গল্পেরঝুড়ির এ্যাপ ডাউনলোড করুন - get google app
গল্পেরঝুড়ি ফানবক্স ! এখন গল্পের সাথেও মজাও হবে! কুইজ খেলুন , অংক কষুন , বাড়িয়ে নিন আপনার দক্ষতা জিতে নিন রেওয়ার্ড !

সুপ্রিয় পাঠকগন আপনাদের অনেকে বিভিন্ন কিছু জানতে চেয়ে ম্যাসেজ দিয়েছেন কিন্তু আমরা আপনাদের ম্যাসেজের রিপ্লাই দিতে পারিনাই তার কারন আপনারা নিবন্ধন না করে ম্যাসেজ দিয়েছেন ... তাই আপনাদের কাছে অনুরোধ কিছু বলার থাকলে প্রথমে নিবন্ধন করুন তারপর লগইন করে ম্যাসেজ দিন যাতে রিপ্লাই দেওয়া সম্ভব হয় ...

সুপ্রিয় গল্পেরঝুরিয়ান... জিজেতে আজে বাজে কমেন্ট করা থেকে বিরত থাকুন ... অন্যথায় আপনার আইডি বা কমেন্ট ব্লক করা হবে... আর গল্প দেওয়ার ক্ষেত্রে গল্প দেওয়ার নিয়ম মেনে চলুন ... সার্বিকভাবে জিজের নীতিমালা মেনে চলার চেস্টা করুন ...

" মায়া " ------- (২য় ও শেষ পর্ব)

"ভৌতিক গল্প " বিভাগে গল্পটি দিয়েছেন গল্পের ঝুরিয়ান রিয়েন সরকার (০ পয়েন্ট)



" মায়া " বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায় ---------------------- (২য় ও শেষ পর্ব) কিছু না। লোকটা আমার মন খারাপ করার জন্য দায়ী। আমি যখন তেল-নুন কিনতে যাই তখন আমার মনে দিব্যি ফুর্তি ছিল—হঠাৎ এমন হওয়ার কারণ হচ্ছে ওই লোকটার ভয়-দেখানো কথাবার্তা। গায়ে পড়ে অত হিত করবার দরকার কি ছিল বাপু তোমার? চক্কত্তি-বুড়ো তো বলেই গিয়েছে, কত লোক কত কথা বলবে, কারো কাথায় কান দিও না। কিছু না। গাছপালার ফল-ফুলুরি গাঁয়ের লোক চুরি করে খায় কিনা। বাড়িতে একজন পাহারাদার বসালে লুটপাট করে খাওয়ার ব্যাঘাত হয়, সেইজন্যেই ভয় দেখানো। যেমন ওই বৌটি কাল সন্ধ্যাবেলা ঝিঙে চুরি করছিল। অনেকদিন এমন আরামে থাকিনি। বিনা-খাটুনিতে পয়সা রোজগারের এমন সুযোগ জীবনে কখনও ঘটেনি। নিজের জন্য শুধু দুটো রান্না—মিটে গেল কাজ! সকাল সকাল রান্না সেরে নিয়ে নীচের বড় রোয়াকে বসে আপনমনে গান গাইতে লাগলাম। এত বড় বাড়ির আমিই মালিক। কারো কিছু বলবার নেই আমাকে। যা খুশী করবো। হঠাৎ ভয়ানক আশ্চর্য হয়ে গেলাম। দোতলার নালির মুখ দিয়ে পড়তে লাগলো জল, যেমন ওপরের বারান্দাতে কেউ হাত-পা ধুলে জল পড়ে—বেশ মোটাধারে জল পড়তে লাগল। তখনি আমি উঠে রোয়াকের ধারে দাঁড়িয়ে দোতলার বারান্দার দিকে চেয়ে দেখলাম। তখনও জল পড়ছে—সমানে মোটাধারায়। ওপরের সিঁড়ির দরজায় তালা দেওয়া। চাবি চক্কত্তি মশায় নিয়ে গিয়েছেন, সুতরাং দোতলায় যাবার কোন উপায় আমার নেই। এ জল কোথা থেকে পড়ছে? মিনিট দশেক পড়ার পর জলের ধারা বন্ধ হয়ে গেল। আমার মনে হলো, চক্কত্তি মশায় বোধ হয় কোন কলসী বা ঘড়াতে জল রেখে দিয়েছিলেন ওপরের বারান্দাতে, সেই কলসী কিভাবে উল্টে পড়ে গিয়ে থাকবে। নিশ্চয় তাই। তা ছাড়া জল আসবে কোথা থেকে? একটু পরে গিয়ে শুয়ে পড়লাম। আলো নিবিয়ে শুয়ে পড়বার সঙ্গে সঙ্গে আমার চোখে ঘুম জড়িয়ে এলো। অনেক রাত্রে একবার ঘুম ভেঙে গেল, জানালা দিয়ে সুন্দর জ্যোৎস্না এসে পড়েছে বিছানায়। কি একটা ফুলের গন্ধও আসছে। বেশ সুবাস ফুলের। কি ফুল ? ঘুমের ঘোরেই ভাবছি এমন কোন সুগন্ধওয়ালা ফুল তো বাড়ির কাছাকাছি দেখিনি! তড়াক করে লাফিয়ে উঠলাম। ও কি! জানালার সামনে দিয়ে একটি বৌ চলে গেল রোয়াক বেয়ে। হ্যাঁ, স্পষ্ট দেখছি—ভুল হবার নয়! আমি তখনি উঠে দরজা খুলে রোয়াকে গিয়ে দাঁড়ালাম। রোয়াকে দাঁড়াতে দুটো জিনিস আমার কাছে স্পষ্ট হলো। প্রথম সেই ফুলের সুবাসটা রোয়াকে অনেকখানি ঘন, ঐ বৌটি যেন এই সুবাস ছড়িয়ে দিয়ে গেল এই কতক্ষণ! না, কোন ফুলের সুবাস নয়। এ কিসের সুবাস, তা আমার মাথায় আসছে না। কেমন একরকম যেন লাগছে! একরকম নেশার মতো! কেন আমি বাইরে এসেছি? ও কে? একটি বৌ রোয়াক বেয়ে খানিক আগে চলে গিয়েছিল—সে-ই ছড়িয়ে গিয়েছে এই তীব্র সুবাস। কিন্তু কোন দিকে নেই তো সে! গেল কোথায়! সে-রাত্রে সেই পর্যন্ত। কতক্ষণ পরে ঘরে এসে শুয়ে ঘুমিয়ে পড়লাম। সকালে উঠে মনে হলো, সব স্বপ্ন। মনটা বেশ হালকা হয়ে গেল। আজ-কর্মে ভাল করে মন দিলাম। বন-জঙ্গল কেটে কিভাবে তরি-তরকারির আবাদ করব, সেই আলোচনা করতে লাগলাম মনের মধ্যে। একটা অসুবিধে এখানে থাকবার—বড্ড নির্জনে থাকতে হয়। কাছাকাছি যদি একঘর লোকও থাকতো, তবে কষ্ট হোত না—কথা বলবার একটা লোক নেই, এই হলো মহাকষ্ট। সেদিন দুপুরে এক ঘটনা ঘটলো। আমি ভাত নামিয়ে হাঁড়ি রাখতে যাচ্ছি, এমন সময় দোতলার বারান্দাতে অনেক লোক যেন একসঙ্গে হেসে উঠল। সে কি ভীষণ অট্টহাসি! আমার গা যেন দোল দিয়ে উঠল সে হাসি শুনে। খিলখিল করে হাসি নয়—খলখল করে হাসি। আকাশ-বাতাস থমথমিয়ে উঠল সে হাসির শব্দে। ভাত ফেলে রেখে দৌড়ে গেলাম। রোয়াকে গিয়ে ওপরের দিকে দেখি, কিছুই না। নিচের জানালা যেমন বন্ধ, ওপরের ঘরের সারবন্দি জানালা তেমনি বন্ধ। হাসির বহর তখন থেমে নিশ্চুপ হয়ে গিয়েছে। ব্যাপার কি? কোন বদমাইশ লোকের দল ওপরে আড্ডা বেঁধেছে? ওপরের সিঁড়ির মুখে গিয়ে দেখি দরজায় তেমনি কুলুপ ঝুলছে। আমার ভয় হয়নি। কেননা দিনমান, চারিদিকে সূর্যের আলো। এ সময়ে মনের মধ্যে কোন ভূতের সংস্কার থাকে না। এই হাসিই যদি আমি রাত্রে শুনতাম তবে বোধ হয় ভয়ে অজ্ঞান হয়ে যেতাম, চাবি দিয়ে দাঁত খুলতে হোত। রান্নাঘরে ফিরে এসে ভাতের ফেন গেলে ঝিঙের তরকারি চাপিয়ে দিই। প্রচুর ঝিঙে জঙ্গলে ফলেছে, যত ইচ্ছে তুলে নিয়ে খাও। আমারই বাড়ি, আমারই ঝিঙে-লতা। মালিক হওয়ার যে একটা মাদকতা আছে, তা কাল থেকে বুঝছি। আমার মতো গরীব বামুনের জীবনে এমন জিনিস এই প্রথম। কান পেতে রইলাম ওপরের ঘরে কোন শব্দ আসে কিনা শুনতে। ছুঁচ পড়বার শব্দও পেলাম না। খেয়েদেয়ে নিজের মনে বিছানায় গিয়ে শুয়ে ঘুমিয়ে পড়েছি—ঘুমের ঘোরে শুনছি, ঘরের মধ্যে অনেক লোক কথাবার্তা বলছে, হাসছে। ঘুমের মধ্যেও আমি ওদের কথাবার্তা যেন শুনছি, যেমন কোন বিয়ে বাড়িতে ঘর-ভর্তি লোকের মধ্যে ঘুমিয়ে পড়লে লোকজনের গলার শব্দ ঘুমের মধ্যেও পাওয়া যায়! হয়তো সবটাই আমার মনের ভুল! মনের সেই যে ভাব হয়েছিল হাসি শুনে, তারই ফল! এর পর ন’দিন আর কোন কিছু ঘটেনি। মানুষের মনের অভ্যাস, অপ্রীতিকর জিনিসগুলো তাড়াতাড়ি দিব্যি ভুলে যেতে চায়, পারেও ভুলে যেতে। আমি নিজের মনকে বোঝালুম, ওসব কিছু না। কি শুনতে কি শুনছি, বৌ দেখা চোখের ভুল, হাসি শোনাও কানের ভুল! সব ভুল। এ ন’দিনে আমার শরীর বেশ সেরে উঠল। খাই-দাই, আর শুধু ঘুমুই। কাজ-কর্ম কিছুই নেই—কেমন একরকমের কুঁড়েমি পেয়ে বসেছে আমাকে। আমি সাধারণত খুব খাটিয়ে লোক, শুয়ে বসে থাকতে ভালবাসিনে—কিন্তু অনেকদিন ধরে অতিরিক্ত খাটুনির ফলে কেমন একরকমের অবসাদ এসে গিয়েছে, শুধুই আরাম করতে ইচ্ছা হয়। ন’দিনের দিন বিকেলে মনে হলো রান্নাঘরের পেছনে সেই ঝিঙের জঙ্গলটা কেটে একটু পরিষ্কার করি, ঝিঙের লতাগুলো বাঁচিয়ে অবশ্য। ওখানে ঝালের চারা পুঁতবো, আর একটা চালকুমড়োর এঁটে লতা হয়েছে ওই জঙ্গলের মধ্যে, সেটা বাঁশের কঞ্চি দিয়ে রান্নাঘরের ছাদে উঠিয়ে দেবো। এ বাড়িতে কাজ করে সুখ আছে; কারণ দা কোদাল, কাস্তে, নিড়েন, শাবল, কুড়ুল, সব মজুত আছে—ঘরের কোনে একটা হাত-করাত ইস্তক। অল্পক্ষণ মাত্র কাজ করেছি—আধঘণ্টাও হবে না। হঠাৎ দেখি, সেই বৌটি ঝিঙে তুলতে এসেছে। নীচু হয়ে ঝোপের মধ্যে ঝিঙে তুলছে। সঙ্গে সঙ্গে দোতলার ঘরগুলোর মধ্যে এক কলরব উপস্থিত হলো। অনেকগুলো লোক—আন্দাজ জনপঞ্চাশেক, একসঙ্গে যেন-হৈ-হৈ করে উঠল—সব দরজা-জানালা যেন একটা ঝড়ের ঝাপটা লেগে একসঙ্গে খুলে গেল। বন কাটা ফেলে আমি ওপর দিকে চেয়ে দেখলাম। সামনের রোয়াকে এসে দাঁড়ালাম—কৈ, একটা দরজা-জানালার কপাটও খোলেনি দোতলার! যেমন তেমনি আছে! ব্যাপার কি? বাড়িটার মৃগী রোগ আছে নাকি ? মাঝে মাঝে এমন বিকট চিৎকার উঠে কেন? এবার তো ভুল হবার কোন কথা নয়—সম্পূর্ণ সুস্থ মনে কাজ করতে করতে এ চিৎকার আমি শুনেছি এইমাত্র। এখন আবার চারিদিক নিঃশব্দ, কোন দিকে কোন শব্দ নেই। সেই বৌটি আবার ঝিঙে তুলতে এসেছে এই গোলমালের মধ্যে। দৌড়ে গেলাম রান্নাঘরের পেছনে। সেখানেও কেউ নেই। সেদিন রাত্রে এক ঘটনা ঘটল। ভারি মজার ঘটনা বটে। খেয়েদেয়ে সবে শুয়েছি, সামান্য তন্দ্রা এসেছে—এমন সময় কিসের শব্দে তন্দ্রা ছুটে গেল। চেয়ে দেখি, আমার বিছানার চারপাশে অনেক লোক জড়ো হয়েছে—তাদের সবারই মাথায় লাল পাগড়ি, হাতে ছোট ছোট লাঠি—আশ্চর্যের বিষয়, সকলেরই মুখ দেখতে একরকম। একই লোক যেন পঞ্চাশটি হয়েছে, এইরকম মনে হয় প্রথমটা। বহু আরশিতে যেন একটা মুখই দেখছি! কে যেন বলে উঠল—আমাদের মধ্যে আজ কে যেন এসেছে! একজন তার উত্তর দিল—এখানে একজন পৃথিবীর লোকের বাড়ি আছে অনেক দিন থেকে। আমি দেখিনি বাড়িটা, তবে শুনেছি। যারা দেখতে জানে, তারা বলে। সেই বাড়ির মধ্যে একটা লোক রয়েছে। —সব মিথ্যে! কোথায় বাড়ি? —আমরা কেউ দেখিনি। —তবে এসো, আমরা নাচ আরম্ভ করি। বাপ রে বাপ! কথায় বলে ভূতের নৃত্য! শুনেই এসেছিলাম এতদিন, এইবার স্বচক্ষে দেখলাম। সে কি কাণ্ড! অতগুলো লোক একসঙ্গে লাঠি বাজিয়ে এক তাণ্ডব নৃত্য শুরু করে দিলে, আমার দেহের মধ্যে দিয়ে কতবার যে এল গেল! তার সঙ্গে সঙ্গে বিকট চিৎকার আর হল্লা! আমার বিছানার বা আমার দেহের কোন অংশ তারা স্পর্শও করল না। আমি যে সেখানে আছি, তাও যেন তারা জানে না। ওদের হুঙ্কার আর ভৈরব নৃত্যে আমি জ্ঞানশূন্য হয়ে গেলাম। যখন জ্ঞান হলো, তখন শেষ-রাত্রের জ্যোৎস্না খোলা জানালা দিয়ে এসে বিছানায় পড়েছে। সেই ফুলের অতি মৃদু সুবাস ঘরের ঠাণ্ডা বাতাসে। আমি আধ-অচেতনভাবে জানলার বাইরের জ্যোৎস্নামাখা গাছপালার দিকে চেয়ে রইলাম। কতক্ষণ পরে জানি না ভোর হয়ে গেল। বিছানা ছেড়ে উঠে দেখি ঘুমের কোন ব্যাঘাত হয়নি। সুনিদ্রা হলে শরীর যেমন ঝরঝরে আর সুস্থ হয়, তেমনি বোধ করছি। তবে সে ভূতের নাম কে দেখেছিল? সে নাচ কি তবে ভুল? খেয়েদেয়ে পরম আরামে শুয়ে ঘুমিয়ে পড়ে স্বপ্ন দেখেছি? তাই যদি হয়, তবে এই শেষ-রাত্রের ঠাণ্ডা বাতাসে যে ফুলের সুবাস পেয়েছি, তা কোথা থেকে এলো? সেই বৌটি যখন চলাফেরা করে, তখনি অমন সুবাস ছড়ায় বাতাসে। সুবাসটা ভুল হতে পারে না। এখনও সে-গন্ধ আমার নাকে লেগে রয়েছে! কোন অজানা বন-ফুলের সুবাস হয়তো! তাই হবে। তেল কিনতে গিয়েছি দোকানে দোকানী, বললে কি রকম আছো? বলি, কিছু দেখছো নাকি? —না। —শুনছো কিছু? —না। —তুমি দেখছি সাধু লোক। তুক-তাক জানো নাকি? ভূতের মন্তর? —তেল দাও, চলে যাই। ওসব বাজে কথা। —আচ্ছা, একটা মেয়েকে ওখানে কোন দিন দ্যাখোনি? বৌ-মত? কোন গন্ধ পাওনি? - কিসের গন্ধ? —কোন ফুলের সুগন্ধ? —না। —খুব বেঁচে গিয়েছ তুমি। তোমার আগে যারা ওখানে থাকতো, তারা সবাই একটি বৌকে দেখতো ওখানে প্রায়ই। এমন হোত শেষে, ও বাড়ি ছেড়ে তারা নড়তে চাইতো না। তারপর রোগা হয়ে দিন দিন শুকিয়ে শেষ পর্যন্ত মারা যেতো। দুটি লোকের এই রকম হয়েছে এ পর্যন্ত। বাড়িতে ভূতের আড্ডা। ভূতে লোককে পাগল করে দেয়। তাদের কাণ্ডজ্ঞান থাকে না, এমন ভাল লাগে এ বাড়ি—না খেয়ে, না দেয়ে ওখানে পড়ে থাকে—ছেড়ে যেতে চায় না! তুমি দেখছি ভূতের মন্তর জানো। আমরা তো ও বাড়ির ত্রি-সীমানায় যাইনে। মাথা খারাপ করে দেয় সাধারণ মানুষের। তেল নিয়ে চলে এলাম। ভাবতে এলাম, মাথা খারাপ হওয়ার সূত্রপাত আমারও হলো নাকি? বাড়ির সীমানায় পা না দিতেই আমারই মনে হলো, নাঃ, সব ভুল! পরম সুখে আছি। এ ছেড়ে কোথায় যাবো? বেশ আছি, খাসা আছি, তোফা খাসা আছি! সেই থেকে আজ দু’বছর পড়ে আছি এ বাড়িতে। চক্কত্তি মশায় মাইনে-টাইনে কিছুই দেয় না, তাতে আমার কিছু আসে-যায় না। বাড়ি দেখাশুনা করি, বেগুন-কলা বেচি, দিনরাত ওদের নৃত্য দেখি, ওদের মধ্যেই বাস করি—এক-পা যাইনে বাড়ি ছেড়ে। (সমাপ্ত) ---------


এডিট ডিলিট প্রিন্ট করুন  অভিযোগ করুন     

গল্পটি পড়েছেন ৬০৮ জন


এ জাতীয় গল্প

→ সবচেয়ে ভয়ংকর মাছ
→ মৃত সাগর
→ উড়োজাহাজ আবিস্কার
→ উড়োজাহাজ আবিস্কার
→ জিজেতে আমার পরিচয়!!!
→ কাব্য ভাইয়া
→ জোকস
→ নাম নেই
→ বাড়ি
→ এ কী অত্যাচার!

গল্পটির রেটিং দিনঃ-

গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করুন

গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করতে আপনার একাউন্টে প্রবেশ করুন ... ধন্যবাদ...