছিলি।বাজিতে আমি জিতছিলাম তুই সেটা টাকা দিয়েছিলি? দিস নি! এখন আমি সুযোগে পেয়েছি মেরে দিয়েছি। - তুই তো রাজাকার তাই দেইনি। - হুম রাজাকার হয়েছি ভালো... - তুমি কোথায় যাচ্ছো ওকে বলো টাকা দিতে। ঐ টাকা দে.. না হলে এবার তুই আমার হাতে মার খাবি। - এই নাও, যাও অর্ণির সাথে আর ঝগড়া করতে হবে না। - তুমি ওকে ১০০০ টাকা কেন দিচ্ছো? আমি তো ৫০০ টাকা নিছি। ঐ আর ৫০০ টাকা আমাকে দে। - যা সর... বাড়তি ৫০০ টাকা এতক্ষণ ঝগড়া করার পারিশ্রমিক পেয়েছি তোরে কেন দিবো? - চুপ করো, আর কোনো চেঁচামেচি যেন আমি না শুনি। (আম্মু) - আম্মু... ঐ আর ৫০০টাকা দে, না হলে সুযোগ পেলে আরও বেশি মেরে দিবো। (অর্ণি) - মারিস, যতই মারবি আম্মু ৫০০ টাকা বেশি দিবে। - তুই আমার ভাই না, তুই আমার সৎ ভাই... সব সময় আমার সাথে ঝগড়া করিস। তোর সাথে আমার কোনো কথা নাই। তুই আমার সাথে কোনো কথা বলবি না। - রাগ দেখাচ্ছিস, ওকে দেখা কিন্তু তোর কাছে মাফ চাই আমার মানিব্যাগ ধরিস না। - ... (চুপ হয়ে আছে) . আমার ছোটবোন অর্ণি, দুনিয়া সব শয়তান মনে হয়। সব সময় আমার পিছনে লেগে থাকবে। প্রতিদিন ওর সাথে আমার একটি যুদ্ধ (ঝগড়া) হবেই। আর মাঝখানে আম্মু এসে জাতিসংঘের দায়িত্ব পালন করে। ও আমার মানিব্যাগ খালি করবে আর আম্মু প্রতিবার আমাকে পাঁচশ টাকা বেশি দিয়ে আমার মানিব্যাগ ভরিয়ে দিবে। ওহ হ্যা আমার বোন আবার সব সময় আমার মানিব্যাগ খালি করে না। যখন আমি ওর সাথে চিটিংবাজি করি তারপরই করবে। . ওর সাথে ঝগড়া শেষে বাসা থেকে বের হয়ে পড়লাম। এসেই বন্ধুদের সাথে আড্ডা দিচ্ছি। . - কিরে কেমন আছিস? (আমি) - ভালোই.. রোজা থেকে থেকে শুকিয়ে কাঠ হয়ে যাচ্ছি। (অভি) - কিরে চুপচাপ কেন? কি হয়েছে? (আমি) - কিছু হয় নাই? ক্লান্ত রোজা রাখছি তো। (রিফাত) - মাত্র সকাল ১০টা বাজে আর তোরা ক্লান্ত? সারাদিনে তো মনে হচ্ছে তোরা মরে যাবি। টেনশন নিস না কালকেই তো ঈদ। খাইয়া একবারে ডাম হয়ে যাবি। - হ ... কাল থেকে টাইছে খামু আর খামু। (অভি) - তো মামা কি কি কিনছস এবার ঈদের জন্য? (রিফাত) - কিছু কিনি নাই, শার্ট, প্যান্ট টি-শার্ট, আর নিহা পাঞ্জাবী গিপ্ট করছে ... দোস্ত আমি যাইরে বাসায় ফোন রেখে আসছি, নিহা নির্ঘাত মেসেজ করে এতক্ষণে পাহাড় বানিয়ে ফেলছে। (আমি) . পাঞ্জাবীর কথা বলতেই মনে হলো আমি তো বাসায় মোবাইল রেখে চলে আসছি। তাড়াতাড়ি করে বাসায় আসলাম। বাসায় এসেও মোবাইল পাচ্ছি না। কোথায় যে রেখেছি? আজকে ঝাড়ি মিস নাই। খাইতেই হবে। পুরা রুম খুঁজেও মোবাইল পাইনি। রুম থেকে বের হয়ে টিভির রুমে এসে সোপাতে খুঁজছি। তখনি অর্ণি বলে .... . - কি খুঁজচ্ছিস, এই নে তোর মোবাইল। - তুই আমার মোবাইল ধরলি কেন? - তুই সোপাতে রেখে চলে গেছিলি কেন? নিহা ভাবি মেসেজ করছে ওর সাথে কথা বলছি। - এদিক দে... যা এখান থেকে.. - আমি কেন যাবো ঘর কি তোর একার নাকি। - ধুরর... . ওর থেকে উঠে আমার রুমে চলে আসলাম। তারপর নিহাকে মেসেজ করলাম... . - সরি বাসায় মোবাইল রেখে বাইরে চলে গেছিলাম। (আমি) - তুমি অর্ণির সাথে ঝগড়া করেছো কেন? (নিহা) - কখন ঝগড়া করলাম? ও আমার টাকা নিয়েছে সেটা দিতে বলেছি। - তুমি ওর সাথে ঝগড়া করেছো তো করেছো আবার আম্মুর থেকে ১০০০ হাজার টাকা নিলে কেন? - ও টাকা দিবে না আম্মু জানে তাই আম্মু নিজেই আমাকে ১০০০ হাজার টাকা দিলো। - যাও ওকে ৫০০ টাকা দিয়ে আসো। - কেন? - আমি বলছি দিয়ে আসতে। - না, আমার কালকে টাকা লাগবে। - তোমাকে বলেছি ওকে ৫০০ টাকা দিতে ওকে। - 'ধুররর' যাচ্ছি। - এই নে... হা করে তাকিয়ে দেখছিস কি? নে ধর। যাকে বিচার দিলি সে তোকে টাকা দিতে বলছে। - থ্যাংকইউ, আমার ভাবি তো। তোর মতো গুন্ডা না। - লাত্... ধুর... এটার জ্বালাও বাচি না.. হ্যালো। - অর্ণিকে মোবাইলটা দাও.. - একদিনে একবারে ননদ ভাবির প্রেম জমে উঠেছে। - কি হলো দাও। - এই নে কথা বল। - হ্যালো ভাবি বলো। (অর্ণি) - তোমাকে আরিফ টাকা দিয়েছে তো? (নিহা) - টাকা তো দিয়েছে... কিন্তু তার আগে অনেক কথা শুনিয়ে দিলো। (অর্ণি) - কি..? ওকে মোবাইলটা দাও.. - হুমমম দিচ্ছি.. (আমি দিকে না তাকিয়ে মোবাইলটা বাড়িয়ে দিলো অর্ণি) - বলো... - তুমি অর্ণিকে বকলে কেন? (নিহা) - কখন বকলাম? তুমি টাকা দিতে বললে টাকা দিলাম তো। - সেই সাথে ওকে বকেছো কেন? - ঐ তোকে আমি বকেছি? - উঁ হু... (মাথা নেড়ে বললো অর্ণি) - শুনো আমি ওকে বকিনি। (কানের কাছে ধরলাম অর্ণির) - বকেছিস... - তুমি শুনো, আমাকে বলছে বকিনি আর তোমাকে বলছে বকেছি। - চুপ করো। . আমি ওকে কোনো বকাবকি ছাড়া টাকা দিলাম আর ও নিহাকে বলে আমি বকেছি। আর নিহাও অর্ণির সাথে আমার থেকেও বেশি প্রেম করে ফেলছে, ওর সাথে ঝগড়া করলাম কেন? তার জন্য থার্ড ডিগ্রি টরচার শুরু করলো। আমি বেচারা কিছুই করার ক্ষমতা নাই তাই নিরবে সহ্য করতে হলো। . রাতের বেলা... . - ভাইয়া কি করছিস ভাবির সাথে কথা বলছিস। (অর্ণি) - না, নিহার সাথে আমার ডান্স করতেছি দেখছিস না? - আমি কিন্তু তোর সাথে ঝগড়া করার মতো কোনো কথা বলিনি, তুই আমাকে বকতেছিস কেন? - তো তোকে কি করবো মাথায় তুলে নাচবো। তোর কাজ তুই কর। - তুই আসলে একটা গুন্ডা। - হোপ... - তুই হোপ... . নিজের ঘরে গিয়ে ঘুমিয়ে পড়লাম কালকে ঈদে সকালে তাড়াতাড়ি উঠতে হবে। ঈদে নামাজ পড়তে হবে। কিন্তু আমার দুষ্টু বোনটির জ্বালায় তাড়াতাড়িও ঘুমাতে পারিনি। রাত ১২ টার দিকে এসে চিৎকার করে বলে... . - ঈদ মোবারক ভাইয়া। - এ .. ভূত ভূত... কে? - মুহাহাহা ... আরে আমি তো বোন, ভয় পাইস না। 'ঈদ মোবারক' - যা এখান থেকে. ( খুব দমক দিয়ে বললাম) . অর্ণি দমকের সাথে কেঁদেই দিলো। কাঁদতে কাঁদতে চলে গেল। আমিও অনেক ভয় পেয়ে গেছিলাম তাই এভাবে দমক দিয়েছি। আর ঘুমানোও যাবে না। অর্ণিকে গিয়ে সরি বলতে হবে। নাহলে ওর সাথে কথা বলতে গেলেই মার খেতে হবে পরে। তাই ওর রুমে গেলাম রাগ ভাঙ্গাতে আর কান্না থামাতে। . - সরি... আমি ভয় পেয়েছিলাম তাই দমক দিয়েছি কাঁদিস না। - ... (কোনো কথা বলছে না) - এই দেখ কান ধরছি সরি... আর দমক দিবো না তোকে। - যে সর, তুই আমার ভাই না তুই আমার সৎ ভাই, তাই আমার সাথে এমন করিস। নিজের বোন হল তো এমন করতি না। - আরে কি বলে তুই তো আমার বোন, আমার কলিজার টুকরা একটা মাত্র বোন। সরি বলছি তো। কানও ধরছি। কাঁদিস না তো। - কানে ধরে উঠ বস কর... তাহলে কাঁদবো না। - কি? আমি তোর ভাই না। আমাকে কানে ধরে উঠ বস করাবি। - না, তুই আমার ভাই না তুই আমার সৎ ভাই। - ওকে ধরছি.. ১, ২, ৩, হয়েছে তো। - না হয়নি আর ২বার ধর। - ওকে ধরতেছি ৪, ৫ শেষ, হয়েছে? - হয়েছে, - যা এবার ঘুমা, সকালে আমাকে জাগিয়ে দিস। - ওকে... - গুড নাইট.... - গুড নাইইইইট। . বোনের রাগও কান্না থামাতে ভাইদের কানে ধরতে হয়। এতে সম্মান হানি হয় না। সকাল বেলায় ঈদের নামাজ পড়ে এসে মাত্র সোফাতে বসলাম। তখনি অর্ণি কোথা থেকে এসে পা ধরে সালাম করে ফেললো। সামাম করেই বলে... . - টাকা দে... (অর্ণি) - কিসের টাকা? - তোকে সালাম করলাম। সালামি দিবি না। - সালাম করলে সালামি দিতে হয়? - তো কি? - আমার কাছে টাকা নাই। - টাকা নাই মানে? সালাম করেছি এখন সালামি দিবি। - আমি তোকে বলেছি আমাকে সালাম করতে? - ঈদের দিন বলতে হয় না সালাম করতে । এত কথা বলিস না তাড়াতাড়ি টাকা দে। - আচ্ছা পরে নিস এখন ভাংতি নাই। - না এখন দে... - ভাংতি নাই তো। - মানিব্যাগ বের কর আমি দেখবো। - বলছি তো মানিব্যাগ বের কর। - ওকে তুই ঐদিকে গিয়ে দাড়া। - ঠিক আছে... - এই নে... ( পঞ্চাশ টাকার নোট বের করে দিলাম) - এটা কি? - টাকা। - কত এখানে। - পঞ্চাশ টাকা। - আমি কি ফকির হ্যা তুই আমাকে ফিতরার টাকা দিচ্ছিস। - আচ্ছা ধর ১০০ টাকা দিলাম এবার তো ফিতরা না। - না হবে না। - তাহলে দিবো না। আমার কাছে আর ভাংতি নাই। - ভাংতি আমি দিবো... দে আমাকে টাকা দে। - তুই ভাবছিস তুই চালাক তোকে টাকা দিবো তুই হাওয়া হয়ে যেতি নাই না। - সত্যি হাওয়া হবো না দে। - প্রমিস। - প্রমিস। . ১০০০ হাজার টাকার একটা নোট দিলাম, ওকে আর একঘন্টা আমার চোখের সামনেও দেখেনি। ঠিক দেড়ঘন্টা পর এক ফ্রিজ সেমাই নিয়ে আমার কাছে এসে বলে... . - নে ধর সেমাই খা আমি বানিয়েছি। (অর্ণি) - আমার বাকি টাকা কোথায়? - আরে দিবো তো তুই আগে সেমাই খা। ঠান্ডা হয়ে গেলে মজা পাবি না। - ওকে দে... - কেমন হয়েছে? - ধারুন, তুই বানিয়েছিস তো। - হুম, সব আগেরই করা ছিলো আমি শুধু ফ্রিজে করে সাঁজিয়ে আনলাম। - নে ধর আর খাবো না। - আরে পুরাটা শেষ কর না। - না আর খাবো না, যা বাকি টাকাটা আন। - কিসের টাকা। - কেন? তোকে একহাজার টাকা দিলাম তোর সালামির জন্য বাকিটা আমাকে দিবি বলছিলি সেটা দে। - কেন? - তুই কিন্তু প্রমিস করেছিলি। - হুম, প্রমিস করেছি কিন্তু তোকে নিজ হাতে বানানো সেমাই খাওয়ালাম বাকি টাকা শোধ। - তুই দাড়া তোরে আজকে... . ওকে আর কে খুজে পায়... দাড়া বলার সাথে সাথে ঘূর্ণিঝড়ের মতো হাওয়া হয়ে গেলো। . . . এভাবেই বেঁচে থাকুক আজীবন ভাই বোনের নিঃস্বার্থ ভালোবাসা। . . ------ (সমাপ্ত) . w®iter : Abu Bakar Siddique (কাল্পনিক কল্পনাঙ্গীকার বর)


এডিট ডিলিট প্রিন্ট করুন  অভিযোগ করুন     

গল্পটি পড়েছেন ৪২০ জন


এ জাতীয় গল্প

→ আমার দুঃখ। আবার পড়ুন☹
→ খুনীদের খুনী — পর্ব ২
→ খুনীদের খুনী— পর্ব ১
→ ~জিজেস'রা এখন আমার বাসায়!
→ জিজেসদের নিয়ে সারার মৃত্যুর রহস্য উদঘাটন[তৃতীয় ও অন্তিম পর্ব]
→ এইসব বিষাদের শহরে
→ ~সান্তনা_দে-২।
→ জিজে দের নিয়ে সপ্ন
→ হায়রে মানুষ, তাদের কি ছিলনা কোনো হুশ!
→ ~ইসলাম কেন পুরুষদের একাধিক স্ত্রী গ্রহণের অনুমতি দেয়? কিছু ভুল,কিছু বিভ্রান্তের সমাধানের প্রচেষ্টা!

গল্পটির রেটিং দিনঃ-

গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করুন

গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করতে আপনার একাউন্টে প্রবেশ করুন ... ধন্যবাদ...