Deprecated: mysql_connect(): The mysql extension is deprecated and will be removed in the future: use mysqli or PDO instead in /var/sites/g/golperjhuri.com/public_html/gj-con.php on line 6
নাইট অভ দ্য ভ্যাম্পায়ার পর্ব ০৫

যারা একটি গল্পে অযাচিত কমেন্ট করছেন তারা অবস্যাই আমাদের দৃষ্টিতে আছেন ... পয়েন্ট বাড়াতে শুধু শুধু কমেন্ট করবেন না ... অনেকে হয়ত ভুলে গিয়েছেন পয়েন্ট এর পাশাপাশি ডিমেরিট পয়েন্ট নামক একটা বিষয় ও রয়েছে ... একটি ডিমেরিট পয়েন্ট হলে তার পয়েন্টের ২৫% নষ্ট হয়ে যাবে এবং তারপর ৫০% ৭৫% কেটে নেওয়া হবে... তাই শুধু শুধু একই কমেন্ট বারবার করবেন না... ধন্যবাদ...

সুপ্রিয় গল্পের ঝুরিয়ান গন আপনারা শুধু মাত্র কৌতুক এবং হাদিস পোস্ট করবেন না.. যদি হাদিস /কৌতুক ঘটনা মুলক হয় এবং কৌতুক টি মজার গল্প শ্রেণি তে পরে তবে সমস্যা নেই অন্যথা পোস্ট টি পাবলিশ করা হবে না....আর ভিন্ন খবর শ্রেনিতে শুধুমাত্র সাধারন জ্ঞান গ্রহণযোগ্য নয়.. ভিন্ন ধরনের একটি বিশেষ খবর গ্রহণযোগ্যতা পাবে

নাইট অভ দ্য ভ্যাম্পায়ার পর্ব ০৫

"ভৌতিক গল্প " বিভাগে গল্পটি দিয়েছেন গল্পের ঝুরিয়ান রিয়েন সরকার (৩৫ পয়েন্ট)



নাইট অভ দ্য ভ্যাম্পায়ার অনুবাদ:অনীশ দাস অপু পর্ব ০৫---- ব্রাইসের বাড়িতে ভ্যাম্পায়ার ধ্বংসের যাবতীয় উপকরণ তৈরি শুরু করে দিন ওরা।তবে একটা সমস্যা দেখা দিল।ওরা জানে না শত্রু সংখ্যা ক'জন এবং ক'টি অস্ত্র বানাতে হবে।কাউকে ওয়্যারহাউজে পাঠানো দরকার। সে গিয়ে দেখে আসবে ওখানে কতগুলো ভ্যাম্পায়ার লুকিয়ে আছে। ' এ কাজে প্রখর বুদ্ধিমত্তা অত্যাবশ্যকীয়,' মন্তব্য করল স্যালি। ' তাহলে তুমি ওয়্যারহাউজে গিয়ে দেখে এসো না ওখানে ওরা কতজন আছে,' বলল সিন্ডি। ' কারন কি আমার মাথায় সবচেয়ে বেশি বুদ্ধি?' গর্বের সুরে প্রশ্ন করল স্যালি। ' কারন তোমাকে সবচেয়ে আগে উৎস্বর্গ করা যায়,' জবাব দিল সিন্ডি। ' তোমাদের বুদ্ধি আমার পছন্দ হচ্ছে না,' বলল অ্যাডাম।' আমরা দলে ভারী থাকলে আমাদের শক্তি বেশি থাকে।হয় আমরা একসঙ্গে মিলে ওয়্যারহাউজে হালমা চালাব নচেৎ কেউ যাব না।' ' ফ্লেম থ্রোয়ার থাকলে বেশ ভালো হতো,' বলল ব্রাইস। অস্ত্র হিসেবে এর তুলনা নেই।' ' মি. প্যাটনের স্যালভেশন আর্মি স্টোর থেকে একটা ফ্লেম থ্রোয়ার জোগাড় করা যায় না?' জানতে চাইল ওয়াচ। মাথা নাড়াল ব্রাইস। ' মিলিটারি এক্সারসাইজের জন্য শহরের বাইরে গেছেন মি. প্যাটন।তিনি SWAT টিমের একজন সদস্য। এদের কাজ হলো ভিনগ্রহবাসীর হামলা কীভাবে মোকাবেলা করা যায় তার ট্রেনিং নেয়া।আগামী সপ্তাহের আগে উনি ফিরছেন না। ' তার দোকানের তালা ভেঙে ফেললেই হয়,' পরামর্শ দিল স্যালি। ' উনি নিশ্চয় মাইন্ড করবেন না।' ' তা সম্ভব নয়,'বলল ব্রাইস।'চোরের হাত থেকে রক্ষা পেতে তিনি দোকানে নানান ফাঁদ পেতে রাখেন।আমরা দোকানে ঢোকার চেষ্টা করলেই আমাদের হাড় মাংস আলাদা হয়ে যাবে।' ' আমরা হোলি ওয়াটার জোগাড় করব কোত্থেকে?' জিজ্ঞেস করল অ্যাডাম।' শহরে কী প্রীস্ট আছেন?' ' ছিলেন, তবে আমাদের শহরের মাননীয়া ডাইনি অ্যান টেম্পলটন প্রীস্টকে তার ছাত্র বানিয়ে দিয়েছে,' বলল স্যালি।'তিনি এখন বাড়িতে বেকনও খাওয়ার সুযোগ পান না।' ' অ্যান টেম্পলটন এ কাজ কেন করল?' প্রশ্ন করল অ্যাডাম। ' সে প্রীস্টের চার্চে গিয়েছিল কনফেশন করতে।কিন্তু প্রীস্ট নাকি মিস টেম্পলটনের কনফেশন সিরিয়াস ভাবে গ্রহণ করেননি।তাই সে রেগে যায়,জানাল ওয়াচ।'মিস টেম্পলটন প্রীস্টকে বলেছিল সে বহু লোককে জাদু দিয়ে জন্তু জানোয়ার বানিয়ে দিয়েছে।প্রীস্ট ভেবেছিলেন মিস অ্যান ঠাট্টা করছে।' ' মিস টেম্পলটনকে প্রীস্টের আজকাল নিশ্চয় ঠাট্টার বস্তু মনে হয় না,' বলল স্যালি। ' হোলি ওয়াটার ছাড়াই কাজ সারতে হবে,' বলল ব্রাইস।হাতে ধরে আছে কাঠের তীক্ষ্ণ একটি গোঁজ।সে নিজের লেদ মেশিন দিয়ে এটি বানিয়েছে।'ব্যক্তিগতভাবে আমার পছন্দ কঠিন অস্ত্র।' ' আমরা ক'টা গোঁজ নেবো সঙ্গে?' জিজ্ঞেস করল স্যালি। ' প্রত্যেকে চারটে করে,' বলল ওয়াচ।' সেই সঙ্গে হাতুড়িও থাকবে।তোমাদের বাসায় রসুন আছে,ব্রাইস?' ' না,' বলল ব্রাইস। ' তবে ওয়্যারহাউজ যাওয়ার পথে ফুড স্টোর থেকে কিনে নেব।তবে ওরা গন্ধহীন যে রসুন বিক্রি করে অবশ্যই কেনা যাবে না।' ' লবনও নিতে হবে,বলল অ্যাডাম। ' ভ্যাম্পায়ারদের রক্তে লবন নেই কেন?' ' বোধহয় রসুনের মত লবনের প্রতিও তাদের এলার্জি আছে,' বলল ওয়াচ।'প্রাচীন আমলে নানান পূজো আর্চায় শয়তান তাড়াতে লবন ব্যবহার করা হতো।সঙ্গে কিছু খনিজ লবনও নেব।' ' কয়েকটা ফ্লেয়ারও নেয়া দরকার,' বলল ব্রাইস।'আগুন দেখলে ওরা পালাবার পথ পাবে না।' ' কিন্তু ভ্যাম্পায়াররা না দিনের বেলায় ঘুমায়?' জিজ্ঞেস করল অ্যাডাম। 'দিনের বেলা হামলা হলে ওরা নিশ্চয় মারামারি করার সুযোগ পাবে না?' 'এ মূহুর্তে হয়তো ওরা ঘুমাচ্ছে,' বলল ওয়াচ।'তবে ওদের বুকে গজাল ঢোকানোর সময় নির্ঘাৎ জেগে যাবে।' ' বাজি ধরে বলতে পারি জেগে যাবে টেড,' বলল স্যালি। ' চুপ করো।' খেঁকিয়ে উঠল সিন্ডি। স্যালি কাঁধ ঝাঁকিয়ে মুখ ঘুরিয়ে তাকাল অন্য দিকে। ব্রাইস গোঁজের সুচাল ডগায় অন্যমনস্ক ভঙ্গিতে আঙুল বুলাচ্ছে। সবাই জানে ও কী ভাবছে। ওয়্যারহাউজে পৌঁছাতে পৌঁছাতে বেলা তিনটে বেজে গেল।শীত কাল।ছোট দিন।আর দু'ঘণ্টার মধ্যে ঘনিয়ে আসবে সন্ধ্যা। শহরের প্রান্তে ওয়্যারহাউজ। পুরানো এবং নোংরা।তবে দেখে মনে হচ্ছে না এটা অনেকদিন অব্যবহৃত অবস্থায় পড়ে আছে।ওয়াচ বলল স্থানীয় হাই স্কুল বছর কয়েক আগে একটা প্রতিষ্ঠানের কাছে ওয়্যারহাউজটি ভাড়া দিয়েছিল।তারা একটি সুন্দরী প্রতিযোগিতার আয়োজন করে। ' ওরা ওয়্যারহাউজের খানিকটা অংশ পরিস্কার করে নিয়ে ছাদে বাতি ঝুলিয়ে দেয়,' বলল ওয়াচ।'তবে পলিউরেথেনে-এর বিকট গন্ধ সহ্য করতে পারছিল না ওরা।প্রতিযোগিতায় বিজয়িনী প্রম কুইন অসুস্থ হয়ে পড়ে গন্ধের চোটে।' ' পলিউরেথেন কী জিনিস?' জিজ্ঞেস করল সিন্ডি। ' ফোম রাবার,' বলল ব্রাইস।'ভয়ানক রকম দাহ্য পদার্থ।' ' এখানে ফোম রাবার এখনও আছে নাকি?' জানতে চাইল স্যালি। 'প্রচুর আছে,' জবাব দিল ওয়াচ।'তবে পচে গেছে।' ' কিন্তু এখনও ভয়ানক রকমের দাহ্য,' বলল স্যালি। সবাই একই কথা ভাবছিল।এখানে আগুন লাগিয়ে দিলেই হলো।সব গুলো ভ্যাম্পায়ার পুরে মরবে।কিন্তু বলা সহজ করা কঠিন।এত বিশাল ওয়্যারহাউজে দানব গুলোকে কোথায় খুঁজে পাবে ওরা? দিনের আলোতেও কেমন গা ছমছমে একটা আবহ সৃষ্টি করেছে ওয়্যারহাউজে। যে কেন একটা মেঘ ঢেকে রেখেছে ওদেরকে।ওয়্যারহাউজের দিকে তাকিয়েই গা কেমন শিরশির করে উঠছে অ্যাডামের।কিন্তু অব্যক্ত পরিকল্পনা নিয়ে সেই প্রথমে কথা বলল। 'আমরা এটা করতে পারি না,' বলল সে।'বিশেষ কোনো কারন ছাড়া এত বড় একটা ওয়্যারহাউজ ধ্বংস করে দেয়ার অধিকার আমাদের নেই।' 'তোমার সঙ্গে আমিও একমত,' বলল ওয়াচ।'ভ্যাম্পায়াররা এখানে লুকিয়ে থাকতে পারে আবার নাও পারে।তারা যে কোনো জায়গায় লুকিয়ে থাকতে পারে।' স্যালি হাতের গোঁজ এবং ফ্ল্যাশলাইট শক্ত মুঠোয় চেপে ধরল। ' এসো, কাজটা শেষ করে ফেলি,' বলল সে।'ওই দানবদের হত্যা করতে পারলে আমার ভালো লাগবে।' 'তুমি নিষ্ঠুর,' সিন্ডি ভর্ৎসনা করল ওকে। ' আমি বাস্তববাদী,' বলল স্যালি।' এ শহরে বেঁচে থাকতে হলে নিষ্ঠুর হতে হয়।' সবগুলো দরজা বন্ধ।পেছনের একটা জানালা ভাঙ্গতে হলো ভেতরে প্রবেশ করার জন্য।ভাঙা কাচ ঝনঝন শব্দে পড়ল ভেতরে।ওরা শংকিত হলো।ওরা কি শত্রুপক্ষকে সাবধান করে দিল?নাকি ছড়ানো ফাঁদে পা রাখল? ভেতরে অন্ধকার এবং ধুলো।রঙচঙ মাখা জানালা দিয়ে সূর্যের আলো ঢুকছে না ঘরে।কদম বাড়াতে জ্বালাতে হলো ফ্ল্যাশলাইট। ওয়্যারহাউজের মূল অংশে চলে এসেছে ওরা।অথচ ফ্ল্যাশলাইটের আলো দেয়ালের দূর প্রান্ত পর্যন্ত পৌঁছাচ্ছে না।ওরা দেখতে পেল অসংখ্য ধাতব শেল্ফ। শেল্ফে ফোম রাবার।প্রচুর ম্যাট্রেসও চোখে পড়ল।তবে সবই পুরানো। ফোম রাবারের গন্ধে ভারী বাতাস। আরও একটা গন্ধ আছে।গা গোলানো কেমন বিকট একটা গন্ধ।গন্ধটা যেন ওদের সামনে থেকে আসছে। ' আমার ধারনা ওরা এখানেই আছে,' ফিসফিস করল স্যালি। ' হু,' বলল ওয়াচ।মোটা কাচের আড়াল দিয়ে তাকাল চারপাশে।' কিন্তু কোথায়?' ' আমি ভ্যাম্পায়ার হলে এই ফোম রাবারের নিচে লুকিয়ে থাকতাম,' বলল ব্রাইস। 'আর আমি ভ্যাম্পায়ার হলে বাস করতাম শহরের সবচেয়ে সেরা হোটেলের সুইটে,' বলল স্যালি।'এবং দিনের বেলায় ঘুমাতাম সোনার কফিনে।' 'ভাগ্যিস তুমি ভ্যাম্পায়ার হওনি,' বলল সিন্ডি। 'এখানকার সব গুলো ফোম রাবারের স্তুপ উল্টে দেখা সম্ভব নয়,' বলল অ্যাডাম।' তাহলে রাত হয়ে যাবে।' ওয়াচ বলল,' একটা কাজ করা যাক।এই বিশ্রী গন্ধ শুঁকে সামনে এগোই চলো।যেখানে গন্ধটা জোরালো ঠেকবে ওখানকার ফোম রাবারের স্তুপ খুঁজে দেখব।' প্রকান্ড ওয়্যারহাউজে অনেকক্ষণ পা টিপে টিপে চলল ওরা।একটা জায়গায় এসে থমকে গেল।এখানে গন্ধটা জোরালো। কিন্তু এদিকটাতে ফোম রাবারের অনেকগুলো স্তুপ।কোনটার মধ্যে খুঁজবে বুঝতে পারছে না ওরা। ' ভ্যাম্পায়ারের দল চারদিক থেকে না আবার ঘিরে ফেলে আমাদেরকে,' ফিসফিসিয়ে বলল স্যালি। ' মূহুর্তে একটি ফ্লেম থ্রোয়ারের বড্ড দরকার ছিল,' বলল ব্রাইস। ' যা আছে তা দিয়েই কাজ সারতে হবে,' বলল ওয়াচ।ডান দিকের ফোম রাবারের স্তুপে ইঙ্গিত করল।' এটা উল্টে দেখি নিচে কিছু আছে কিনা।' 'যদি ওটার নিচ থেকে লাফ দিয়ে ভ্যাম্পায়ার বেরিয়ে এসে আমাদেরকে খেয়ে ফেলে?' বলল সিন্ডি। ' আমাদেরকে খাবে না,' বলল স্যালি।'শুধু শুষে নেবে রক্ত।তারপর আমরা হয়ে যাব নিশাচর।আমরাও রাতের আঁধারে মানুষের রক্ত পান করার জন্য তৃষ্ণার্ত হয়ে উঠব।' বিরতি দিল সে। ' তুমি না এসব ভ্যাম্পায়ার বিশ্বাস করো না?' 'এখানে যে কোনো কিছু ঘটতে পারে,' মৃদু গলায় বলল সিন্ডি। ওর মন্তব্যের মাজেজ উপলব্ধি করতে পারছে সবাই।এখানকার পরিবেশটা কেমন ভৌতিক এবং অশুভ।ছমছম করে গা। ওয়াচের দেখিয়ে দেয়া ফোম রাবারের স্তুপটা ওরা সবাই মিলে ঠেলতে লাগল।দড়াম করে উল্টে পড়ল স্তুপ।ধুলোর একটা মেঘ মূহুর্তের জন্য ওদেরকে অন্ধ করে দিল।পলিউরেথেনের বিকট গন্ধ যেন বন্ধ করে দিল দম।সুস্থির করে উঠতে কয়েক মূহুর্ত সময় লাগল। তারপর ওরা দেখতে পেল।ভ্যাম্পায়ার টিকে। চিৎ হয়ে শুয়ে আছে।আপাদমস্তক কালো কাপড়ে ঢাকা। গায়ের রং টেডের মতই ফ্যাকাসে সাদা। মুখখানা মোমের মত নিষ্প্রান। ' বোধহয় মরে গেছে,' হাঁপিয়ে ওঠার মত শব্দ করল অ্যাডাম। ' বোকার মত কথা বলো না,' ফিসফিস করল স্যালি।' ও ঘুমাচ্ছে।' ' আমাদের কথা কি শুনতে পাচ্ছে?' জানতে চাইল সিন্ডি। ' ওকে ধরে নাড়া দাও।তাহলেই এ প্রশ্নের জবাব পাওয়া যাবে,' বলল স্যালি। ' ওর গা ধরতে পারব না আমি,' বলল সিন্ডি। ' আমিও ওর শরীর স্পর্শ করতে চাই না,' বলল অ্যাডাম। ' আমাদের মন শক্ত করতে হবে,' একটা কাঠের গোঁজ তুলে ধরল ব্রাইস। ' যে কাজে এসেছি ওটা শেষ করব।স্যালি,আমি গোঁজটা ওর বুকের ওপর ঠেলে ধরছি।তুমি হাতুড়ি দিয়ে বাড়ি দেবে।' ইতস্তত করছে স্যালি। ' ওয়াচ বরং কাজ করুক,' বলল ও।' আমার চেয়ে ওর গায়ে শক্তি বেশি।' ' স্যালি মুখেই বকবক করে বেশি।কাজে অষ্টরম্ভা,' বলল সিন্ডি। ' তোমার এত সাহস থাকলে তুমি করো না।যাও।' খেঁকিয়ে উঠল স্যালি। ' আমার অত সাহস নেই স্বীকার করছি,' বলল সিন্ডি। (চলবে) @নেকরে মানব


এডিট ডিলিট প্রিন্ট করুন  অভিযোগ করুন     

গল্পটি পড়েছেন ৮৮ জন


এ জাতীয় গল্প

→ অপেক্ষা
→ পরিকল্পনা যদি সত্যি হয়?????
→ বটতরুর তিথি - পর্ব ৫
→ বকুলের গার্লফ্রেন্ড এর বিয়া পর্ব-১
→ লোভি মেয়ে
→ Dangerous Lover
→ আইন জালুত - এক চিতাবাঘের গর্জন
→ স্বপ্নামী পর্ব ৬ (টোনাটুনি)
→ সাদ ও নিশানের গল্প পর্ব - ৪
→ The king of darkness

গল্পটির রেটিং দিনঃ-

গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করুন

গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করতে আপনার একাউন্টে প্রবেশ করুন ... ধন্যবাদ...