গল্পেরঝুড়ির এ্যাপ ডাউনলোড করুন - get google app
গল্পেরঝুড়ি ফানবক্স ! এখন গল্পের সাথেও মজাও হবে! কুইজ খেলুন , অংক কষুন , বাড়িয়ে নিন আপনার দক্ষতা জিতে নিন রেওয়ার্ড !
নোটিসঃ কর্টেসি ছাড়া গল্প পাবলিশ করা হবেনা । আপনারা গল্পের ঝুড়ির নিয়ম পড়ে নেন ।

সুপ্রিয় পাঠকগন আপনাদের অনেকে বিভিন্ন কিছু জানতে চেয়ে ম্যাসেজ দিয়েছেন কিন্তু আমরা আপনাদের ম্যাসেজের রিপ্লাই দিতে পারিনাই তার কারন আপনারা নিবন্ধন না করে ম্যাসেজ দিয়েছেন ... তাই আপনাদের কাছে অনুরোধ কিছু বলার থাকলে প্রথমে নিবন্ধন করুন তারপর লগইন করে ম্যাসেজ দিন যাতে রিপ্লাই দেওয়া সম্ভব হয় ...

সুপ্রিয় পাঠকগন আপনাদের অনেকে বিভিন্ন কিছু জানতে চেয়ে ম্যাসেজ দিয়েছেন কিন্তু আমরা আপনাদের ম্যাসেজের রিপ্লাই দিতে পারিনাই তার কারন আপনারা নিবন্ধন না করে ম্যাসেজ দিয়েছেন ... তাই আপনাদের কাছে অনুরোধ কিছু বলার থাকলে প্রথমে নিবন্ধন করুন তারপর লগইন করে ম্যাসেজ দিন যাতে রিপ্লাই দেওয়া সম্ভব হয় ...

ঈদ এর আগের রাত

"রোম্যান্টিক" বিভাগে গল্পটি দিয়েছেন গল্পের ঝুরিয়ান রিয়েন সরকার (০ পয়েন্ট)



ঈদ এর আগের রাত, চাঁদ রাত । গ্রামের ছেলেগুলো চাঁদ দেখার আনন্দে চকলেট বোম্ব, হাতে বানানো বোম্ব, তারা বাতি, ভিবিন্ন রকম উৎসবে মাতোয়ারা । চারদিক শব্দে বিভর । আমারও আনন্দ অনেক, সকাল হলে নতুন জামা, প্যাণ্ট, জুতা পরবো । প্রথম বারের মত সালামি পাবো । কত আনন্দ মনের মাঝে । আমার কাছে তখন দশটা টাকা ছিলো । আমার একটা পুরনো ছাতা ছিলো । ছাতাটা ভেঙ্গে ডাট নিয়ে নিলাম । আমারো ইচ্ছা সব ছেলেদের মতো আমিও বোম্ব ফাটাই । দশ টাকা দিয়ে পাঁচটা দুই টাকা দামের ম্যাচ কিনে আনলাম । আমিও বোম্ব বানালাম । ছোটবেলা থেকে নানা বাড়ি বড় হয়েছি । এখানে আমার মামা আর নানা সংখ্যা একটু বেশি । আমার বয়সি আমার এক মামা আছে, যার সাথে আমি সব সময় থাকি, এক সাথে চলাফেরা করি । দেখলে বিশ্বাস হবে না আমরা মামা ভাগিনা। , সন্ধ্যার পর-পর বোম্বগুলো নিয়ে আমি আর আমার মামা ফাটানোর জন্য নেমে পড়লাম । আনন্দের সাথে দশটা বোম ফাটালম । বাসায় ফিরতে-ফিরতে রাত দশটা বেজে গেছে । যত সময় যাচ্ছে মনের মাঝে আনন্দ বাড়ছে । সুসলিমদের জন্য বড় উৎসব, যতই ঘুমানোর চেষ্টা করছি, ঘুম দু’চোখে আসছে না । রাত তিনটা বাজতেই বড় মামা ডাক দিলো, আমি এমনিতেও ঘুমাইনি ডাকের সাথে-সাথে উঠে বসলাম । মামা বলছে চল-চল গোসল করতে । গোসল করা সুন্নাত । আমি আর মামা চলে গেলাম । গোসল করে এসে নতুন জামা, প্যাণ্ট, জুতা পরলাম । তখন যে কত আনন্দ হয়ে ছিলো বোঝাতে পারবো না । সকাল হয়ে আসলো, চারদিকে শুধু ঘ্রাণ , শিন্নী, সেমাই, নুডুস, ফেনি, তবে গ্রামে নাস্তা একটু বেশি তৈরি করা হয় । সব বাড়িতেই নাস্তা সেমাইয়ের আয়োজন । , , ঘর থেকে সামান্য নাস্তা খেয়ে নিলাম ঈদের নামাজে আগে নাস্তা খাওয়া সুন্নাত। বড় মামা আমি আর আমার বয়সি সেই মামা চলে গেলাম ঈদের নামাজে রাস্তার ডানপাশ দিয়ে হাঁটা সুন্নাত । নামাজ শেষে মোলাকাত । কত মানুষ একে অপরের সাথে বুক মিলাচ্ছে । আমিও অনেকের সাথে মোলাকাত করলাম । অনেক অনেক আনন্দ হয়ে ছিলো । মাঠ থেকে বাড়ি এলাম । লোক-জন আসতে শুরু করে আমাদের বাসায় কয়েক জনকে নাস্তা, সেমাই দিয়ে ছিলাম । তারপর বড় মামা দিয়ে ছিলো । আমি মামা নানা কে সালাম করে । দশ টাকা দশ টাকা বিশ টাকা পেলাম । কি আনন্দ বলতে পারবো না, নতুন টাকা । ভাঁজ করতাম না, ভাঁজ করলে তো পুরানো হবে । আমি আর আমার বয়সি মামা দু’জনে মিলে অন্য আত্মীয়দের বাসায় গেলাম । আমার সম্পর্কে চাচাতো নানার বাসায় গেলাম । মামা আর আমি বাসার সবাইকে সালাম করলাম । দেখলাম মামাকে নানা ভাই সালামি একশো টাকার একটা নতুন নোট দিচ্ছে । আমি তখন মনে মনে সত্যি ভেবেছিলাম আমায় একশো টাকা দিবে । কিন্তু ভাবনাটা ভুল হয়ে গেলো । আমাকে নানা বলছে যাও যাও লাইনে দাড়াও । আমি তখন বুঝিনি, আমি আনন্দের সাথে চলে গেলাম লাইনে দাঁড়াতে । প্রায় দশ জনের মত লাইনে ছিলো সঠিক মনে নেই । কিন্তু এরা তো কেউ সালাম করে নি তাহলে আমি এদের সাথে কেন প্রশ্নটা মাথায় এসেও থমকে যায় । আমি তখন সালামি পাবার নেশায় মক্ত । পৌঁছে গেলাম যে টাকা দেয় তার কাছে । বাটি থেকে এক টাকার পঁয়সা দিলো । এক টাকার পঁয়সাটা যে দিলো তার দিক তাকিয়ে রইলাম । একটা ধমক খেলাম । আমি তখন বুঝলাম এটাই সালামি । কিন্তু মামাকে একশত আমারে এক টাকা এর কারণ কি? ছোট তখন বুঝি নাই অত । মামা কে পাশের বাসা থেকে খুঁজে বেড় করলাম । আবার অন্য বাসায় গেলাম সবাইকে সালাম করলাম । মামাকে সালামি হিসেব দেখলাম একটা নোট দিলো তবে আগে দেখিছি কিন্তু চিন্তে পারছি না কত টাকার নোট । আমাকেও সালামি দিলো একশ টাকা আমি তো অনেক খুসী এই প্রথম একশত টাকা পেলাম । মামাকে বললাম, মামা কত টাকা দিছে ? মামা উত্তর দিলো পাঁচশত । আমরা একটু সময় বসলাম নাস্তা খাওয়ার জন্য । হঠাৎ কানে এলো আমার নাম ধরে বরছে । আমায় নাকি সালামি দেয়নি, ফেতরার টাকা দিছে । মনের মধ্যে তখন কেমন করে উঠলো শুনে ছিলাম গরিবদের নাকি ফেতরা দেওয়া হয় । তাহরে আমি কেন ফেতরা পাবো । , , তখন বুঝলাম আমার যে আগের এক টাকা দিছিলো ওটাও ফেতরা টাকা ছিলো । আসলে আমি তখন ফেতরা পাবার যোগ্য ছিলাম । নানা বাড়ি থাকতাম, বাবা নেই । মা থেকেও কাছে নেই । এতিমরা তো ফেতরা পাবার যোগ্য । তাদের মাঝে আমিও একজন এতিম । আমি জিবনে এই এক টাকার কথা ভুলবো না, ঈদ এলেই মনে পড়ে । এক টাকা সালামি পপেয়ে ছিলাম। আমি আর কখনো ঐ দু’বাসায় সালামি নিতে যায়নি ।, মাকে যখন ফোনে এ কথা বলে ছিলাম, মা বলে ছিলো বাবা কষ্ট নিসনা এটা কপাল । তোর কপালে সালামি নেই । এক দিন তুই যেন সালামি দিতে পারো দোয়া করি । , , এমন অনেক কষ্ট আপনাদের মাঝে আছে চাইলে শেয়ার করতে পারেন ছোট করে কমেন্টে । , , ★ কিছু শিক্ষাণীয় কথা শুনি ★ , আপনার আত্মীয়-স্বজনে মধ্যে অনেক আছে যারা ফেতরা পাবার যোগ্য । যদি ফেতরা দিবার হয় আলাদা দিয়েন কখনো সালামি হিসেবে ফেতরা দিয়েন না । এতে কষ্ট পাবে । , কখনো আত্মীয়দের লাইনে দাঁড় করাবে না। এতে মনক্ষুন হয় । , এমন অনেক আছেন যারা ফেতরার টাকা সালামি হিসেব দিচ্ছেন । আসলে সারামিটা একটা অনন্দ সাথে দেয়। আর ফেতরা দিতে বাধ্য, এটা গরীবদের জন্য । আপনি জানেন এটা ফেতরা কিন্তু যে নিচ্ছে সে হয়তো জানে না এটা ফেতরা ছিলো। , তাই সালামি হিসেবে কখনো ফেতরা দিয়েন না। , এক সাথে দু’জন আসলে সমান সালামি দিতে চেষ্টা করু । যদি বেশি কম দিতে হয়। তাহলে যাকে বেশি দিবে তাকে ওর টাকার পরিমানটা বলে দিবে। আর দু’জনকে আলাদা করে দিবে। যেনো একজনের তা অন্য জনে না দেখে। , উপরের গল্পটা সত্যি ছিলো তবে তা অনেক বছর আগে। √ M J Masum Billa


এডিট ডিলিট প্রিন্ট করুন  অভিযোগ করুন     

গল্পটি পড়েছেন ২০৩ জন


এ জাতীয় গল্প

→ সেদিন চাঁদনি রাতে
→ এপ্রিল ফুল এর ইতিহাস
→ এয়ার গ্লো বা রাতঅাভা কী
→ এক ভয়ানক জ্বিন এর রহস্য
→ মাউন্ট আরারাতের আড়ালে
→ মহানবী(সাঃ) এর সাথে রোকানার কুস্তি
→ এরিয়া-৫১
→ পম্পেই ও হারকুলিয়াম এর ধ্বংস যেভাবে হয়েছিল
→ নবীজি(সাঃ) এর মো'জেযা পর্ব-০১
→ নবীজি(সাঃ) এর মো'জেযা পর্বঃ০২

গল্পটির রেটিং দিনঃ-

গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করুন

গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করতে আপনার একাউন্টে প্রবেশ করুন ... ধন্যবাদ...